30/09/2026
⚠️ বাজারে কম দামের ইলিশ আর আমাদের দামের পার্থক্য কেন?
এর পেছনে এমন কিছু বিষয় আছে, যা না জানলে পুরো হিসাবটা বোঝা কঠিন।
👉 মূল পোস্টটা একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ে দেখুন।
🐟 ক্রেতা সাধারণের অবগতির জন্য—
আপনি যদি আমাদের পেজ ভিজিট করে থাকেন, তাহলে অনুরোধ রইল—এই পোস্টটি অন্তত একবার মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়বেন🙏🙏
মাত্র কয়েক মিনিট সময় নিয়ে পুরো লেখাটি পড়লে ইলিশের ভ্যারাইটি, সাইজ, দামের পার্থক্য, আমাদের পণ্যের মান এবং আমরা কীভাবে ব্যবসা করি—সবকিছু সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবেন।
ইলিশের উৎস, সাইজ ও ভ্যারাইটি অনুযায়ী দামের পার্থক্য হয়। আমাদের কাছে সর্বোচ্চ দামি থেকে সর্বনিম্ন দামি—বিভিন্ন ভ্যারাইটির ইলিশ রয়েছে। কোনটা নেবেন, সেটা সম্পূর্ণ আপনার পছন্দ। আপনি যেটা অর্ডার করবেন, আমরা সেটাই দেওয়ার চেষ্টা করব।
তবে আমাদের শর্ত একটাই—ইলিশ যত কম দামি বা যত দামিই হোক, কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো ও ফ্রেশ হতে হবে। বাসি বা পচা ইলিশ আমরা বিক্রি করি না।
📌 আজ ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের বাজারদর অনুযায়ী শুধুমাত্র ধারণা দেওয়ার জন্য ৮০০ গ্রাম–১ কেজি সাইজের কয়েকটি ভ্যারাইটির দাম দেখানো হয়েছে।
বাস্তবে আমাদের কাছে কেজিতে ৩–৪ পিস থেকে শুরু করে ২ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন সাইজ ও ভ্যারাইটির ইলিশ রয়েছে। তাই সাইজ ও ভ্যারাইটি অনুযায়ী দামের পার্থক্যও অনেক। বাজারদর অনুযায়ী দাম সময়ভেদে কমবেশি হতে পারে।
দামি ও কম দামি ইলিশের পার্থক্য মূলত সাইজ, উৎস ও স্বাদের ওপর নির্ভর করে। কম দামি মানেই বাসি বা পচা নয়, আবার দামি মানেই বেশি তাজা—বিষয়টি এমনও নয়।
নিচের স্ক্রিনশটে একজন কাস্টমার দাম জানতে চাইলে কীভাবে বিভিন্ন ভ্যারাইটির দাম পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে, তার একটি নমুনা দেওয়া হলো। এটি দেখলেই আমাদের দাম দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
আমাদের লক্ষ্য—হালাল ব্যবসা, ভালো সার্ভিস, সঠিক পণ্য এবং সঠিক দাম কাস্টমারের কাছে পরিষ্কার করে তারপর ডেলিভারি করা।
বাজারের মতো চাঁদপুরের ইলিশ বলে বার্মিজ ইলিশ, অথবা পদ্মার ইলিশ বলে সামুদ্রিক ইলিশ আমরা বিক্রি করি না। আমরা যে পণ্য যেটা বলি, সেটাই দিয়ে থাকি। তাই দামের ক্ষেত্রেও আমাদের কম্প্রোমাইজ করার সুযোগ থাকে না।
শুধুমাত্র যারা মনে করেন “আমাদের ইলিশ সহ অন্যান্য মাছ হাঁস মুরগির দাম বেশি, বাজারে কম”, তাদের ধারণা পরিষ্কার করার জন্যই আজকের এই পোস্ট।
একটা উদাহরণ দিই—চাঁদপুরের ১০ কেজি ইলিশের সঙ্গে যদি ৫ কেজি বার্মিজ ইলিশ মিশিয়ে দিই অথবা দেশি মুরগির সাথে কিছু ক্রস মুরগি, তাহলে প্রতি কেজিতে ২০০–৩০০ টাকা কম দামেও বিক্রি করে ভালো লাভ করা সম্ভব। কাস্টমারও হয়তো সেটা বুঝতে পারবেন না। এতে কাস্টমার খুশি হবেন, আমাদের সেলও অনেক বেশি হবে।
কিন্তু আমরা সেটা চাই না।
আমাদের লক্ষ্য হালাল ব্যবসা, হারাম খাওয়া নয়।
সঠিক পণ্য, সঠিক দাম এবং কাস্টমারের সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রেখেই আমরা ব্যবসা করতে চাই।
আর ঠিক একইভাবে আমাদের প্রতিটি মাছ এবং প্রতিটি পণ্যের ক্ষেত্রেও দামের পার্থক্য হয়ে থাকে। পণ্যের সাইজ, উৎস, ভ্যারাইটি ও মান অনুযায়ী দাম কমবেশি হতে পারে।
তবে আমাদের শর্ত একটাই—দাম যতই কম বা বেশি হোক, আমরা ফ্রেশ ও মানসম্মত পণ্য ছাড়া কোনো মাছ, মাংস, হাঁস-মুরগি বিক্রি করি না। ❤️
আমাদের কাছে শুধু বিক্রি করাই লক্ষ্য নয়—কাস্টমার যেন কী কিনছেন, কত দামে কিনছেন এবং কী মানের পণ্য পাচ্ছেন—সবকিছু জেনে-শুনে কিনতে পারেন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
তাই আবারও অনুরোধ রইল—আমাদের পেজ থেকে অন্তত একবার হলেও মাছ মাংস নিয়ে পরীক্ষা করবেন। আমাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন, আমাদের পণ্যের ধরন বুঝতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে কোনো পণ্য অর্ডার করার সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আসসালামু আলাইকুম।