SHAJ by Tahsin

SHAJ by Tahsin Always Try to Give the best and Loveliest Dress to our Beautiful Ladies at Very Reasonable Price. Stay with us stay Updated!! ❤️❤️

কার চাই? যারা কিচেন সাজাতে ভালোবাসেন তাদের জন্য ই এমন কিউট একটা জিনিস! লং কাঠের হাতল। ❤️❤️
08/06/2026

কার চাই? যারা কিচেন সাজাতে ভালোবাসেন তাদের জন্য ই এমন কিউট একটা জিনিস! লং কাঠের হাতল। ❤️❤️

স্মার্ট গৃহীনির স্মার্ট সল্যুশন।  ❤️❤️
08/06/2026

স্মার্ট গৃহীনির স্মার্ট সল্যুশন। ❤️❤️

😪
28/05/2026

😪

মা বাবা বে"ছে নেই আমার। একটু মাংস দিবেন স‍্যার আমাকে ।
--কোন মাংস নেই এখানে। চলে যা!!

--এই ত সাহেব অনেক মাংস একটু দেন না আমাকে রান্না করে খাবো।

--এই তুই কি যাবি এখানে থেকে। বললাম না মাংস নেই।

--দেন না সাহেব খুব ইচ্ছে করতেছে খাইতে।

-কথাটি বলার সাথে সাথেই লোকটি মেয়েটিকে দেয় একটি থাপ্পড়!!

--ঠাসসস ঠাসসস ঠাসসস কথা বুজিশ না সু"হ"রে-র বাচ্ছা। যা চলে যা এখানে থাকে।

( কথাটি বলেই লোকটি বলতে থাকে )

--এই হাসিব হাসিব সব মাংস ফ্রিজে ডুকাও তারা তারি কারন অনেক ভিখারি আসতেছে।

হাসিব : ঠিক আছে সাহেব।

--মেয়েটি আর একটি কথাও না বলে দুর থেকে হাতে ব‍্যাগ নিয়ে ওই দিকে তাকিয়ে থাকে। তবুও একটু মাংসের জন্যে ।

--এমন হাজারো মানুষ আছে যারা কুরবানি দেয় কিন্তু গরিবের একটু হক পুরন করতে পারে না😊😊

এই সমাজের কয়জন মানুষ আমরা নিজের পশুত্বকে কুরবানী দিতে পারি??

২২:৩৭
আরবি: لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوَىٰ مِنكُمْ ۚ كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَاكُمْ ۗ وَبَشِّرِ الْمُحْسِنِينَ

বাংলা:
“আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর গোশত আর রক্ত, বরং তোমাদের তাকওয়া (আল্লাহভীতি) পৌঁছায়। এভাবেই তিনি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করতে পার যে, তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত দিয়েছেন। আর সৎকর্মশীলদেরকে সুসংবাদ দাও।”

লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক😪
26/05/2026

লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক😪

আমি অভিমানী গলায় দাদারে বলে উঠি, লালুরে কেন বেচবা দাদা? কোরবানির হাঁটে বেচলে তো লালুরে জবাই করবে, লালু খুব কষ্ট পাবে, লালুরে আমি কিছুতেই বেচতে দিবো না। দাদা মায়া মায়া দৃষ্টি নিয়া আমার দিকে তাকান, বিছানায় শোয়া অবস্থাতেই আমার মাথায় হাত বুলিয়ে নরম কন্ঠে বলেন, আমরা আবার নতুন লালু নিয়া আসবো দাদু ভাই। লালু আল্লাহর খুশির জন্য কোরবান হবে; ওতে লালুও খুশি হবে। কোন কষ্ট নাই।

আমি মানতে নারাজ। মোবারক দাদাও দাদার সাথে হ্যাঁ মিলিয়ে আমাকে বুঝায়, দাদুভাই রাগ করো কেনো? তোমার তো খুশি হওয়ার কথা, তুমি কি চাও না লালু আল্লাহর কাছে চলে যাক? যদিও আমার মন মানলো না, তবুও আমি মাথা ঝাঁকাই অবশ্যই চাই। মা বলেছে, আল্লাহর খুশির জন্যে আল্লাহর পথে যারা কোরবানি হয় তাঁরা কখনো মরে না।

দাদা বিছানা থেকে উঠতে পারেন না। বাবাকে বলতে শুনেছি দাদার ক্যান্সার না কী একটা বড় অসুখ হয়েছে, ভালো চিকিৎসা করালে সব ঠিক হয়ে যাবে। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা লাগবে। কিন্তু টাকা কোথায় পাবে বাবা? বাবার একমাত্র সম্বল লালু। আমি জানি এই বছর কোরবানীর হাঁটে লালুকে বেছে যে টাকা পাবে সে টাকা দিয়ে বাবা দাদাকে অপারেশন করাবে। শুধু যে দাদার অপারেশন করবে তা না, মা'কে একজোড়া নতুন কাপড় কিনে দিবেন। আমাকে কিনে দিবে ঈদের জামা।

মোবারক দাদা আর আমার দাদা ছোটবেলার বন্ধু। মোবারক দাদা ছিলেন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। রিটায়ার্ডের পর যে'কয় টাকা পেনশন পেয়েছেন সে টাকা থেকে ছেলে মেয়ের পিছনে খরচ করে বাকী টাকা তিনি জমিয়েছেন হজ্ব করতে যাবেন বলে। মৃত্যুর আগে একবার তিনি আল্লাহর ঘর দেখে যেতে চান। জীবনের আখেরি সম্বল জমানো পেনশনের টাকা দিয়ে তিনি এবার হজ্বে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বৃদ্ধ মানুষ কি থেকে কী হয়ে যায় বলা তো যায় না, হায়াৎ মউত আল্লাহর হাতে। তিনি শুনেছিলেন হজ্ব করতে গিয়ে বহু হাজী মৃত্যুবরণ করে। সে জন্য হজ্বে যাওয়ার আগে শেষবারের জন্য আমার দাদার সাথে দেখা করতে এসেছে। মোবারক দাদা খুব খুশি খুশি ভাব নিয়ে আমার দাদাকে বলল, অবশেষে হজ্বে যাওয়ার স্বপ্নটা পূরণ হবে রে, হজ্বে যাচ্ছি। দোয়া নিতে এসেছি তোর কাছে। দাদা মুচকি মুচকি হাসেন। মোবারক দাদার হাত চেপে ধরে বলেন, শুনে খুবই খুশি হয়েছি মোবারক, আল্লাহ তোর মনের আশা পূরণ করুক। মোবারক দাদা দেখা করে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে আমার গালে আদর করে দিয়ে বলে গেলেন, মক্কা থেকে ফিরে আসার সময় তোমার জন্য খুর্মা খেঁজুর নিয়ে আসবো দাদু ভাই। আমি খুশিতে মাথা ডানবাম করি, আচ্ছা।

ঈদের আর মাত্র বাকি পনেরো দিন। লালু বেশ স্বাস্থ্যবান হয়েছে। লালুকে ইদানীং বেশী বেশী যত্ন করেন বাবা। মা রাতে কয়েকবার ঘুম থেকে উঠে গোয়াল ঘরে গিয়ে লালুকে দেখে আসেন। বাবার চোখেও ঘুম নাই। দাদার শরীরটা আরোও খারাপ হয়েছে। ঈদের এগারো দিন আগে মা গোয়াল ঘরে গিয়ে চিৎকার করে জ্ঞান হারালেন। গোয়াল ঘর শূন্য। বাবা পাগলের মত ছুটোছুটি করে খোঁজ নিলেন এদিকওদিক। লালুকে কোথাও পাওয়া গেল না। লালু চুরি হয়ে গিয়েছে। বাবা লালুর নাম ধরে উঠানে গড়াগড়ি করে কাঁদে, মা আঁচলে মুখ চেপে ধরে বিলাপ করে কাঁদেন, মায়ের গলা ধরে নীরব কষ্টে কাঁদি আমি। দাদা চিৎকার করে উঠে বিছানা থেকে, মরে যাই রে বাবা মরে যাই। বাবা চোখের জল লুকিয়ে, লালুর শোক বুকের ভেতর চেপে রেখে দাদাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যায়। ডাক্তার দাদাকে দেখে জানায়, ইমিডিয়েটলি অপারেশন না করা হলে দাদাকে বাঁচানো যাবে না। বাবা অসহায় মুখে দাদার পাশে বসে থাকেন। অপারেশনের টাকা কোথায় পাবে বাবা? লালু তো নাই।



দুইদিন পর বাংলাদেশে ঈদ। সৌদিতে আজ হজ্ব পালন হচ্ছে। দাদার অপরেশন করা হয়েছে। মোবারক দাদা বসে আছেন দাদার বিছানার পাশে। দাদার শরীরে স্যালাইন চলছে এখনও। আমি কিছুতেই বুঝতে পারলাম না বাবা এতগুলো টাকা কোথায় পেলো অপারেশনের জন্য? লালুরে তো পাওয়া যায় নাই, আর মোবারক দাদার তো এখন সৌদিতে থাকার কথা, তিনি এখানে কী করেন?

দুপুর তিনটা। বাবা বসে আছেন দাদার একপাশে আর আরেকপাশে মোবারক দাদা। টেলিভিশনে হজ্ব দেখানো হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ হাজির লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ময়দান। মুবারক দাদা বাবাকে ডেকে বললেন, সাউন্ডটা একটু বাড়িয়ে দাও। বাবা সাউন্ড বাড়িয়ে তাকিয়ে আছেন মোবারক দাদার দিকে। বাবার দৃষ্টি জুড়ে কৃতজ্ঞতা এবং এক ধরণের অপরাধবোধ। বাবার ওই শুঁকনো করুন মুখচ্ছবির দিকে তাকিয়ে আমি বুঝতে পেরেছি দাদার অপারেশনের এত টাকা কোত্থেকে আসলো!

টাকাটা দিয়েছেন মোবারক দাদা। লালুর চুরি যাওয়া আর দাদার অসুস্থ হওয়ার কথা শুনে মোবারক দাদা ছুটে এসেছিলেন হাসপাতালে।হজ্বে না গিয়ে হজ্ব করার উদ্দেশ্যে জমা করা পুরো টাকাটা বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য মোবারক দাদা তুলে দিয়েছিলেন আমার নিরুপায় বাবার হাতে। এত বড় বিসর্জন ? এত বড় ত্যাগ!

টেলিভিশনের দিকে তাকিয়ে মোবারক দাদা দুই হাত মোনাজাতের মতো তুলে ধরলেন। হাজিরা সকলে তাকবির দিচ্ছে, লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। মোবারক দাদা ভেউভেউ করে কান্না শুরু করলেন। হাজার মাইল দূর আরাফাতের ময়দানে থাকা হাজিদের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে বলে উঠলেন, “ লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক'।

চোখের জল মোবারক দাদার গাল হতে গড়িয়ে দাঁড়ি ভিঁজে যাচ্ছে। শুনেছি হাজিদের চেহারার মাঝে হজ্ব করার পর আলাদা একটা সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। আমার মনে হলো মোবারক দাদার চোখের জলে ভেঁজা মুখ অপার্থিব সৌন্দর্যে ঝলমল করছে। আমার মনে হলো মোবারক দাদা হাসপাতালে নয় তিনি এই মুহূর্তে আরাফাতের ময়দানে দাঁড়িয়ে বলছেন, ইয়া রব আমি আপনার কাছে হাজিরা দিচ্ছি, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নাই'।

আমার দাদা হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরার দুই মাস পর মোবারক দাদা মারা গেলেন। একদিন মাঝ রাতে আমি মোবারক দাদাকে স্বপ্ন দেখলাম। তিনি দাঁড়িয়ে আছেন আমাদের লালুর সাথে। চারদিকে ফুটে আছে অজস্র সাদা রঙের ফুল। ফুলের উপর উড়ছে মৌমাছি। আমাকে বললেন, দাদুভাই আমরা আল্লাহর কাছে আছি, তোমার জন্য খুর্মা খেঁজুর আনতে পারিনি বলে তুমি আমার উপর রাগ করিও না। আমার ঘুম ভেঙে গেল। ঘুম ভাঙার পর সারা ঘর জুড়ে ম-ম করে ভেসে বেড়ালো এমন কোন এক ফুলের ঘ্রাণ যা আমি চিনি না। কী নাম হতে পারে ওই ফুলের? আমি মনে মনে একটা নাম দিলাম, স্বর্গীয় ফুল...

|| ত্যাগ ||

লেখা: আরিফ হুসাইন

©সংগৃহীত

22/05/2026

সবাই বলবে ওয়াও!! কই থেকে নিলেন!! 😍😍😍

গেস্ট এর সামনে নিজেকে আরো প্রেজেন্টেবল করে তুলুন আমাদের সুন্দর ইউনিক এই ৩ লেয়ার ট্রে দিয়ে।🌺উন্নতমানের ফাইবারের প্লাষ্টিক...
22/05/2026

গেস্ট এর সামনে নিজেকে আরো প্রেজেন্টেবল করে তুলুন আমাদের সুন্দর ইউনিক এই ৩ লেয়ার ট্রে দিয়ে।
🌺উন্নতমানের ফাইবারের প্লাষ্টিক থেকে তৈরি।
- ফাইবার প্লাষ্টিক হওয়ার কারণে ভেঙে যাওয়ার কোনো চিন্তা নেই এবং ওজনেও হালকা, তাই খুব সহজে carry করা যায়
- এটা ওয়াশেবল, খুব সহজে ধুয়ে পরিস্কার করা যায়
- গোল্ডেন স্ট্যান্ড টা ফাইবার মেটেরিয়াল এর তাই মরিচা ধরবে না কখনো
- উপর থেকে নিচে পড়লেও ভাঙবে না—গ্যারান্টি!
- নাস্তা পরিবেশনের জন্য আদর্শ।
- ঘর সাজানো, পরিবেশন, কিংবা ডাইনিং এর সৌন্দর্য বাড়াতে—সব কাজে পারফেক্ট!
প্রাইস টা একদম রিজনেবল। ❤️

☹️
15/05/2026

☹️

"-তোমার মধ্যে বিষ নেই,, তাই তুমি অত্যন্ত দূর্বল।"
সাপ ইঁদুরকে ফিসফিস করে বললো।

"-যার মধ্যে যতো বিষ রয়েছে,, পৃথিবীতে সে ততো সম্মান পেয়ে থাকে।"

"-বিষ থাকলে,, তবেই ক্ষমতা দখল করতে পারবে। মনে রেখো,, তোমার বিষ তোমার জন্য অমৃত স্বরূপ।"

ইঁদুর মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে।

-"তোমার মধ্যে বিষ থাকতে হবে। তবেই তুমি সম্মান পাবে। তবেই তোমাকে সকলে ভয় করবে।"

সাপ মোহময়ী সুরে বলে চলেছে।

বিষয়টি ইঁদুর অনুধাবন করে,, সে বুঝতে পারে,, বিষ নাহলে জীবন অপূর্ণ।

-"তাহলে আমার কি করা উচিত ?"
নিরীহ ইঁদুর প্রশ্ন করে।

-"একেবারে সহজ উপায়.....তোমার অন্তরে বিষ তৈরী করতে হবে।"

- "সে নাহয় হলো। কিন্তু,, নিজের ভিতরে বিষ তৈরী করবো কিভাবে?"

ইঁদুর অতি-উৎসাহী হয়ে পড়ে। যেভাবেই হোক বিষ তৈরী করতে হবে।

-"তুমি চাইলে আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি!"
সাপ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

-" কিভাবে ?"

-" তুমি চাইলে আমার কাছ হতে বিষ নিতে পারো।আমি তোমাকে বিষ দিতে প্রস্তত।"

শক্তি-ক্ষমতা-সম্মানের জন্য লালায়িত ইঁদুর তৎক্ষণাৎ রাজী হয়ে পড়ে। সাপ ইঁদুরের সম্মতি দেখে মনে মনে হেসে ওঠে।

এরপর ইঁদুরের সম্মতিক্রমে তার শরীরে সাপ নিজের বিষ ছড়িয়ে দেয়। রক্তের সঙ্গে মিশ্রিত বিষ,, ইঁদুরের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়ে। যন্ত্রণায় সে কাতরাতে থাকে। তার পুরো শরীর বিষের কারনে নীল হয়ে পড়ে। ইঁদুর চিরতরে শান্ত হয়ে গেলো।

ইঁদুরের ডেডবডি মুখে নিয়ে সাপ জনসভার দিকে এগিয়ে চলে। সেখানে হাজার হাজার সাপ অপেক্ষা করে চলেছে। সকলে মিলে সাপকে হর্ষ-উল্লাসে স্বাগত জানাতে থাকে।

ইঁদুরের ডেডবডি দেখে সমস্ত সাপ আনন্দিত,, সম্মিলিত ভাবে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে পড়েছে সাপেদের শ্লোগানে।

সভা শুরু হলো।

-" বন্ধুগণ ,, আমার প্রিয় বন্ধুগণ ।"
সমস্ত সাপ মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে।। চারিদিক নিস্তব্ধ,, কোথাও কোনো শোরগোল নেই।

-"বন্ধুরা ,, আমি যেভাবে আপনাদের কাছে কথা দিয়েছি,, ঠিক সেভাবেই নিজের কার্য সম্পন্ন করেছি।"

ইঁদুরের ডেডবডি সকলের উদ্দেশ্যে দেখিয়ে বলে - "দেখুন,, রেজাল্ট আপনাদের সামনে। কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না।"

সমস্ত সাপ ফোঁস ফোঁস করে তাকে সমর্থন জানিয়ে দিলো।

সাপ বলতে থাকে - "বন্ধুরা ,, আমরা আগে থেকেই অনেক বদনাম হয়ে রয়েছি। নতুন করে আর বদনামের ভাগীদার হতে চাইছি না। দেখুন বন্ধুরা ,, আমি এই কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করেছি।"

-- "আমার উপরে কেউ দোষারোপ করতে পারবে না। কারণ,, ইঁদুর নিজেই আমার কাছে বিষ চেয়েছে,, আমি তার চাহিদা পুরণ করে দিয়েছি।"

একথা বলে সাপ নিজের লকলকে জিভ বের করে নানারকম অঙ্গভঙ্গি করতে থাকে।

সমস্ত সাপ দীর্ঘক্ষণ ধরে ফোঁস ফোঁস শব্দে তাকে সম্মতি জানিয়ে চলে।

-"বন্ধুরা ,, প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর হৃদয় বিষাক্ত করে তুলতে হবে।"

- "সেই বিষ ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে পৌঁছে যাবে। মস্তিষ্ক হতে শিরায় শিরায় বিষ ছড়িয়ে পড়বে। সে অস্থির হয়ে উঠবে।"

সমস্ত সাপের দল মনোযোগ সহকারে শুনে চলেছে।

- "আমরা স্বপ্ন এবং ভয়,, দুটো হাতিয়ার একসাথে প্রয়োগ করে যাবো। "ভালো দিনের স্বপ্ন দেখাতে হবে,, সঙ্গে সঙ্গে " ভয়ঙ্কর বিপদের " ভয় দেখিয়ে যেতে হবে।"

-"বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নন-ইস্যু গুলো,, ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে হবে। যাতে তারা আসল ইস্যু হতে মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে।"

সাপ নিজের মুখে ইঁদুরের ডেডবডি তুলে নিয়ে বলে - "দেখুন,, কিভাবে স্বেচ্ছায় সে আমাদের রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে। কিভাবে সে নিজের শরীর নীল করে ফেলেছে।"

সমস্ত সাপ ইঁদুরের নীল রঙের মৃতদেহ দেখে উৎফুল্ল হয়ে পড়ে। তারা নিজেদের মধ্যে অজানা এক রোমাঞ্চ অনুভব করতে থাকে।

সাপ বলে চলেছে - "বিষ ভরতে থাকুন। বিষাক্ত করে দিন সমস্ত শরীর। কিন্তু,, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে,, উপদেশের ছলে,, শান্তির পক্রিয়ার মাধ্যমে। ধীরে ধীরে,, একটু একটু করে বিষ ভরে দিন......"

-" দেখবেন,, উপদেশ উন্মাদনা হয়ে উঠবে। এভাবেই আমাদের নিজের নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। দেখবেন,, গোটা দেশ সর্পময় হয়ে উঠেছে। সেদিন অত্যন্ত সন্নিকটে,, যেদিন দেশের মধ্যে কেবলমাত্র সাপ ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না।"

এক বৃদ্ধ সাপ উত্তেজিত হয়ে ফোঁস ফোঁস করে বলে - "বুঝেছি,, আমাদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গণতন্ত্র-কে খতম করে,, সাপের রাজ্য সাপত্ব কায়েম করতে হবে।"

-'মুরুব্বী ঠিক বলেছেন। আমিও ঠিক এটাই বোঝাতে চাইছি।"
সাপ সম্মতির সুরে মাথা নেড়ে বলে।

দ্বিমত পোষণকারী এক যুবক সাপ উঠে বললো - "দেখুন,, ইঁদুর মায়াজালে ফেঁসে গেছে,, কিন্তু,, সকলে এভাবে ফেঁসে যাবে তার গ্যারান্টি কোথায় ??"

-"ভেরী গুড কোয়েশ্চন।।"
একথা বলে সাপ বেশ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে পড়ে।

এরপর মাথা ঝাঁকিয়ে বলে - "যতক্ষণ নিজেদের মধ্যে আধিপত্যবাদের অনুভূতি বিরাজমান থাকবে,, ততক্ষণ কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। বর্তমান সময় আমাদের জন্য এক গোল্ডেন-পিরিয়ড। বর্তমান সময়ে সবাই একে অপরের উপর আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে।। আমাদের সুযোগ কাজে লাগিয়ে,, এগিয়ে যেতে হবে।"

এই কথা শুনে সমস্ত সাপের মধ্যে খুশীর লহর বয়ে গেলো।

-"বন্ধুগণ ,, কেবলমাত্র গর্ব বিক্রি করতে হবে। শ্রেষ্ঠত্বের স্বপ্ন দেখিয়ে যেতে হবে। শ্রেষ্ঠ হওয়ার স্বপ্ন তাদের ধ্বংস করে দেবে। একদিন সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের প্রথম টার্গেট হলো ইঁদুর। আপাতত ইঁদুর শেষ করতে হবে। আমরা ছুঁচো,, নেউল,, বেঁজী,, গোসাপ,, ব্যাঙ,, বিচ্ছু,, সকলকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাব। প্রথম টার্গেট শেষ হলে দ্বিতীয়,, তারপর তৃতীয়,, চতুর্থ,, পঞ্চম,, এভাবে সকলকে শেষ করে দেবো।"

চারিদিকে হর্ষধ্বনিতে উত্তাল গোটা জনসভা। সবাই সাপের নামে ধন্য ধন্য করে চলেছে।

সাপের স্বপ্ন,, সর্পরাজ্য গঠন করা। যে রাজ্যে বিষহীন ছোটজাতের সাপের কোনো জায়গা থাকবে না। কেবলমাত্র বেশকিছু বিষধর সাপ নিজেদের রাজত্ব,, নিজেদের প্রভুত্ব কায়েম রেখে যাবে। যেখানে অন্য কারো জায়গা থাকবে না।

সর্বসম্মতিক্রমে সাপেদের নেতা নির্বাচিত হয়ে গেলো। বড়ো ফুলের মালা পরে,, ইঁদুর মারা বুদ্ধিমান সাপ বলে ওঠে -
"বন্ধুগণ, পথ দেখিয়ে দিলাম,, আর বসে থাকা চলবে না। এখনই কাজে লেগে যেতে হবে।গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে,, গণতন্ত্র হত্যা করার কাজ আমরা নিপুণ ভাবে করে যাবো।"

সকলে দলনেতাকে ধন্য ধন্য করে বেরিয়ে গেলো নিজের দায়িত্ব পালন করতে।

সভাস্থলে পড়ে রয়েছে ইঁদুরের লাশ। নিশ্চিত,,এখানে একের পর এক লাশ আসবে।লাশের স্তূপে পরিণত হবে গোটা ময়দান। ইঁদুরের লাশ,, ব্যাঙ,, ছুঁচো,,নেউল,, বেঁজি,, এমনকি বিষহীন সাপের লাশে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে গোটা ময়দান।

জীবিত থাকবে কেবলমাত্র কয়েকটি বিষাক্ত সাপ।

পরিশেষে তারা এই দেশ,তাদের বিষ দিয়ে মরুর স্তপ বানিয়ে দিবে.।

©সংগৃহীত

মধুতে যে মরে তারে বিষ দিয়ে মারতে নেই😢
08/05/2026

মধুতে যে মরে তারে বিষ দিয়ে মারতে নেই😢

কি নির্মমতা! স্ত্রী ইয়াসমিনের এ ৯টি শর্ত মানতে না পেরে গত সোমবার (৪ মে) আনোয়ার শ্বশুর আব্দুল মান্নানের কাছে বিচার দিতে শশুর বাড়িতে গেলে শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে উল্টো অপমান করেন। তাদের সবার অপমান সহ্য করতে না পেরে তিনি বাড়িতে এসে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে জানান স্থানীয়রা। শর্তগুলো ছিলো -

১) আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সংসারে আনোয়ারের মা-বোনের কোনো কথা শোনা ও বলা যাবে না।
২) আমি যতই আপরাধ করি, আমার গায়ে আঘাত করা যাবে না।
৩) আমার স্বর্ণালংকার আমাকে বুঝিয়ে দিতে হবে।
৪) দেনমোহরের পরিবর্তে ২০ শতাংশ জমি আমার নামে লিখে দিতে হবে।
৫) আমার সাংসারিক বিষয় নিয়ে কোনো দোষ খুঁজতে পারবে না, বিনা কারণে ঝগড়া করতে পারবে না।
৬) বাবার বাড়ি থেকে কোনো কিছু নেওয়ার জন্য জোর করা যাবে না।
৭) ননদ ও তার স্বামীরা আমার সংসারের বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারবে না।
৮) আমার বাবার বাড়িতে আসা-যাওয়ার জন্য কোনো প্রকার নিষেধ করা যাবে না।
৯) সব রকম স্বাধীনতা আমাকে দেওয়া লাগবে।

ঘটনা লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে, সুত্র যুগান্তর।

মধুতে যে মরে তারে বিষ দিয়ে মারতে নেই😢

আমাদের লং গেঞ্জি গুলি অনেক বেশি সফট আর কম্ফোর্টেবল।এই অব্দি ৩টার নিচে কেউ নেয়নি আলহামদুলিল্লাহ।এই ৬টা দিয়েছি Nigar Sulta...
07/05/2026

আমাদের লং গেঞ্জি গুলি অনেক বেশি সফট আর কম্ফোর্টেবল।এই অব্দি ৩টার নিচে কেউ নেয়নি আলহামদুলিল্লাহ।এই ৬টা দিয়েছি Nigar Sultana Rani আপুকে।উনার নিজের আর মেয়ের জন্য নিয়েছেন আপু।

দারুন একটা কম্বো অফার নিয়ে এসেছি!মাত্র ২০৯৯ টাকায় পাচ্ছেন মোট ৪টা জিনিস। 🌿১টা কাজ করা থ্রিপিস।🌿১টা নরমাল সুতির থ্রিপিস।🌿...
05/05/2026

দারুন একটা কম্বো অফার নিয়ে এসেছি!
মাত্র ২০৯৯ টাকায় পাচ্ছেন মোট ৪টা জিনিস।

🌿১টা কাজ করা থ্রিপিস।
🌿১টা নরমাল সুতির থ্রিপিস।
🌿১টা সুপার কম্ফোর্টেবল লং টিশার্ট।
🌿১টা সুপার কম্ফোর্টেবল প্যান্ট!!

আপনারা চাইলে যেকোনো জিনিস রিপ্লেস করে অন্যটা চুজ করে নিতে পারবেন।
#হ্যাপি_শপিং।

Address

Mijan Road
Feni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHAJ by Tahsin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share