Shyama

Shyama pet lover

15/02/2026

এক কোটি বছর ধরে আমি কোথাও ঘুরতে যাইনি। 🙂

Illiterate piece of s**t!
12/02/2026

Illiterate piece of s**t!

11/02/2026

এই যে আপনার ভেতর ভেতর কিছু একটা চলছে কিন্তু আপনি প্রকাশ করতে পারছেন না।
এই যে একটা বিশাল আক্ষেপ নিয়ে বুক ভারী করে আপনি খুব সহজ হাসিতে মুখ ভরিয়ে রেখেছেন।
এই যে আপনার ভীষণ খারাপ লাগছে তবু সয়েই যাবেন বলে ঠিক করেছেন,,

এই যে আপনি মানুষ হারানোর পর শক্ত হন তবু চোখ ভাঙিয়ে কাঁদতে পারেন না।
কাউকে মনের চৌকাঠ অব্দি এগিয়ে দিয়ে ঠায় তাকিয়ে থাকেন তার সম্পূর্ণ নিরুদ্দেশ হওয়া পর্যন্ত।

এই যে আপনি অত্যন্ত কাছের কারও দেওয়া আঘাত জলের মতো গিলে নিলেন, তবু কিচ্ছুটি ফিরিয়ে দিলেন না। একান্তে মুখ ভিজিয়ে নিলেন শাওয়ারের নিচে, নীরবে।
ঘুম থেকে আচমকা উঠে মাথা নিচু করে বিছানায় স্তব্ধ হলেন কিছুক্ষণ।

আপনারা আদতে যোদ্ধা, কখনও পরিস্থিতির সাথে তো কখনও নিজের সাথে। শব্দহীন, প্রকাশহীন, ঠান্ডা লড়াই....

সবকিছু মেনে নিয়েই কি দারুণভাবে রোজ রোজ জিতে যাচ্ছেন

09/02/2026

দেইখো!'
তোমারও একদিন বাকের ভাইরে বলা মুনার সেই বিখ্যাত ডায়লগের মতো মনে হইবো,
"আমার বোধ-হয় এই পাগল মেয়েটারে-ই ভালোবাসা উচিৎ ছিলো" 🤍

হৃদয়ের Critical Pointলেখা : Shyama ★অধ্যায় তিন ——হাসপাতালের পুরোনো ভবনটা সন্ধ্যার পর অন্যরকম হয়ে যায়। দিনের কোলাহল স্তিম...
27/01/2026

হৃদয়ের Critical Point
লেখা : Shyama

★অধ্যায় তিন



হাসপাতালের পুরোনো ভবনটা সন্ধ্যার পর অন্যরকম হয়ে যায়। দিনের কোলাহল স্তিমিত হয়ে এলে দেয়ালগুলো যেন নিজেদের গল্প বলতে শুরু করে। নীলচে আলো, লম্বা করিডোর, আর মাঝেমাঝে ভেসে আসা স্ট্রেচারের শব্দ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত নিঃশব্দ পরিবেশ।
অর্ণব ঠিক সময়েই নিচে নেমে এলো। সাদা অ্যাপ্রোন খুলে হাতে ধরে আছে। চুলে এখনো বৃষ্টির আর্দ্রতা। সে অকারণেই নিজের ঘড়ির দিকে তাকাল।
সময় আছে।
তবু অপেক্ষার অনুভূতিটা নতুন।
কয়েক মিনিট পর দূর থেকে একটি পরিচিত অবয়ব এগিয়ে এলো। হালকা রঙের কুর্তি, কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ, চুলগুলো অগোছালোভাবে বাঁধা। হৃশিতা হাঁটছে ধীর পায়ে—যেন এই জায়গাটাকে সে খুব বেশি চেনেও না, আবার একেবারে অপরিচিতও নয়।
চোখাচোখি হতেই দু’জনেই থেমে গেল এক মুহূর্ত।
— আপনি ঠিক চলে এলেন,
অর্ণব বলে উঠল।
— আপনিও!
হৃশিতার কণ্ঠে অদ্ভুত এক স্বাভাবিকতা।

কিছুক্ষণ দু’জনেই নীরব রইল। সেই নীরবতা অস্বস্তিকর নয়, বরং পরীক্ষামূলক—যেন দু’জনেই বুঝে নিতে চাইছে, এই মুহূর্তটার মানে ঠিক কতটা।

অর্ণব হাত বাড়িয়ে দিল।
— কার্ডটা?

হৃশিতা ব্যাগ খুলে খুব যত্ন করে কার্ডটা বের করে দিল। আঙুল ছুঁয়ে গেল এক মুহূর্তের জন্য। খুব সাধারণ একটা স্পর্শ। তবুও অর্ণব এক মুহূর্তের জন্য হৃশিতার দিকে চোখ তুলে তাকাল । আর হৃশিতা হঠাৎ করেই চোখ সরিয়ে নিল।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য-অর্ণব বলল,
— ধন্যবাদ,

— আবারো!
হৃশিতা মুচকি হেসে উত্তর দিল।

একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা চা-স্টলের কেটলি তখন সোঁ সোঁ শব্দ করছে। অর্ণব হঠাৎ বলল,
— চা খাবেন?
হৃশিতা এক সেকেন্ড ভেবে নিল।তারপর বলল,
— হ্যাঁ… খাওয়া যায়।

দু’জন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে চা নিল। প্লাস্টিকের কাপ, ধোঁয়া ওঠা চা, আর মাঝখানে অল্প স্বল্প কথোপকথন।
— আপনি কি সব সময় এত ব্যস্ত?
হৃশিতা জিজ্ঞেস করল।

— প্রায়ই!
অর্ণব হাসল।তারপর আবারও বলল,
-কিন্তু আজ একটু বেশি।

— বুঝতে পারছি।

ঠিক তখনই অর্ণবের সহকর্মী, ইন্টার্ন ডাক্তার রুদ্র এসে দাঁড়াল। চোখে চিরচেনা দুষ্টুমি।
— ওহ! স্যার, আপনি তো দেখি আজ ডিউটির বাইরেও অন কলে আছেন দেখি!

অর্ণব একটু বিরক্ত হলো,তারপর একটু লজ্জা পেয়ে বলল,
— রুদ্র, এটা হৃশিতা।

রুদ্র ভদ্রভাবে মাথা নেড়ে বলল,
— নাইস টু মিট ইউ।

হৃশিতা মৃদু হেসে উত্তর দিল।

রুদ্র ফিসফিস করে অর্ণবের দিকে তাকিয়ে বলল,
— দশ মিনিট পরেই কিন্তু আবার ডাক পড়তে পারে।

অর্ণব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
— আমি জানি।

রুদ্র চলে গেলে মুহূর্তটা আবার নীরব হলো। এবার সেই নীরবতায় সামান্য ভার।
— আপনি চাইলে চলে যেতে পারেন,
হৃশিতা বলল,
-আমি বুঝতে পারছি…

অর্ণব দ্রুত বলল,
-না।
-আমি যেতে চাই না।
- অন্তত এখন না।

হৃশিতা কিছু বলল না। শুধু চায়ের কাপটা দু’হাতে ধরে রইল।

সেই রাতে হৃশিতা ঘরে ফিরে অনেকক্ষণ পড়ার টেবিলে বসে রইল।
বই খোলা, কিন্তু মন অন্য কোথাও আটকে আছে।
মোবাইলটা টেবিলের একপাশে রাখা। সে নিজেও জানে না, ❝কিসের প্রতিক্ষা করছে সে?❞

হৃদয়ের Critical Pointলেখা : Shyama ★অধ্যায় দুই ——বিকেলের আলোটা ঢাকার আকাশে কখনোই নিখুঁত হয় না। ধোঁয়া, কোলাহল আর সময়ের তা...
27/01/2026

হৃদয়ের Critical Point
লেখা : Shyama

★অধ্যায় দুই



বিকেলের আলোটা ঢাকার আকাশে কখনোই নিখুঁত হয় না। ধোঁয়া, কোলাহল আর সময়ের তাড়াহুড়ো মিশে আলোকে খানিকটা ক্লান্ত করে তোলে। তবু সেই বিকেলেই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরোনো ভবনটার করিডোরে একধরনের স্থিরতা নেমে আসে—যেন দিনটা হঠাৎ করে নিজের গতি কমিয়ে দেয়।
অর্ণব গুপ্তা হাতের ফাইলটা বন্ধ করে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল। সকাল থেকে টানা কাজের পর মাথার ভেতর একটা ভারী অনুভূতি জমে আছে। রোগীর মুখ, উপসর্গ, রিপোর্ট—সব মিলিয়ে একটা অভ্যস্ত যান্ত্রিকতা। অথচ আজকের দিনটা অন্যরকম লাগছিল। ঠিক কেন, সে নিজেও নিশ্চিত না।
সে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। নিচে অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ, রোগীদের আত্মীয়দের উৎকণ্ঠিত পায়চারি—সবই প্রতিদিনের দৃশ্য। কিন্তু তার চোখ অকারণেই ভিড়ের ভেতর কিছু খুঁজছিল। ❝কোনো নির্দিষ্ট মুখ নয়, কোনো পরিচিত অবয়বও নয়—শুধু একটা অনুচ্চারিত প্রত্যাশা।❞
ঠিক তখনই পাশের বেঞ্চে বসে থাকা একজন নার্স বলে উঠলেন
— ডা. অর্ণব স্যার, নতুন এক রোগী এসেছে। একটু জটিল কেস।
অর্ণব চমকে উঠল। বাস্তবতা আবার তাকে টেনে নিল নিজের ভেতরে। সে মাথা নেড়ে ফাইল হাতে এগিয়ে গেল।

একই বিকেলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সেমিনার রুমে হৃশিতা সেন একা বসে ছিল। ❝সাদা বোর্ডে চক দিয়ে লেখা অর্ধসমাপ্ত সমীকরণগুলো তার দিকে তাকিয়ে আছে—প্রশ্নের মতো, অভিযোগের মতো।❞
সে আবার বোর্ডের দিকে তাকাল।
সব ঠিক আছে।
তবু ঠিক হচ্ছে না।
হৃশিতা চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করল। মাথার ভেতর সকালবেলার সেই ঘটনাটা অযাচিতভাবে ভেসে উঠল—মেডিকেল কলেজের করিডোর, সাদা অ্যাপ্রোন, শান্ত কণ্ঠস্বর।
-আপনি কি কাউকে খুঁজছেন?
কেন জানি কণ্ঠটা সে ভুলতে পারছে না। অথচ এই মানুষটার সঙ্গে তার জীবনের কোনো সম্পর্ক থাকার কথা নয়। সে নিজেই নিজের উপর বিরক্ত হলো।
— ফোকাস, হৃশিতা!
সে ফিসফিস করে বলল।
ঠিক তখন দরজা খুলে ঢুকলেন অধ্যাপক শৌভিক মুখার্জি। ষাট ছুঁইছুঁই বয়স, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, আর হাঁটার ভঙ্গিতে একধরনের ধীর আত্মবিশ্বাস।
— একা বসে আছো?
— জি স্যার।
অধ্যাপক বোর্ডের দিকে তাকালেন। কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর বললেন,
— সমস্যাটা সমীকরণে না। সমস্যাটা তুমি যেভাবে ভাবছো, সেখানে।
হৃশিতা কিছু বলল না। সে জানে, স্যার ঠিকই ধরেছেন।
— অনেক সময়.....(অধ্যাপক ধীরে বললেন) সমাধান আটকে যায় কারণ আমরা ধরে নিই—এই পথটাই একমাত্র সঠিক পথ। অথচ সমাধানটা থাকে একটু বাঁকে।
হৃশিতা মৃদু হাসল।তারপর বলল,
— Critical Point-এর মতো?
অধ্যাপক বললেন,
-ঠিক তাই।

স্যার চলে যাওয়ার পর ঘরটা আবার নীরব হলো। হৃশিতা বোর্ডের লেখা মুছল না। শুধু ব্যাগটা কাঁধে তুলে বেরিয়ে পড়ল। আজ আর হিসাব নয়।বড্ড মাথা ধরেছে।

সন্ধ্যার ঢাকায় বৃষ্টি নামল আচমকা। হালকা, কিন্তু অবিরাম। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ভিড় বেড়ে গেল। অর্ণব তখন একের পর এক রোগী দেখছে। ভেজা কাপড়, ভেজা চুল, আতঙ্কিত চোখ—সব মিলিয়ে একটা বিশৃঙ্খল দৃশ্য।
ঠিক তখনই একজন মধ্যবয়সী লোক ছুটে এলো।
— ডাক্তার! আমার মেয়েটা—হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেছে!

অর্ণব দ্রুত স্ট্রেচারের দিকে এগিয়ে গেল। মেয়েটির মুখে অচেতনতার ছাপ, কপালে ঘাম।
অর্ণব রোগীর ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন করতে করতে পরীক্ষা শুরু করল। ভিড়ের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির মা কাঁপা গলায় বলে উঠলেন,
— আজ সারাদিন না খেয়েই ছিল। পরীক্ষার টেনশন…
অর্ণব এক মুহূর্ত থমকাল।
এই দৃশ্যটা অদ্ভুতভাবে পরিচিত লাগল। ❝যেন সে আগেও এমন কাউকে দেখেছে—নিজের ভেতরের কোনো স্মৃতিতে।❞
রোগীকে ওয়ার্ডে পাঠানো হলো। পরিস্থিতি সামলে উঠল। অর্ণব হাত ধুতে ধুতে হঠাৎ অনুভব করল—সে ভীষণ ক্লান্ত। শুধু শরীর নয়, মনও।
হাসপাতালের ছাদের দিকে উঠে গেল সে। বৃষ্টি তখনো পড়ছে। ঢাকার আলো ঝাপসা হয়ে আছে। অর্ণব রেলিংয়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
ঠিক তখনই মোবাইলটা বেজে উঠল।
অপরিচিত নম্বর।
সে ধরল।
— “হ্যালো?”
ওপাশে একটু থেমে গিয়ে বলল,
—আপনি অর্ণব বলছেন?
অর্ণব কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলল,
- হ্যাঁ।কিন্তু আপনি?ঠিক চিনলাম না!
ওপাশ থেকে উত্তর এলো,
- আমি…আমি হৃশিতা!ঐ যে আজ সকালে যে পথ ভুল করে, ভুল ভবনে চলে গেছিল। আপনি যাকে পথ দেখিয়েছিলেন.....
অর্ণব কিছু একটা ভাবতেই তার মুখে একচিলতে হাসি ফুটে উঠলো। তারপর বলল,
- আমার নাম্বারটা কোথায় পেলেন?
হৃশিতা বলল,
— ও হ্যাঁ। আসলে,ঐ সময় আপনার হাত থেকে ফাইল পরে গেলো না? আমি ভুল করে তখন আপনার কার্ডটাই ব্যাগে ঢুকিয়ে ফেলেছিলাম। এখন খেয়াল করলাম।কার্ডে আপনার নাম্বার দেওয়া ছিল।তাই মনে হলো, আপনাকে জানানো উচিত। আপনি কিছু মনে করলেন না তো?

অর্ণব জানত না কী বলবে। বৃষ্টি আর শহরের শব্দের মাঝে মুহূর্তটা হঠাৎ করে এতটা স্নিগ্ধ লাগছে কেন?
অর্ণব কিছুটা হেসে বলল,
- কি আর মনে করবো?আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আপনার কাছে রয়ে গেল,আর আপনি সেটা দায়িত্ব মনে করে আমাকে জানালেন, আমার তো বরং আপনার উপর কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

হৃশিতা বলল,
- কি যে বলেন! ভুল তো আমারই ছিলো।তার জন্য সত্যি আমি দুঃখিত। কার্ডটা কিভাবে আপনাকে ফেরত দিতে পারি?

অর্ণব কিছু একটা ভেবে বলল,
- যদি কিছু মনে না করেন তবে, আজকে যে ভবনে আমাদের দেখা হয়েছিল, সেখানে আসলেই...... যদি আপনার কোনো অসুবিধা না থাকে তো!

হৃশিতা মুচকি হেসে বলল,
- পাশাপাশিই তো! যেতে আর কতক্ষণ! আজ রাখি তাহলে?

অর্ণব একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বলল,
- ঠিক আছে। ভালো থাকবেন।

কথোপকথনটা খুব ছোট ছিল। কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই। তবু কলটা কেটে যাওয়ার পর অর্ণব অনেকক্ষণ ফোনটার দিকে তাকিয়ে রইল।
নিচে শহর চলছে। মানুষ চলছে। সময় চলছে।
আর কোথাও, অদৃশ্য কোনো বিন্দুতে, দুটো জীবন খুব ধীরে একে অপরের দিকে বাঁক নিচ্ছে—
❝ঠিক যেমন গণিতের একটি Critical Point-এ,
যেখানে দিক পরিবর্তন হয় নিঃশব্দে,
কিন্তু প্রভাব থাকে দীর্ঘস্থায়ী।❞

এই গল্প সেখান থেকেই আস্তে আস্তে নিজের পথ খুঁজে নিতে শুরু করে।

হৃদয়ের Critical Pointলেখা: Shyama ★অধ্যায় এক--একটি সাধারণ দিনের অস্বাভাবিক সূচনাসকালের সময়টি সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়মে চলে...
26/01/2026

হৃদয়ের Critical Point
লেখা: Shyama

★অধ্যায় এক
-
-
একটি সাধারণ দিনের অস্বাভাবিক সূচনা
সকালের সময়টি সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়মে চলে। মানুষ ঘুম থেকে ওঠে, দিনের পরিকল্পনা করে এবং নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এই নিয়মের ব্যতিক্রম খুব কমই ঘটে। কিন্তু কখনো কখনো এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা দেখতে সাধারণ হলেও পরবর্তী সময়ে গভীর প্রভাব ফেলে।
এই উপন্যাসের শুরু এমনই একটি দিনে।
ঢাকার একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে সেদিন রোগীর ভিড় ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি। অর্ণব গুপ্তা সকাল আটটার আগেই সেখানে উপস্থিত হয়। সাদা অ্যাপ্রোন পরা, হাতে ফাইল—তার উপস্থিতি অন্য ইন্টার্নদের মতোই সাধারণ। তবু তার চোখেমুখে ছিল একধরনের সতর্কতা, যা অভিজ্ঞতার চেয়ে দায়িত্ববোধ থেকেই বেশি আসে।
সেদিন তার দায়িত্ব ছিল প্রাথমিক রোগী পর্যবেক্ষণ। একটি শিশু, একটি বৃদ্ধ মানুষ, কয়েকজন মধ্যবয়সী রোগী—সবই ছিল পরিচিত চিত্র। প্রতিটি রোগীর সমস্যা সে মনোযোগ দিয়ে শুনছিল, নোট নিচ্ছিল, এবং প্রয়োজনে সিনিয়রদের কাছে পাঠাচ্ছিল।
ঠিক এই নিয়মতান্ত্রিক কাজের মাঝেই একটি ঘটনা ঘটল।
একজন তরুণী ভুল করে মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনে ঢুকে পড়ে। তার হাতে ছিল একটি নীল রঙের ফাইল, যার উপর গণিত বিভাগের সিল স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। সে কয়েক মুহূর্ত চারদিকে তাকিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
অর্ণব বিষয়টি লক্ষ্য করল।
সে এগিয়ে গিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে জিজ্ঞেস করল,
— “আপনি কি কাউকে খুঁজছেন?”
তরুণীটি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বলল,
— “আমি আসলে অন্য ভবনে যেতে চেয়েছিলাম। মনে হয় ভুল জায়গায় চলে এসেছি।”
তার কণ্ঠ শান্ত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসহীন নয়। অর্ণব লক্ষ্য করল, মেয়েটি অযথা ব্যাখ্যা দিচ্ছে না—যা বেশিরভাগ মানুষ এমন পরিস্থিতিতে করে থাকে।
অর্ণব দিকনির্দেশনা দিল।
মেয়েটি ধন্যবাদ জানিয়ে চলে গেল।
ঘটনাটি সেখানে শেষ হওয়াই স্বাভাবিক ছিল।
কিন্তু অর্ণব তার কাজে ফিরে যাওয়ার সময় অকারণেই ভাবল—কেন জানি কথোপকথনটি তার মনে থেকে গেল। হয়তো মেয়েটির চোখে বিভ্রান্তির সঙ্গে যুক্তির স্পষ্টতা একসাথে ছিল। হয়তো কারণটা সে নিজেও ঠিক বুঝতে পারল না।
সেই তরুণীর নাম ছিল হৃশিতা সেন।
একই সময়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে হৃশিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একটি প্রমাণ উপস্থাপন করতে গিয়ে সে বারবার একটি নির্দিষ্ট জায়গায় এসে থেমে যাচ্ছিল। হিসাব ঠিক ছিল, সূত্রও সঠিক। তবু কোথাও যেন ফলাফল আটকে যাচ্ছিল।
গণিতে এই অবস্থাকে বলা হয় Critical Point—
যেখানে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও সামান্য একটি পরিবর্তন পুরো সমাধানকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে পারে।
হৃশিতা জানত না, সেদিনের সেই ছোট ভুল পথচলা তার জীবনের সমীকরণেও এমন একটি বিন্দু তৈরি করেছে।
কিছু ঘটনা প্রথমে তুচ্ছ মনে হয়।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেগুলিই হয়ে ওঠে গল্পের কেন্দ্রবিন্দু।
এই উপন্যাস তেমনই কিছু ঘটনার ধারাবাহিক বিবরণ!

25/01/2026

"একটা বয়সের পর প্রেম ভালোবাসা বিষয়টা অনেক কঠিন হয়ে যায়।"

শুধু সুন্দর চেহারা দেখে কারো প্রতি হুট করে ভালোবাসা চলে আসেনা। তখন কাউকে পছন্দ হওয়ার আগে - পরিবার, ব্যবহার, ক্যারিয়ার, মানসিকতা, ব্যক্তিত্ব আরো একশোটা ফ্যাক্টর মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে।

এই এতকিছু মিলিয়ে তারপর ধরেন কাউকে একটু একটু ভালো লাগতে শুরু করলো।তখন দেখবেন সে সিঙ্গেল না,আবার মনে করেন সিঙ্গেল হলোও কিন্তু সে তার এক্স কে এখনো গেট ওভার করতে পারেনা টাইপ আরো নানান ক্যাচাল।

ফুচকা খেতে খেতে গলির মোড়ে কারো চোখে চোখ আটকে গিয়ে প্রেমে পড়ার বয়স আপনার শেষ।

এখন আপনার মানুষের চেয়ে ফুল লতাপাতা বেশি ভালো লাগে।কারো সাথে দুই ঘন্টার কফি ডেটে যাওয়ার চেয়ে কম্বলের নিচে গুটিশুটি মেরে পড়ে থাকতে বেশি ভালো লাগে।

এই বয়সে বোধহয় শুধু একটা কমফোর্ট জোন খোঁজে মানুষ।যেখানে গিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচা যায়।উষ্কখুষ্ক চুল, পুরোনো জামা,সদ্য ঘুম থেকে উঠে ফুলকো লুচির মত চেহারাটা নিয়ে যার সামনে নির্দ্বিধায় গিয়ে দাড়িয়ে পড়া যায়।

যার কাঁধে মাথা রাখলে সারাদিনের ক্লান্তি ফুরিয়ে যায়।

হয়তো এরকম একটা কিছুর প্রেমে পড়ে মানুষ এই বয়সে।🤍

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shyama posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share