20/09/2026
#বইমেলার_বই
ুশে_বইমেলা_২০২৭
সরাসরি আরবি ভাষা থেকে অনূদিত মিশরীয় ট্রিলজি!😇
📚 বই: আরদ্বে জিকোলা ট্রিলজি [তিন বই]
লেখক: আমর আবদেল হামিদ
অনুবাদ: *****
✅ জিকোলা:
জিকোলা, এক রহস্যময় জগত। যে জগতে অর্থের কোনো মূল্য নেই, মূল্য আছে শুধু বুদ্ধির।
মিশরের এক সাধাসিধে যুবক খালেদ। প্রেমিকার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে সাতবার প্রত্যাখাত হয়েছে সে। তাই তার মাথায় জেদ চেপে বসল, জীবনে কিছু একটা করতেই হবে। বাল্যকালে দাদুর কাছে গল্প শোনা সেই রহস্যময় সুড়ঙ্গ জয় করলে কেমন হয়? শুনেছে, সেই সুড়ঙ্গে নাকি মামলুক সাম্রাজ্যের ধন-সম্পদ লুকানো।
কিন্তু সেই রহস্যময় সুড়ঙ্গ জয় করতে গিয়ে খালেদ পৌঁছে যায় 'জিকোলা' এক অচেনা জগতে। এই জগতে মানুষের কোনো কাগুজে নোট বা স্বর্ণ/রৌপ্যমুদ্রা চলে না; সম্পদ মাপা হয় বুদ্ধির এককে, যার নাম 'ইন্টেলিজেন্স ইউনিট'। যার বুদ্ধির ভাণ্ডার নিঃশেষ হয়ে যায়, তার জন্য অপেক্ষা করে ভয়ংকর পরিণতি।
জিকোলায় প্রবেশ করেই সে বুঝতে পারে, এ জগত শুধু অদ্ভুত নয়, বিপজ্জনকও। নিজের জীবন বাঁচাতে হলে এখানে যেমন বুদ্ধির আশ্রয় নিতে হবে, তেমনি জানতে হবে জিকোলার লুক্কায়িত রহস্যও। খুঁজতে হবে এমন একটি দরজা, যে দরজা তাকে পৌঁছে দেবে তার পরিচিত পৃথিবীতে।
খালেদ কি সেই দরজা খুঁজে ফির আসতে পারবে তার চিরপরিচিত মিশরের মাটিতে? নাকি ভাগ্য তার সাথে নির্মম খেলায় মেতে উঠবে?
✅ আমারিতা:
একজন নারী রাজবৈদ্য, নাম আসীল। ভালোবাসার মানুষকে সে সারাজীবনের গচ্ছিত সম্পদ দান করে দিলেন একটিমাত্র চুমুর বিনিময়ে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে সম্পদ দান করে, রাষ্ট্রের নিয়ম ভঙ্গ করে তিনি হয়ে গেলেন রাষ্ট্রদ্রোহী।
পালিয়ে নিজের দেশ বিজানায় ফিরে গিয়েও আশ্রয় মিলল না। কেননা, বিজানা জিকোলার মিত্র ও অনুগত রাজ্য। সেখানেও তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা করা হলো।
ললাটের লিখন তাঁকে পৌঁছে দিলো শান্তি, ন্যায় ও নীতিট দেশ আমারিতায়। দিন কয়েক যেতে না যেতেই আসীল অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেশ বিদেশের গুণী চিকিৎসক দেখালেও আরোগ্যের দেখা মেলে না। অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখা গেল, আসীলের অসুস্থতার কারণ 'রাষ্ট্রদ্রোহীদের ক্ষেত্রে জিকোলার নতুন আইন'।
আমারিতার তরুণ রাজা তামিম। আসীলের প্রেমিক তিনি। নিজের প্রেমাষ্পদকে বাঁচাতে জিকোলার শাসকের কাছে আসীলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন, সঙ্গে দিতে চাইলেন ধনরত্নও। কিন্তু জিকোলার অহংকারী শাসক তা দম্ভভরে প্রত্যাখ্যান করল।
ক্ষুব্ধ হয়ে রাজা তামিম যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেন। তৈরি করলেন হাজার হাজার নৌবহর, যা মিনজা সাগর পাড়ি দিয়ে জিকোলা আক্রমণের জন্য প্রস্তুত।
রাজা তামিম কি পারবে জিকোলা জয় করে তার প্রেমিকাকে সুস্থ করে তুলতে? নাকি দাম্ভিক জিকোলা রাজার কাছে পরাজিত হবেন তিনি?
তাছাড়া, জিকোলারই বা এত অহংকারের কারণ কী? কোথা থেকে আসে এত সম্পদের যোগান?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আরদ্বে জিকোলা সিরিজের দ্বিতীয় বই 'আমারিতা'-য়।
✅ বিস্মৃত নেকড়েদের উপত্যকা:
একটা ছবি আর একটি নেকড়ের কঙ্কালকে ঘিরে আবার শুরু হলো নতুন রহস্যের উন্মোচন। প্রথমে জিকোলা, তারপর আমারিতা, কিন্তু এবার কোথা থেকে আসছে বিপদের সংকেত?
জিকোলা আর আমারিতার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে এবার গল্প পৌঁছেছে এমন এক উপত্যকায়, যার নাম 'বিস্মৃত নেকড়েদের উপত্যকা'। এটি এমন একটি উপত্যকা, যেখানে অতীত কেবল স্মৃতি নয়; অতীত সেখানে জীবন্ত।
এখানে নেকড়েরা চাঁদের সাথে কথা বলে, তথ্য আদান-প্রদান করে। মানুষেরা টেলিপ্যাথির মাধ্যমে নেকড়েদের সঙ্গে কথা বলে। এখানের নেকড়েরা হিংস্র নয়, মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে, দেশ রক্ষায় সীমান্ত পাহারা দেয়।
কিন্তু হঠাৎ করেই রহস্যময় কারণে পুরো নেকড়ে জাতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল। ফলে ধ্বংস করে দেয়া হলো নেকড়েদের এবং অনন্য বৈশিষ্টসম্পন্ন মালদীয় জাতিকে। মাটির নিচে কবর দিয়ে তার ওপরে পুরু করে আলকাতরার স্তর সাজানো হলো। নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হলো তাদের স্মৃতি।
সাক্ষী চাঁদ তাদেরকে কথা দিয়েছে, বহুকাল পরে আবার তাদের জন্ম হবে। তারা আরো হিংস্র হয়ে জেগে উঠবে, মানুষদেরকে হত্যা করবে। কথাটা কতটুকু সত্য? তারা কি আবার ফিরে আসবে, পুনর্জন্ম হবে সাক্ষী চাঁদের আলোয়?
যদি সত্যি সত্যিই ফিরে আসে, তাহলে পরিত্রাণের উপায় কী?
প্রিয় পাঠক! এতগুলো প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে প্রবেশ করুন আরদ্বে জিকোলা ট্রিলজির তৃতীয় বই 'বিস্মৃত নেকড়েদের উপত্যকা'য়।