Only Love

Only Love only love

মাইগ্রেন হলো একটি ভিন্ন ধরনের মাথাব্যথা। মেয়েদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষেরও এ রোগ হতে পারে।কেন মাইগ্রেন হ...
09/06/2014

মাইগ্রেন হলো একটি ভিন্ন ধরনের মাথাব্যথা। মেয়েদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষেরও এ রোগ হতে পারে।

কেন মাইগ্রেন হয় জানেন কি ?
মাথার ভেতরের রক্ত চলাচলের তারতম্যের কারণে মাইগ্রেন হয়। রক্ত চলাচল কমে গেলে হঠাৎ করে চোখে সব অন্ধকার দেখা যায় এবং পরে রক্ত চলাচল হঠাৎ বেড়ে গিয়ে প্রচণ্ড মাথাব্যথার অনুভূতি তৈরি হয়। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে।

সাধারণ মাইগ্রেনের লক্ষণ মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ।
তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তি বোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। চোখের ওপর হালকা চাপ দিলে আরাম লাগে। মাথার দুই পাশে কানের ওপর চাপ দিলে এবং মাথার চুল টানলেও ভালো লাগে। তখন শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় মাথাব্যথা বেড়ে যায়।

ক্লাসিক্যাল মাইগ্রেনের লক্ষণ এতে দৃষ্টিসমস্যা, যেমন-চোখে উজ্জ্বল আলোর অনুভূতি, হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়া, দৃষ্টিসীমানা সরু হয়ে আসা অথবা যেকোনো এক পাশ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হতে পারে। ২০ মিনিট স্থায়ী এসব উপসর্গের পর বমির ভাব এবং মাথাব্যথা শুরু হয়, যা সাধারণত এক পাশে হয়। দৃষ্টির সমস্যা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হলে ধরে নিতে হবে এটি মাইগ্রেন নয়। মস্তিষ্ক অথবা চোখে অন্য কোনো সমস্যার কারণে দৃষ্টির এ সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। মাথাব্যথা ছাড়া শুধু দৃষ্টির সমস্যাও ক্লাসিক্যাল মাইগ্রেনের লক্ষণ হতে পারে।

মাইগ্রেন থাকলে যা করতে হবে :-
মাইগ্রেন থাকলে প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম দরকার।
যেসব খাবার খেলে ব্যথা শুরু হতে পারে, যেমন-কফি, চকলেট, পনির, আইসক্রিম, মদ ইত্যাদি একদম বাদ দিতে হবে। বেশি সময় না খেয়ে থাকা যাবে না।
জন্মবিরতিকরণ ওষুধ যারা খায়, তাদের সেটা সেবন না করাই শ্রেয়। প্রয়োজনে অন্য পদ্ধতি বেছে নেওয়া যেতে পারে।
পরিশ্রম, মানসিক চাপ ও দীর্ঘ ভ্রমণ বর্জনের মাধ্যমে মাইগ্রেন অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়।

চিকিৎসা বারবার মাইগ্রেনের আক্রমণ কমানোর জন্য পিজোটিফেন, অ্যামিট্টিপটাইলিন, বিটাব্লকার-জাতীয় ওষুধ কার্যকর। মাথাব্যথা শুরু হলে প্যারাসিটামল, এসপিরিন, ডাইক্লোফেনাক-জাতীয় ওষুধ ভালো। বমির ভাব কমানোর জন্য মেটোক্লোর প্রোমাইড, ডমপেরিডন-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব ওষুধে মাথাব্যথা না কমলে সুমাট্টিপটান, আরগোটামাইন-জাতীয় ওষুধে অনেক সময় যথেষ্ট স্বস্তি পাওয়া যায়।
আর সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ কথা হল , কোন ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না ।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই বারবার এ রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়, দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় রক্তক্ষরণ প্রভৃতি কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পাশাপাশি স্মায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

Banana Facial Mask:What you Need:--------------------1.One banana2.One table spoon of honeyHow to Prepare it:-----------...
09/06/2014

Banana Facial Mask:

What you Need:
--------------------
1.One banana
2.One table spoon of honey

How to Prepare it:
----------------------
Mash the banana and blend it with the honey

How to Use it:
------------------
Apply it to your face and neck after cleansing. Steer clear of the area around the eyes.
Leave it on for 15 minutes
Rinse it off with warm water

Benefits:
--------------
Banana and honey have a great effect on your skin. They moisturize and exfoliate. They also firm up the skin.

ক্র্যাশ ডায়েট করে ওজন কমানোর ৭টি ভয়াল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! -- সব কিছুরই ভালো-মন্দ দুটো দিক আছে। ক্র্যাশ ডায়েটেরও তাই। তবে...
04/06/2014

ক্র্যাশ ডায়েট করে ওজন কমানোর ৭টি ভয়াল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! -

- সব কিছুরই ভালো-মন্দ দুটো দিক আছে। ক্র্যাশ ডায়েটেরও তাই। তবে এটি কিন্তু ভালোর চাইতে মন্দটাই করে বেশি। আর তাই ক্রাশ ডায়েটিং করার আগে জেনে নিন এর নেতিবাচক দিকগুলো!

আজকাল সবাই যেন দ্রুত ওজন কমিয়ে সাইজ জিরো হওয়ার দৌড়ে সামিল। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলেও কিন্তু ম্যাজিকের মত তাড়াতাড়ি ওজন কমনো সম্ভব নয়! কারণ ওজন কমানো একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাহলে উপায়? ক্র্যাশ ডায়েটিং!

পৃথিবী জুড়ে মেয়েদের কাছেও সৌন্দর্য বাড়াতে এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। ক্র্যাশ ডায়েটিং করে ওজন তো অনেকখানি কমিয়ে ফেললেন, সকলে বেশ বাহবা দিচ্ছে, কিন্তু জানেন কি এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো? একসাথে বেশ কয়েক কেজি কমানোর লোভে অনেকেই এই লোভের ফাঁদে পড়ে থাকেন। একবার ভেবেও দেখেন না যে ভয়ানক শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন তিনি। আসুন, জেনে নেই ক্র্যাশ ডায়েটের ৭টি মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে, যেগুলো আপনাকে ঠেলে দিতে পারে মৃত্যুর মুখে পর্যন্ত!

১)অকালে চেহারা বুড়ো হয়ে যাবে-
যে সৌন্দর্যের জন্য এতো সাধ্য-সাধনা সেটাই আগে নষ্ট হবে ক্র্যাশ ডায়েটিং-এর কল্যাণে। ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবে ত্বক হয়ে উঠবে নিষ্প্রাণ, টান টান ভাব হবে উধাও। চামড়া ঝুলে যাবে, বলিরেখা পড়বে আর আপনি অকালে বুড়িয়ে যাবেন৷

২)ডায়েট ছেড়ে দিলেই হু হু করে ওজন বাড়বে-
ক্রাশ ডায়েট করে কয়েক দিনেই আপনি স্লিম ও সুন্দর। কিন্তু যেই না আগের ডায়েটে ফিরবেন, সাথে সাথে ওজন বাড়তে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, ওজন বাড়তে বাড়তে আপনার দশা হবে আগের থেকেও খারাপ! ভাবছেন কী করে হবে? এতদিন শরীর কে খাবার না দিয়ে রেখেছেন। তাই ডায়েট শেষ হওয়া মাত্র দ্বিগুণ পরিমাণে খাবার গ্রহণ করা শুরু করবে শরীর। যা পাবে সব জমিয়ে রাখবে। বলতে গেলে পানি খেলেও আপনি তখন মোটা হয়ে যাবেন!

৩)শুরু হবে বদহজমের সমস্যা-
শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেম এত দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে যে হজম ক্ষমতাও কমে যায়। খাওয়ার পরিমাণ অতিরিক্ত পরিমাণে কমে যাওয়ায় যখনই আবার খেতে শুরু করবেন, সাথে সাথে শরীর বিদ্রোহ করবে। আর আপনি নিয়মিত বদহজমের সমস্যায় ভুগতে থাকবেন।

৪)শরীরে দেখা দেবে ভয়ানক গোলমাল-
নানা ধরনের খাবার শরীরে এনার্জির যোগায়। কঠিন ডায়েটে সেই শক্তির যোগান যখন হঠাত্‍ করে কমে যায় তখন শরীরে স্বাভাবিক ভাবেই এনার্জির ঘাটতি দেখা দেবে। ক্র্যাশ ডায়েটিং-এর সময় আগে জমে থাকা এনার্জি বা শক্তি আপনার শরীরকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করবে। এতে বেশি ক্যালোরি বার্ন হবে। তবে ব্যাপারটা সাময়িক। এক সময় জমানো শক্তি ফুরিয়ে গিয়ে ল্যাক অফ এনার্জির সমস্যা তৈরি করবে। এর ফলে শরীর নিস্তেজ। সব সময় ঝিমুনি ভাব থাকবে, কিংবা ভারী কাজ বা শরীরচর্চার সময় আচমকা অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও কিছু বিচিত্র নয়।

৫)মেজাজ খারাপ হয়ে যায়-
ক্র্যাশ ডায়েটিং-এ প্রোটিন বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেহেতু প্রায় থাকেই না, তাই শরীরে সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নিঃসরণ কমে যায়। এবং ঘন ঘন মুড বদলে যায়। এই ভালো তো এই বদমেজাজ। সারাক্ষণ খিটখিটে লাগে। এই দুই ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার কম নিঃসৃত হওয়ায় ডিপ্রেসন বা অবসাদে আক্রান্ত হওয়াও আশ্চর্যের কিছু নয়।

৬) হুট করেই হতে পারে নানান রকম হৃৎপিণ্ডজনিত সমস্যা-
শরীরে অবশ্যই দেখা দেবে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ঘাটতি। যেগুলো পেশী ও স্নায়ুতন্ত্রের কাজকর্মকে ঠিক ভাবে চালায়। এর অভাবে কী হবে? হার্ট বিট হার বেড়ে যাবে বা অনিয়মিত হয়ে পড়বে। দেখা দেবে কার্ডিয়াক স্ট্রেস, হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট ফেলিওরের মতো দুর্ঘটনা।

৭) হবে হাড়ের রোগ-
ক্র্যাশ ডায়েটের ফলে আরও যে খনিজের অভাব শরীরে দেখা যায় সেটি হল ক্যালসিয়াম। আমরা জানি, ক্যালসিয়াম হাড়ের ক্ষয়রোধকারী উপাদান। এর ঘাটতি মানেই নির্দিষ্ট বয়সের আগেই দ্রুত হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস। এর থেকে অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

Pal do pal ki kyon hai zindagiIss pyaar ko hai sadiyan kaafi nahinTo Khuda se maang loonMohalat main ek naiRehna hai bas...
04/06/2014

Pal do pal ki kyon hai zindagi
Iss pyaar ko hai sadiyan kaafi nahin
To Khuda se maang loon
Mohalat main ek nai
Rehna hai bas yahaan
Ab door tujhse jaana nahin
Jo tu mera hamdard hai
Jo tu mera hamdard hai
Suhana har dard hai...
Jo tu mera hamdard hai

Tu muskurahate hain taaqat meri
Mujhko inhi se ummeed mili
Chaahe kare koi sitam yeh jahaan
Inmein hi sada hai hifaazat meri
Zindgaani badi khoobsurat hui
Jannat ab aur kya hogi kahin
Jo tu mera hamdard hai
Jo tu mera hamdard hai
Suhana har dard hai...
Jo tu mera hamdard hai

Teri dhadkano se hai zindagi meri
Khwaahishein teri ab duayen meri
Kitna anokha bandhan hai yeh
Teri meri jaan jo ek hui
Lautunga yahan tere paas main haan
Waada hai mera mar bhi jaaoon kahin

Jo tu mera hamdard hai
Jo tu mera hamdard hai
Suhana har dard hai...
Jo tu mera hamdard hai
Hmm... hamdard hai

Address

Dhaka
1209

Telephone

01725595933

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Only Love posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category