It Product & News Update"

It Product & News Update" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from It Product & News Update", Shopping & retail, Green Road, Dhaka.

A portal Which Inform The IT Product Price Update.........Specification & Also Publish The News about World affairs..........

If order Anyone Any Product We Supply & Sales.....................

Sekh hasina tumaka To Onek balubastam................Kinto tumar chal pala ra asob korsa ki ?
04/02/2013

Sekh hasina tumaka To Onek balubastam................

Kinto tumar chal pala ra asob korsa ki ?

Police ka ki ar sada mara ?
04/02/2013

Police ka ki ar sada mara ?

Dakun to ader cinta paren kina apnara..............?
04/02/2013

Dakun to ader cinta paren kina apnara..............?

ভারতীয় পাচারচক্রের থাবায় বাংলাদেশি তরুণীরাভারতকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক নারী ও পতিতা ব্যবসায়ী চক্র তাদের ঘৃণ্য ব্যবসার যো...
04/02/2013

ভারতীয় পাচারচক্রের থাবায় বাংলাদেশি তরুণীরা


ভারতকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক নারী ও পতিতা ব্যবসায়ী চক্র তাদের ঘৃণ্য ব্যবসার যোগান সচল রাখতে অনেকদিন ধরেই হাত বাড়িয়ে রেখেছে বাংলাদেশের দিকে।

পাচার হওয়া বাংলাদেশি নারীদের ভারতের বিভিন্ন শহরে জোর করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার চাঞ্চল্যকর কাহিনী মাঝেমধ্যেই প্রকাশ পায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে বাংলাদেশের সরকারকে এ নিয়ে তৎপর হতে দেখা যায়না। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে খুব একটা গুরুত্ব পায়না এসব ঘটনা।

সম্প্রতি ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে পাচার হওয়া বাংলাদেশি নারীদের কীভাবে জোর করে পতিতাবৃত্তিতে নামানো হয়।

পাশাপাশি উদঘাটিত হয়েছে অপরাধী চক্রের শক্তিশালী নেটওয়ার্কেরও বিভিন্ন তথ্য।

খবরে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটির বিস্তৃতি গোটা ভারত জুড়েই। আর এদিকে বাংলাদেশের কাহিনীটি স্রেফ প্রলোভন নির্ভর।

বাংলাদেশি কম বয়সি মেয়েরাই মূল টার্গেট। তাদের ভালো কাজ দেওয়ার প্রলোভনে ফেলে ভারতে চালান করে চক্রটি। এদিকে তাদের হয়ে কাজ করে পাচারকারী একটি দল। তারাই ওই মেয়েদের বিক্রি করে চক্রটির কাছে। পরে এই মেয়েরা বিকোয় কোলকাতা, মুম্বাই, হায়দরাবাদসহ ভারতের বিভিন্ন শহরের পতিতালয়ে।

আর সেখানেই শুরু হয় দুর্ভোগের গল্প। পতিতাবৃত্তির অভিশপ্ত জীবন তাদের টেনে নিয়ে যায় এক শহর থেকে আরেক শহরে। তবে সেটা তাদের ইচ্ছায় নয়। বিভিন্ন চক্রের হাতে হাতে নিয়মিত হাতবদল হতে থাকে তারা।

সম্প্রতি এ রকমই একটি চক্রের সরূপ উদঘাটন করে দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের পুলিশ। কেরালার কোচি শহরের এরনাকুলামে দেহ ব্যবসা পরিচালনাকারী ওই চক্রের আস্তানায় হানা দেয় পুলিশ। সেখানেই সন্ধান মেলে বাংলাদেশি তরুণীদের।

এভাবে অহরহই বাংলাদেশ থেকে নারীদের পাচার করে আনার ঘটনা ঘটছে বলে উদঘাটিত হয়েছে পুলিশি তদন্তে। এরনাকুলাম পুলিশ জানায়, ধরা পড়ার মাত্র কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে আরও কয়েক ডজন মেয়েকে এরনাকুলামে আনে ওই চক্র। পরে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে চালান দেওয়া হয় তাদের।

গত বৃহস্পতিবার এরনাকুলামের আলুভা এলাকায় পাচারকারীদের ওই আস্তানায় হানা দেয় পুলিশ। পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় ১৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি তরুণীকে। বাংলাদেশি ওই মেয়ের থেকেই পাওয়া যায় চক্রগুলোর চাঞ্চল্যকর নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য। ৪০ হাজার রুপিতে কেনা মেয়েটিকে মাত্র নয়দিন আগে সেখানে আনা হয় বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতরা।

এরনাকুলামের সুপারিটেন্ডেন্ট অব পুলিশ এস সতীশ বিনো সংবাদমাধ্যমকে জানান ওই মেয়েটির কাছ থেকে পাচারকারী সিন্ডিকিটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তারা। এখন ওই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই চক্রটির অন্যান্য শাখা প্রশাখা সনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। মেয়েটিকে কেরালায় আনার আগে মুম্বাই ও হায়দরাবাদ ঘুরিয়ে আনা হয় বলে জানান সতীশ বিনো।

তিনি আরও জানান, নারী ব্যবসায়ী এ চক্রগুলো শহরতলীর ঘনবসতিপূর্ণ ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে তাদের আস্তানা গাড়ে। সাধারণত বাইরে থাকা আসা অভিবাসী শ্রমিকদের আবাস ওই সব এলাকায় পরিচয় গোপন করে তৎপরতা চালানো অনেক সহজ হয় তাদের জন্য।

এর আগেও বাংলাদেশ থেকে পাচার করা নারীদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে আসলেও এ ব্যাপারে টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। জানা গেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন পক্ষকে ম্যানেজ করেই পাচারকারীরা তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে।

অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে অন্য দেশে পতিতাবৃত্তিতে নিজের দেশের অসহায় মেয়েদের পাঠানোর মত জঘন্য কাজ করতে বুক কাঁপে না তাদের।

এভাবে প্রতি বছর কত মেয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে ভারতের বিভিন্ন পতিতাপল্লীতে দেহ ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারও কাছেই।

অনেকের ধারণা পাচারকারীদের সিন্ডিকেট অনেক শক্তিশালী হওয়ায় এবং এর সঙ্গে অনেক রাঘব বোয়াল যুক্ত থাকায় বছরের পর বছর ধরে অবাধে নিজেদের ঘৃণ্য তৎপরতা চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে পাচারকারীরা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবেই কী অন্য দেশের পতিতালয়ে বিক্রি হওয়ার জন্য পাচার হতে থাকবে বাংলাদেশের অসহায় তরুণী, কিশোরীরা।

দেশের প্রশাসন ও সচেতন সমাজের টনক কী কখনই নড়বে না?

01/02/2013

রাজধানীতে বাবা ও মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় বাবা ও মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দক্ষিণখান থানার আশকোনার বাজার এলাকার পাশের এক বাসা থেকে শুক্রবার দুপুরে আবেদ আলী ও তার মেয়ে বনানীর(১৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তারা বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এবিষয়ে দক্ষিণখান থানার অপারেশন অফিসার আনিসুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, শুক্রবার দুপুরে বাবা আবেদ আলী ও তার মেয়ে বনানীকে মৃত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

আত্মহত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে।

ASPIRE ONE 725 NetbookPrice : 25,500/- ( Without VAT/TAX)
01/02/2013

ASPIRE ONE 725 Netbook

Price : 25,500/- ( Without VAT/TAX)

ProjectorC120Price: 36,800/-Contact : +8801617999669
01/02/2013

Projector

C120

Price: 36,800/-
Contact : +8801617999669

মেঘের দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, কোনো খোঁজ নেওয়া হয়নিপ্রধানমন্ত্রী শুধু দায়িত্ব নিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছেন। আ...
01/02/2013

মেঘের দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, কোনো খোঁজ নেওয়া হয়নি

প্রধানমন্ত্রী শুধু দায়িত্ব নিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছেন। আজ পর্যন্ত তিনি বা তার পক্ষ থেকে কেউ কোনোদিন একটুও খোঁজ নেয়নি মেঘ কিংবা আমাদের। প্রধানমন্ত্রীর তো লোকজনের অভাব নেই, কতো কর্মচারী! কেউ যদি একটু ফোন করতেন, তাহলেও বুঝতাম! কিন্তু কেউ না, কেউ-ই পাশে থাকে না!”

অনেক চেষ্টা করলেন নিহত সাংবাদিক মেহেরুন রুনির মা চোখের পানি আটকাতে। পারলেন না, এক ফোটা/ ২ফোটা করে ঝরে পড়লো কান্নার পানি। দিনকে দিন বুকে চেপে রাখা কষ্ট যেন আস্তে আস্তে গড়িয়ে পড়ছে।

তিনি বললেন, “ঠিক আছে, সাহায্য লাগবে না, বিচার চাই, আমি বিচার চাই” বলেই শব্দ করে কেঁদে উঠলেন মেয়ে-হারা মা।”

চোখ মুছতে মুছতে তিনি বলেন, “আমিতো কাঁদতেও পারি না মেঘের জন্য। কাঁদতে দেখলেই মেঘ চোখ মুছিয়ে দিয়ে বলবে- তুমি কি আমার বাবা-মার জন্য কাদঁছো?”

মেহেরুন রুনির মা আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন বলেছিলেন, “স্বজন হারানোর বেদনা কেমন, আমি তা জানি। আমরা দুই বোন একসঙ্গে মা-বাবা-ভাইসহ পরিবার-পরিজন হারিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী যেমন বাবা মা হারিয়েছেন, মেঘও তো তার বাবা-মা হারিয়েছে।”

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সেদিন হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আসল অপরাধীরা ধরা পড়েনি।”

তিনি বলেন, “পুলিশ বলে, কোনো ক্লু পাই না। ক্লু তারা ঠিকই পায় বা পেয়েছে। কিন্তু তারা ক্লু প্রকাশ করে না। কত খুনের কত মানুষের বিচার হয়! আর আমি কি আমার মেয়ে-জামাই হত্যার বিচার পাবো না? ছোট্ট মেঘ কি তার বাবা-মা খুনের বিচার পাবে না?”

ব্যাকুল হয়ে এ মা আকুতি জানান, “কার কাছে গেলে, কী করলে এ হত্যার বিচার হবে, কেউ যদি আমাকে বলে দিতো, তাহলে আমি তাই-ই করতাম।”

মেহেরুন রুনির ভাই নওশের রোমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যখন গণভবনে আমরা দেখা করতে যাই, তখন বঙ্গবন্ধুর একটা ছবি দেখে মেঘ প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিল- এ ছবিটা দেখলে মন খারাপ হয়ে যায়। তুমি এ ছবিটা সরিয়ে ফেলো!”

পরে আরেক অনুষ্ঠানে মেঘকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “তোমার মন খারাপ হয় বলে আমি ছবিটা সরিয়ে ফেলেছি।”

উল্লেখ্য, ছবিটা ছিল পাইপ মুখে নিয়ে একদিকে তাকিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর সেই বিখ্যাত ছবি।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভবনে মেহেরুন রুনির মা নুরুনাহার মীর্জা এবং সাগর সারওয়ারের মা সালেহা বেগম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।

সেখানেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেঘের শিক্ষাসহ “উন্নত জীবন গড়ে তোলার জন্য যা যা করা দরকার, তার সবই করবো” বলে জানিয়েছিলেন।

রুনির ভাই নওশের এ প্রতিবেদককে বলেন, “মেঘের নাম করে অনেকেই অনেক কিছু করেন বলে আমরা শুনতে পেয়েছি। এতে করে আমাদের পরিবারকে ছোট করা হচ্ছে।”

এটিএন বাংলার নাম উল্লেখ করে নওশের বলেন, “এটিএন বাংলা এখনও বাইরে বলে বেড়ায়, তারা মেঘের জন্য নানা কিছু করেছে। আপু মারা যাওয়ার পর মে পর্যন্ত তাদের ওখান থেকে কিছু সহযোগিতা আমরা পেয়েছি, এটা ঠিক।

কিন্তু, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দেশের বাইরে গিয়ে আপুদের নিয়ে বাজে কথা বলার পর থেকে তাদের সঙ্গে আমাদের সব যোগাযোগ বন্ধ।”

নওশের নিজেদের আত্মবোধে জোর দিয়ে বললেন-"যেখানে সম্মান নেই, সেখানে টাকা দিয়ে কী হবে!!”

Address

Green Road
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when It Product & News Update" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share