Nilkhet Bazar.com

Nilkhet Bazar.com Nilkhet Is Biggest area for Print, Press, Books & Stationary. We are try to provide all support here.

Essentials of Hospital Infection ControlPublisher ‏ : ‎ Jaypee Brothers Medical Publishers Pvt. Ltd.Publication date ‏ :...
27/05/2026

Essentials of Hospital Infection Control
Publisher ‏ : ‎ Jaypee Brothers Medical Publishers Pvt. Ltd.
Publication date ‏ : ‎ February 1, 2019
Edition ‏ : ‎ 1st
Language ‏ : ‎ English
Print length ‏ : ‎ 548 pages
ISBN-10 ‏ : ‎ 9352706900
ISBN-13 ‏ : ‎ 978-9352706907
---
🛍 অর্ডার করুন আজই!
🚚 ডেলিভারি সুবিধা:
📦 সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
🏡 হোম ডেলিভারি
📞 অর্ডার করুন এখনই!
📱 WhatsApp: 01847-443890
✨ বিশেষ অফার যারা আমাদের Like, Follow & এই post টি Shar দিবেন তাদের অর্ডার কৃত পণ্যের ৫% discount পাবেন।

বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছিল ওমায়রা। দিয়ে গিয়েছিল ইতিহাসের সবথেকে মর্মান্তিক ছবিটি১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর। কলম্বিয়ার মফঃস...
21/12/2025

বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছিল ওমায়রা।
দিয়ে গিয়েছিল ইতিহাসের সবথেকে মর্মান্তিক ছবিটি
১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর। কলম্বিয়ার মফঃস্বল শহর আর্মেরোর (Armero) আকাশ সকাল থেকেই ছিল মেঘলা। ঝেঁপে বৃষ্টি আসছিল মাঝে মাঝে। তখন বিকেল চারটে। বাবা আলভেরো ও ভাই আলভেইরোর সঙ্গে জমি থেকে তুলে আনা ধান গোলায় তুলছিল তেরো বছরের ফুটফুটে বালিকা ওমায়রা স্যাঞ্চেজ (Omayra Sánchez)।
মা মারিয়া আলেইডা গিয়েছিলেন বাড়ি থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে থাকা কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায়। সেখানে তিনি নার্সের কাজ করেন।
হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ভেসে এসেছিল ‘গুম’ ‘গুম’ আওয়াজ। চমকে উঠেছিল ওমায়রা। মেঘ ডাকার আওয়াজ ভেবে আবার মন দিয়েছিল কাজে। সব ধান গোলায় তুলে বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়িতে ফিরে এসেছিল ওমায়রা। কাকিমা মারিয়া আডেলার সঙ্গে রাতের খাবার তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছিল।
যে শব্দকে মেঘের আওয়াজ ভেবেছিল ওমায়রা, আসলে সেটি ৭৯ বছর পর জেগে ওঠা নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরির ( ১৭৫০০ ফুট) আড়মোড়া ভাঙার আওয়াজ। যে আগ্নেয়গিরিকে স্থানীয়রা চেনেন ‘ঘুমন্ত সিংহ’ নামে। ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসেও একবার উশখুশ করে উঠেছিল নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরি। কলম্বিয়ার ইন্সটিটিউট অফ মাইনিং অ্যান্ড জিওলজি অক্টোবর মাসেই বানিয়ে দিয়েছিল আসন্ন ভয়াবহ বিপর্যয়ের একটি ম্যাপ। সেই ম্যাপে বলাও হয়েছিল সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে চলেছে ওমায়রাদের আর্মেরো শহর। কান দেয়নি কলম্বিয়া সরকার।
ঘড়িতে তখন রাত ৯.০৯
বিকট আওয়াজে কেঁপে উঠেছিল আশেপাশের প্রায় একশো কিলোমিটার এলাকা। এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আর্মেরো শহর থেকে মাত্র ৪৮ কিলোমিটার দূরে থাকা নেভাডো ডেল রুইজের তুষারাচ্ছাদিত চূড়া। আ, গ্নেয়গিরির জ্বা,লামুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল উ,ত্তপ্ত লা,ভার স্রোত। লাল ছাইয়ে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ।
ফুট*ন্ত লাভার উত্তা*পে গ*লে গিয়েছিল আ*গ্নেয়গিরির চুড়ায় থাকা বরফ ও পাদদেশে থাকা হিমবাহগুলি। বিশাল জলরাশি তিনটে সর্বগ্রাসী ঢেউ তুলে, ঘন্টায় বাইশ কিলোমিটার গতিতে ছুটে চলেছিল গুয়ালি নদীর খাত ধরে। সঙ্গে নিয়ে চলেছিল হাজার হাজার বোল্ডার, পাথর, গাছ ও কাদা। ঢেউগুলি ছুটে চলেছিল চোদ্দটি জনপদের দিকে। প্রথম ও সবচেয়ে ভ*য়ঙ্কর আক্রমণটি হেনেছিল সামনে থাকা আর্মেরো শহরের ওপর।
কোটি কোটি টন কাদা, গাছ ও পাথর নিয়ে আসা প্রথম ঢেউটি, আ*ঘাত হানার তিরিশ মিনিট আগেই অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল আর্মেরো। শহরবাসীদের কানে আসছিল রক্তজল করে দেওয়া কিছু আওয়াজ।
কিন্তু কী হচ্ছে, কেউ কিছু বুঝতে পারছিল না। তাই টর্চ নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসেছিল হাজার হাজার মানুষ। বাবা, ভাই ও কাকিমার সঙ্গে বাড়ির ছাদে উঠে পড়েছিল ওমায়রা। অন্ধকারে জোনাকির মত ছোটাছুটি করতে থাকা টর্চগুলি ছাড়া অন্য কিছু নজরে আসছিল না ওমায়রার।
হঠাৎ একই সঙ্গে নিভে গিয়েছিল কয়েক হাজার টর্চ। আর্ত চিৎকার ভেসে এসেছিল চারদিক থেকে। শহরবাসীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই, আর্মেরোকে আঘাত করেছিল পাথর, গাছের গুঁড়ি বয়ে আনা কাদার প্রথম ঢেউটি। ওমায়রাদের বাড়ির ছাদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুড়ি ফুট উচ্চতার ঢেউটি ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ওমায়রার বাবা ও ভাইকে।
ভে*ঙে পড়া ছাদের বিম ও লোহার কাঠামোয় আটকে গিয়েছিল ওমায়রা ও কাকিমা আলেইডা। ওমায়রাকে বুকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন কাকিমা। কিন্তু কাদার ঢেউ ক্রমশ গিলে নিতে শুরু করেছিল কাকিমাকে। কাদার স্রোতের নিচে তলিয়ে যেতে যেতে দুই হাত দিয়ে কাকিমা ধরে ফেলেছিলেন ওমায়রার পা দু’টি। ঘটনার আকস্মিকতায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল ওমায়রা।
বৃষ্টি শুরু হয়েছিল আবার। বৃষ্টির ছাট গায়ে লাগায় জ্ঞান ফিরে এসেছিল ওমায়রার। সে বুঝতে পেরেছিল, থিকথিকে কাদার মধ্যে গলা অবধি ডুবে আছে। কাদার নিচে কোথাও আটকে গিয়েছে হাত পা। চারদিকে থেকে ভেসে আসছিল আর্তনাদ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সে সব আ*র্তনাদও আর শোনা যাচ্ছিল না। বিধ্বস্ত আর্মেরোর বুকে নেমে এসেছিল শ্মশানের নীরবতা। সত্যিই আর্মেরো তখন মৃত্যুপুরী। কাদার নিচে শেষ ঘুমে ঘুমিয়ে পড়েছিল প্রায় পঁচিশ হাজার আর্মেরোবাসী।
কাদার ওপর জমতে শুরু করেছিল বৃষ্টির পানি।সেই পানি ছুঁয়েছিল গলা অবধি কাদায় গেঁথে থাকা ওমায়রার চিবুক। পাগলের মত চিৎকার করতে শুরু করেছিল ওমায়রা, “ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা।” একসময় পানি উঠে এসেছিল ওমায়রার নাকের কাছাকাছি। দুঃসাহসী ওমায়রা প্রায় অবিশ্বাস্যভাবে ডান হাতটা কাদা ও জঞ্জালের ভেতর থেকে মুক্ত করে নিয়েছিল। ডান হাত দিয়ে জঞ্জাল আঁকড়ে ভেসে থাকার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল রাতভর। নির্মম রাত এগিয়ে চলেছিল এক আশা জাগানিয়া ভোরের দিকে।
১৪ নভেম্বর,১৯৮৫
দুর্ঘটনার প্রায় দশ ঘন্টা পরে এসেছিল রেডক্রসের উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়েছিল, বেঁচে যাওয়া স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে। গোটা আর্মেরো জুড়ে ছড়িয়ে ছিল কাদায় গেঁ*থে যাওয়া হতভাগ্য শহরবাসীদের মৃ*ত দেহ। উদ্ধারকারী দলের গলার আওয়াজ পেয়ে, দেহের সর্বশক্তি একত্রিত করে ওমায়রা চিৎকার করে উঠেছিল, “আমাকে বাঁচাও”,”আমাকে বাঁচাও”।
মৃতের স্তুপে বালিকার গলার আওয়াজ পেয়ে চমকে উঠছিলেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা। তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর দলটির এক সদস্য দেখতে পেয়েছিলেন ওমায়রাকে। হাত ধরে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। প্রবল যন্ত্রণায় আর্ত চিৎকার করে উঠেছিল ওমায়রা। উদ্ধারকারীরা বুঝতে পেরেছিলেন, ওমেইরার পা আটকে গিয়েছে কাদার নিচে।
সারাটা দিন ধরে ওমায়রাকে ঘিরে থাকা কাদা, পাথর, কাঠ, টালি ও কংক্রিটের ভাঙা টুকরো সরিয়েছিলেন উদ্ধারকারীরা। মুক্ত করে ফেলেছিলেন ওমায়রার বাম হাত ও কোমর। কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও মুক্ত করা যায়নি পা দুটিকে। দেখা দিয়েছিল আর এক বিপত্তি। ওমায়রার চারপাশ থেকে জঞ্জাল সরানো মাত্রই গর্তটি ভরে যেতে শুরু করেছিল চারদিক থেকে ধেয়ে আসা পানিতে। আবার পানির নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছিল ওমায়রা। তাকে ভাসিয়ে রাখার জন্য বুকের নিচে পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাতাস ভরা টিউব। সামনে রাখা হয়েছিল লম্বা একটি ডাল। যাতে সে ডালটি ধরে ভেসে থাকতে পারে।
১৫ নভেম্বর, ১৯৮৫
দুর্ঘটনার ছত্রিশ ঘন্টা পর এক ডুবরী জলের নিচে গিয়েছিলেন। দেখেছিলেন এক শিউরে দেওয়া দৃশ্য। গলা অবধি পানিতে হাঁটু মুড়ে বসে আছে ওমায়রা। তার দুটি পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ পিষে দিয়েছে কংক্রিটের একটি বিম। পি*ষে যাওয়া পা দুটি চেপে ধরে আছেন এক মৃতা মহিলা (কাকিমা)। দ্রুত উঠে এসেছিল আতঙ্কিত ডুবরী।
ওয়াকি টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারী দলটি বার বার একটি পাম্প ও গ্যাসকাটার পাঠানোর আবেদন জানিয়েছিল কলম্বিয়া সরকারের কাছে। কারণ বেলচা, স্ট্রেচার, গাঁইতি ছাড়া অন্য কোনও সরঞ্জাম ছিল না তাদের কাছে। হেলিকপ্টারে ঝুলিয়ে একটি বুলডোজার পাঠানোর আবেদনও করেছিল তারা। যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে আর্মেরোতে সেনা নামানোর কথাও বলেছিল উদ্ধারকারী দলটি। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি অমানবিক কলম্বিয়া সরকার। কারণ কলম্বিয়ার সেনারা তখন এম-নাইন্টিন গেরিলাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিল রাজধানী বোগাটার আশেপাশে।
জারি হয়েছিল মৃ*ত্যু পরোয়ানা
সব রকম চেষ্টা করেও ওমায়রাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়া রেড ক্রস নিয়েছিল এক অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্ত। কাদার নিচে আটকে থাকা ওমায়রার পা দুটি অপারেশনের মাধ্যমে বাদ দিয়ে ওমেইরাকে তুলে আনা হবে। প্রায় একঘন্টা ধরে আলোচনা করেছিলেন চিকিৎসকেরা। তারপর উদ্ধারকারী দলের নেতাকে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, কাদা পানির নিচে গিয়ে এই অপারেশন করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অপারেশন করলে নারকীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে বালিকাটিকে।অপারেশন করে বাঁচানো যাবে না ওমায়রাকে। বিষাক্ত পানির কারণে গ্যাংগ্রিন হবেই।
তার থেকে বরং ওমায়রাকে উপহার দেওয়া হোক স্বাভাবিক মৃ*ত্যু। পঞ্চাশ ঘন্টারও বেশি এক গলা কাদায় দাঁড়িয়ে আছে ফুটফুটে মেয়েটি। অস্বাভাবিক হারে কমতে শুরু করেছে তার শরীরের তাপমাত্রা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। প্রকৃতি নিজেই ব্যথাহীন মৃ*ত্যু উপহার দেবে ওমায়রাকে। এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্তই মেনে নিয়েছিলেন সবাই। যদিও তাঁরা জানতেন এক নির্মম ও যন্ত্রণাময় মৃত্যুই উপহার পেতে চলেছে ওমায়রা।
ওমায়রা জানত না তার মৃত্যু পরোয়ানায় সই হয়ে গিয়েছে। তাই বুঝি সে একবুক বাঁচার আশা নিয়ে গল্প শুরু করেছিল কলম্বিয়ার সাংবাদিক সান্টা মারিয়া বাররাগানের সঙ্গে। ওমেইরার পাশে সান্টা মারিয়া ঠায় বসেছিলেন, সেই ১৪ তারিখ সকাল থেকেই। তেরো বছরের বালিকাটির টিকে থাকার লড়াই দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। টানা দুই দিন ধরে ওমেইরার সাথে গল্প করে, বালিকাটিকে অন্যমনস্ক রাখার চেষ্টা করে চলেছিলেন। মারিয়ার কাছে ওমায়রা খেতে চেয়েছিল মিষ্টি ও সফট ড্রিঙ্কস। অনেক দূর থেকে খাবার দুটি জোগাড় করে এনেছিলেন মারিয়া। মিটিয়েছিলেন ওমায়রার শেষ ইচ্ছা। এরই মাঝে ওমায়রার একটি ইন্টারভিউও নিয়েছিলেন সান্টা মারিয়া। যে ইন্টারভিউ থেকে বিশ্ব জেনেছিল ১৩ নভেম্বরের ভয়াবহ সেই রাতের কথা।
মৃত্যুকূপে জীবনের গান গাইছিল ওমায়রা (Omayra Sanchez)
গলা অবধি ডুবে থাকা ওমায়রা মারিয়াকে শুনিয়েছিল বেশ কয়েকটি গান।
যে গানগুলি সে শিখেছিল তার মায়ের কাছে। সূর্য ওঠার গান, সবুজ মাঠে সোনার ফসল ফলানোর গান। চোখে পানি চলে আসছিল মারিয়ার। তখনও বাঁচার আশা নিয়ে লড়তে থাকা ওমায়রা জানত না, তার জীবন সূর্য চিরতরে নিভিয়ে দিতে চলেছে তারই দেশের অমানবিক সরকার।
নির্মম মৃ*ত্যুর দিকে তাকে এক পা এক পা করে এগিয়ে দিচ্ছে বিবেকহীন সমাজ।
ফরাসি চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার এসেছিলেন বোগোটায়। পাঁচ ঘন্টা গাড়ি চালিয়ে, আড়াই ঘন্টা পায়ে হেঁটে ওমায়রার কাছে পৌঁছেছিলেন, ১৫ নভেম্বর রাতে। শক্তিশালী টর্চের আলো ফেলে রাখা হয়েছিল ওমায়রার ওপর। সবাইকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বার বার অনুরোধ করছিল ওমায়রা। সবাই তার পাশ থেকে সরে গেলে সে একটু ঘুমাতে পারবে।
সেদিন মাঝরাত থেকেই ভুল বকতে শুরু করেছিল ওমায়রা। জড়ানো গলায় সে বলেছিল, “দু’দিন আমি স্কুলে যাইনি। আমায় স্কুলে দিয়ে এসো। নাহলে অঙ্ক পরীক্ষা দিতে পারব না। একটা বছর নষ্ট হবে আমার।” ওমায়রার কথা শুনে, দূরে সরে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মারিয়া। সবাই আবার ঘিরে ধরেছিল ওমায়রাকে। কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। কেউ কেউ চুমু খাচ্ছিলেন জলে ভিজে কাগজের মত সাদা হয়ে যাওয়া ঠাণ্ডা হাত দুটিতে।
মুক্তি মুক্তি মুক্তি
১৬ তারিখ সকাল থেকেই ক্রমশ ঝিমিয়ে পড়ছিল ওমায়রা। হারিয়েছিল কথা বলার শক্তি। তবু বাঁচার আশা ছাড়েনি। তাই বুঝি বার বার ডান হাতটা এগিয়ে দিচ্ছিল মারিয়ার দিকে। যেন সে বলতে চাইছিল, শেষবারের মত আমায় টেনে তোলার চেষ্টা করো না। মারিয়া লক্ষ্য করেছিলেন, ওমায়রার টানা টানা চোখ দুটিতে র*ক্ত জমতে শুরু করেছে। মুখের রঙ দ্রুত কালচে বাদামী হতে শুরু করেছে।
ওমায়রার জীবনের অন্তিম মুহূর্তগুলি ক্যামেরায় ধরে রাখছিলেন চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার। আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি অমানবিক মনে হতে পারে। কিন্তু বর্বর কলম্বিয়া সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য ক্যামেরা ছাড়া আর কোনও অস্ত্র ছিল না ফোর্নিয়ারের কাছে।
বেলা তখন দশটা। ওমায়রার মাথা পিছন দিকে হেলে গিয়েছিল। বড় বড় শ্বাস নিচ্ছিল ওমায়রা। রক্ত জমা চোখ দুটো ক্রমশ বন্ধ হয়ে আসছিল অসীম ক্লান্তিতে। সর্বশক্তি একত্রিত করে মৃ*ত্যুকূপ থেকে শেষবারের মত বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল ওমায়রা। শেষবারের মত চোখ খুলে, সুন্দর এই পৃথিবীটাকে দেখে নিতে চেয়েছিল। ওমায়রার শেষ চাউনিও ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ফোর্নিয়ার। যে চাউনিতে ছিল অপরিসীম ঘৃণা।
এরপর কোঁকড়া কালো চুলে ভর্তি ওমায়রার মাথাটা ডুবে গিয়েছিল পানির ভেতর। কেবল নাক মুখ ও একটি চোখ দেখা যাচ্ছিল ওপর থেকে। তখন ঘড়িতে সকাল ১০.০৫। শেষ হয়েছিল দুঃসাহসী ওমায়রার টানা ষাট ঘণ্টার লড়াই। অমানুষিক যন্ত্রণা নিয়ে নিজেকে চিরতরে মুক্ত করে নিয়েছিল সে। ওমায়রা স্যাঞ্চেজের নিথর শরীর ঢেকে দেওয়া হয়েছিল নীল সাদা চাদর দিয়ে।
ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ারের তোলা ওমায়রার শেষ ছবিটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল বিশ্ব। কলম্বিয়ার রাস্তায় রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ তুলে ধরেছিলেন প্ল্যাকার্ড। সেগুলিতে লেখাছিল, “আ*গ্নেয়গিরি নয়, পঁচিশ হাজার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে অপদার্থ সরকার।”
ফুটফুটে ওমায়রা চির শান্তির দেশে চলে গিয়েছে সাইত্রিশ বছর আগে। কিন্তু জানেনকি, আজও সে উড়ে বেড়ায় পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরের আনাচে কানাচে। ঝোপে ঝাড়ে। পরীর মত ডানা মেলে। হ্যাঁ কথাটা সত্যি।
২০২০ সালে পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে পাওয়া গিয়েছিল নতুন এক ঝিঁঝিপোকার প্রজাতি। ওমায়রাকে চিরকালের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে, বিজ্ঞানীরা প্রজাতিটির নামের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন ওমায়রার নাম। নতুন প্রজাতিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘গিগাগ্রিলাস ওমায়রাই‘। আজও হয়ত প্রতি সন্ধ্যায়, পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে, রাতজাগা ঝিঁঝিপোকা হয়ে, কান্না ভেজা গলায় ওমাইরা চিৎকার করে চলেছে,”ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা ।
সংগৃহীত

মক্কায় থাকা কালীন এক আল্লাহ ভীরু বান্দার সকল সম্পদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তিনি চরম ক্ষুধার্ত হয়ে গেলেন ও খাদ্যের অভাবে মরণ...
30/11/2025

মক্কায় থাকা কালীন এক আল্লাহ ভীরু বান্দার সকল সম্পদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তিনি চরম ক্ষুধার্ত হয়ে গেলেন ও খাদ্যের অভাবে মরণাপন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। একদিন মক্কার চত্বরে হেঁটে বেড়ানোর সময় তিনি একটি হার (Necklace) পেলেন। এটাকে তিনি তার আস্তিনের ভিতরে রেখে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। পথে একজন মানুষের সাথে তার সাক্ষাৎ হলো, যিনি ঘোষণা দিচ্ছিলেন যে, তিনি একটি হার হারিয়েছেন। গরীব লোকটি পরে বলেছেন যে, আমি তাকে আমার নিকট এর বিবরণ দেয়ার জন্য বললাম।
আর তিনি এত নিখুঁতভাবে এর বিবরণ দিলেন যে, এতে সন্দেহের কোন অবকাশ রইল না। আমি তার কাছ থেকে কোনরূপ পুরস্কার গ্রহণ না করেই তাকে হারটি দিয়ে দিলাম। আমি বললাম, "হে আল্লাহ! আমি এটাকে তোমার কারণে দিয়ে দিয়েছি, অতএব, যা এর চেয়ে উত্তম তা দিয়ে আমাকে প্রতিদান দাও।"
এরপর তিনি সাগরে গিয়ে ছোট একটি নৌকায় করে যাত্রা শুরু করলেন। অল্প সময় যেতে না যেতেই প্রচণ্ড বায়ুসহ এক ঝড় এল আর (তার) নৌকাটিকে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিল। নৌকাটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল আর লোকটি একটি কাঠের টুকরো ধরে ঝুলে থাকতে বাধ্য হলেন।
প্রচণ্ড ঝঞ্ঝা বায়ু তাকে ডানে বামে নিয়ে গেল। অবশেষে তিনি ভাসতে ভাসতে একটি দ্বীপের তীরে গেলেন। সেখানে মানুষে ভরপুর একটি মসজিদ পেলেন; লোকেরা সেখানে সালাত পড়ছিল, তাই তিনিও তাদের সাথে সালাতে যোগ দিলেন। তিনি অংশ বিশেষ লিখিত কিছু কাগজ পেলেন ও সেগুলো পড়তে শুরু করলেন।
দ্বীপের লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি কুরআন পড়ছেন?" তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” তারা বলল, “আপনি আমাদের শিশুদেরকে কুরআন শিক্ষা দিন।” তাই তিনি তাদেরকে কুরআন শিখাতে শুরু করলেন ও তার কাজের জন্য তিনি একটি ভাতা (বেতন) গ্রহণ করলেন।
একদিন তারা তাকে লিখতে দেখল ও জিজ্ঞেস করল, "আপনি কি আমাদের শিশুদেরকে লেখা শিখাবেন?" আবারও তিনি “হ্যাঁ" বললেন এবং একটি বেতনের বিনিময়ে তাদেরকে লেখা শিখাতে শুরু করলেন।
কিছুদিন পর তারা তাকে বলল, “আমাদের নিকট একটি ইয়াতিম বালিকা আছে। তার পিতা খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আপনি কি তাকে বিয়ে করবেন?” তিনি বিয়েতে রাজি হলেন।
তিনি পরে বর্ণনা করেছেন, "আমি তাকে বিয়ে করে যখন বাসর রাতে তার দিকে তাকালাম, তখন আমি দেখতে পেলাম যে, সে হুবহু সেই একই হার পরে আছে। আমি তাকে বললাম, আমাকে হারের গল্প বলতে। সে বলল যে, তার পিতা এটাকে মক্কায় হারিয়ে ফেলেছিল এবং একটি লোক এটাকে পেয়ে তার নিকট এটাকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। সে বলল যে, তার পিতা সর্বদা সেজদার সময় তার মেয়ের জন্য দুআ করত, সে যেন ঐ লোকের মতো সৎ স্বামী পেয়ে ধন্য হয়। আমি তখন তাকে জানালাম যে, আমিই সে লোক ছিলাম।”
তিনি আল্লাহর জন্য কোন কিছু ত্যাগ করেছেন, তাই আল্লাহ্ তাকে এমন জিনিস দিয়ে প্রতিদান দিলেন, যা ছিল আরো ভালো।
إِنَّ اللهَ طَيِّبٌ لاَ يَقْبَلُ إِلاَّ طَيِّبَاً
অর্থ: “নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম ও পবিত্র এবং তিনি উত্তম ও পবিত্র জিনিস ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ (কবুল) করেন না।”
ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী রাহ. সহ অনেকেই এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন।
সংকলক: ড. আয়িদ আল কারনি (সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তুমি আল্লাহর ভয়ে কোন জিনিস বর্জন করলে, আল্লাহ্ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম জিনিস দান করবেন।"
[মুসনাদে আহমাদ: ৫/৭৮, হাদিসটি সহিহ]
( সংগৃহীত )

প্রতিদিনের একটা বড় কাজ হল কুরআনের সাথে কোয়ালিটি টাইম বাড়ানো। অর্থাৎ আসলেই বুঝে বুঝে কুরআন পড়া। কুরআনের অর্থ এক মনে র...
29/10/2025

প্রতিদিনের একটা বড় কাজ হল কুরআনের সাথে কোয়ালিটি টাইম বাড়ানো। অর্থাৎ আসলেই বুঝে বুঝে কুরআন পড়া। কুরআনের অর্থ এক মনে রিডিং পড়ে গেলেও একেক সময় একেক‌আয়াত ভিন্ন ভিন্ন ভাবে অন্তরে দাগ কাটে। ভিন্ন ভিন্ন ভাবে শান্তি দেয়, গাইডেন্স দেয়।

যেমন আজকে সূরা বাকারাহর অর্থ পড়তে গিয়ে খেয়াল করলাম সূরার একটা বড় অংশ জুড়ে আল্লাহ তাআলা তালাকপ্রাপ্তদের কথা বলছেন। ডিভোর্সকে ঘিরে বিভিন্ন পরিস্থিতির নিয়ম-নীতি বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ আদেশ দিচ্ছেন বারবার এই ব্যাপারে যেন উভয়পক্ষই আল্লাহকে ভয় করে, যেন সীমালঙ্ঘন না করে, আল্লাহ বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিচ্ছেদ যদি হতেই হয়, সেটা প্রীতিকর ভাবে, সুন্দরভাবে শ্রদ্ধাশীল ভাবে যেন হয়। বিশেষ করে তালাকপ্রাপ্তা নারীদের ভরণপোষণ করা বিশ্বাসীদের একটা কর্তব্য .... যারা মুত্তাকী হতে চায়, এটা তাদের কর্তব্য! সুবহানআল্লাহ ‌

এগুলো পড়তে পড়তে ভাবছি, আমরা যে অপছন্দনীয় বিষয় নিয়ে একেবারেই কথা বলতে চাই না, পছন্দ করি না,‌ আল্লাহ তায়ালা সেটা নিয়েই একটা বড় অংশ জুড়ে কুরআনে আলোচনা করলেন। ডিভোর্সের সময়ে সবকিছু এত আগলি হতে পারে যা অকল্পনীয়! দোষারোপ, নামিমা, মিথ্যাচার, ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে কাস্টডির যুদ্ধ, কড়া আঘাতের দুঃস্বপ্ন এগুলো বলে শেষ হবেনা—নিজ চোখে কয়েকটা ডিভোর্স কেস দেখেছি বলে কুরআনের আয়াতগুলো আরো জীবন্ত মনে হচ্ছিল। আসলেই খুব কম মানুষই এই বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করে।

ডিভোর্সি টার্ম কারো নামের পাশে উচ্চারিত হবে এটা এখনো এক ধরনের দুঃস্বপ্ন... কিন্তু আল্লাহ এই মানুষগুলোর সম্মান এবং অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আয়াত নাজিল করেছেন। কুরআনের মতো একটা টাইমলেস কিতাব, যেটা লাখ লাখ কোটি মানুষ কিয়ামতের আগ পর্যন্ত পড়বে —সেই কিতাবে এই মানুষগুলোর সম্মান এবং অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম রেকর্ড করে রেখেছেন আল্লাহ সুবহানাতা'য়ালা। আল্লাহ বান্দার হকের ব্যাপারে খুব সচেতন। আর আমরা‌ কেমন?

আমি যখন এই লেখাটা লিখছি , এই একই সময়ে অনেকেই ডিভোর্সড - সেই বোন- ভাইদের মনে বসে থাকা ট্রমা বিভিন্নভাবে বের হয়ে এসে তাদের জীবনকে এলোমেলো করে দিচ্ছে ... তাদেরকে বলছি, ইন শা আল্লাহ্ আল্লাহ আপনার সাথে আছেন ! আল্লাহ আপনাদের জন্য কুরআনের একটা বড় অংশ ডেডিকেট করেছেন, এটা ফেলনা নয়!

আল্লাহ সবার জন্য সহজ করুন সংগ্রাম গুলো।

আর বারবার নিজেকে মনে করিয়ে দিচ্ছি, আল্লাহ যেন আমাকে কখনো জালেম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত না করেন। কখনো না। কুরআনে যতবার জুলুমের কথা পড়ি, ততবার এই দোয়াটা করা উচিত। আমি যেন কখনো জালেম না হই। যেন কখনো মনের অজান্তেও কারো হক নষ্ট না করি। এর পরিণতি একদম ভালো না।

কুরআন পড়ার আনন্দ এখানেই যে, কুরআন আমাকে জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়ের কথা বলে। যে কথা মুখ ফুটে বলতে পারি না, সেটাও আল্লাহ কুরআনে বলেন..

কুরআন আমাদেরকে একে অপরের প্রতি ধৈর্য ধরার সময় আল্লাহকে ভয় করতে শেখায়, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে শুধুই মনের শান্তি নষ্ট না করে বড় বিষয়ে ফোকাস করতে শেখায়, খুব মিনিংফুল একটা জীবনের দিকে আমাদেরকে ডাকে....

এই তো কুরআন পড়ার আনন্দ! এই তো কুরআন পড়ার মজা। এজন্যই কুরআন পড়তেই হবে... বুঝে বুঝে পড়তে হবে, কুরআনের সাথে সম্পর্কে যেন কখনো ঘাটতি না আসে। ঘাটতি আসলেও যেন সেটা পূরণ করার চেষ্টা থাকে সবসময়।

তাহলে নিজের জন্যই সংগ্রাম গুলো সহজ হবে, ইন শা আল্লাহ।

゚viralシ

𝐒𝐮𝐩𝐞𝐫 𝐂𝐲𝐜𝐥𝐨𝐧𝐞 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 𝐚𝐭 𝐁𝐫𝐚𝐧𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐋𝐨𝐠𝐨 𝐒𝐭𝐢𝐜𝐤𝐞𝐫.>𝟏 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟒𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬>𝟏.𝟓 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟔𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬>𝟐 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟏𝟏𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬>𝟐....
22/10/2025

𝐒𝐮𝐩𝐞𝐫 𝐂𝐲𝐜𝐥𝐨𝐧𝐞 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 𝐚𝐭 𝐁𝐫𝐚𝐧𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐋𝐨𝐠𝐨 𝐒𝐭𝐢𝐜𝐤𝐞𝐫.
>𝟏 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟒𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
>𝟏.𝟓 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟔𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
>𝟐 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟏𝟏𝟓𝟎 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
>𝟐.𝟓 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟏𝟒𝟗𝟗 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
>𝟑 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟏𝟳𝟗𝟗 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
>𝟒 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝟐𝟗𝟗𝟗 𝐭𝐤 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
=> 𝐌𝐢𝐧𝐢𝐦𝐮𝐦 𝐎𝐫𝐝𝐞𝐫 𝐐𝐮𝐚𝐧𝐭𝐢𝐭𝐲 𝟏𝟎𝟎𝟎 𝐩𝐜𝐬
=> 𝐃𝐞𝐥𝐢𝐯𝐞𝐫𝐲 𝐓𝐢𝐦𝐞: 𝟯-𝟰 𝐃𝐚𝐲𝐬
আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আরো প্রসারিত করতে নিজস্ব ব্র্যান্ডের Logo 𝗦𝘁𝗶𝗰𝗸𝗲𝗿, Brand 𝗦𝘁𝗶𝗰𝗸𝗲𝗿, Courier 𝗦𝘁𝗶𝗰𝗸𝗲𝗿 , Label 𝗦𝘁𝗶𝗰𝗸𝗲𝗿 তৈরী করুন Canvas Printing Press থেকে . . . . .
Now Call for more details:
📞 +𝟴𝟴 𝟬164 1814672
📧 [email protected]

১৬ পিস রঙিন ওয়াল ক্যানভাস মাত্র ৬৫০ টাকা 💛✅ ঘরের দেয়ালে আনুন রঙের ছোঁয়া✅ সহজে সেটআপ, কোনো ঝামেলা নেই✅ গিফট হিসেবেও পারফে...
12/10/2025

১৬ পিস রঙিন ওয়াল ক্যানভাস
মাত্র ৬৫০ টাকা 💛
✅ ঘরের দেয়ালে আনুন রঙের ছোঁয়া
✅ সহজে সেটআপ, কোনো ঝামেলা নেই
✅ গিফট হিসেবেও পারফেক্ট 🎁।
✅ Size: 6/8 ইঞ্চি।
📦 সীমিত স্টক – এখনই অর্ডার করুন!
🛍 অর্ডার করুন আজই!
🚚 ডেলিভারি সুবিধা:
📦 সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
🏡 হোম ডেলিভারি
📞 অর্ডার করুন এখনই!
📱 WhatsApp: 01641-814672
✨ বিশেষ অফার যারা আমাদের Like, Follow & এই post টি Shar দিবেন তাদের অর্ডার কৃত পণ্যের ৫% discount পাবেন।
゚viralシ

*জার্মান শেখা এখন আরও সহজ | আপনি কি বাংলা ব্যাখ্যাসহ জার্মান ভাষা শিখতে চান?  তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন!  📚 আমাদের কালেকশ...
03/10/2025

*জার্মান শেখা এখন আরও সহজ |
আপনি কি বাংলা ব্যাখ্যাসহ জার্মান ভাষা শিখতে চান?
তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন!
📚 আমাদের কালেকশনে পাচ্ছেন:
✔Eye Spy A1-B1
✔ ব্যাখ্যাসমৃদ্ধ বই: শরফুদ্দিন আহমেদ, হেমায়েত মাতুব্বর ও মাহমুদুল হাসান স্যার
✔ Schritte PLUS, Spektrum, Grammatik Bücher
✔ Prüfungstraining A1–B1 – এক্সাম প্রস্তুতির জন্য আদর্শ
✔ Vocabulary, Story Books, Dictionary (English–German, Picture)
---
🌟
✅ Netszwerk Neu A1, A2, B1
✅ Menschen A1+Menschen A2
✅ ASPEKTE Neu B2
✅ জার্মান ব্যাকরণ (A1-B1) – সরফুদ্দীন আহমেদ
✅ জার্মান ভাষা শিক্ষা (A1) – হেমায়েত মাতুব্বর
✅ পূর্ণাঙ্গ ভাষা শিক্ষা – শহিদুল ইসলাম
📦 বইয়ের প্যাকেজ:
✔️ Text Book (Kursbuch)
✔️ Practice Book (Übungsbuch)
✔️ Vocabulary Book (Glossar)
💡 কেন আমাদের থেকে কিনবেন?
✅ উন্নত মানের প্রেস প্রিন্ট
✅ ৮০ গ্রাম অফসেট পেপার
✅ সিলাই বাইন্ডিং – বই ফেটে যাওয়ার ভয় নেই!
✅ রিটার্ন সুবিধা
📘 অতিরিক্ত উপহার:
📚 German to English Dictionary
📚 Model Test A1, A2, B1, B2
📚 Schritte PLUS A1, A2, B1
---
🛍 অর্ডার করুন আজই!
🚚 ডেলিভারি সুবিধা:
📦 সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
🏡 হোম ডেলিভারি
📞 অর্ডার করুন এখনই!
📱 WhatsApp: 01847-443890
✨ বিশেষ অফার যারা আমাদের Like, Follow & এই post টি Shar দিবেন তাদের অর্ডার কৃত পণ্যের ৫% discount পাবেন।
✨ আপনার জার্মান ভাষার জার্নি শুরু হোক আজই! ✨

জাপানে গেলে একটা বিষয় আপনাকে অবশ্যই অবাক করবে! মেট্রোতে বা মার্কেটে বাচ্চারা কখনো অহেতুক বায়না ধরে না, জেদ করে না, কিংবা...
01/10/2025

জাপানে গেলে একটা বিষয় আপনাকে অবশ্যই অবাক করবে! মেট্রোতে বা মার্কেটে বাচ্চারা কখনো অহেতুক বায়না ধরে না, জেদ করে না, কিংবা অন্যকে বিরক্ত করে না... কি আশ্চর্য! তবে জাপানিজ অভিভাবকরা কোন জাদু জানে?
ধরুন, আপনি টোকিওর ব্যস্ত মেট্রোতে বসে আছেন। চারপাশে ভিড়, লোকজন ট্রেন ধরার জন্য ছুটছে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার—আপনি দেখবেন ছোট্ট এক বাচ্চা তার মায়ের হাত ধরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। না সে চেঁচাচ্ছে, না অযথা অন্যকে বিরক্ত করছে। অথবা, মার্কেটের ভিড়ের মধ্যে—কোনো বাচ্চাকে খেলনা হাতে বসে কাঁদতে দেখবেন না। কারণ জাপানে ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদেরকে একটা বিষয় খুব জোরালোভাবে শেখানো হয় - “কখনো অন্যকে বিরক্ত করা যাবেনা...এমনকি নিজের মা-বাবাকেও না...নিজে ইনডিপেনডেন্ট হওয়া ভালো, তবে তা অন্যকে বিব্রত করে নয়।"
তাহলে আমাদের দেশের বাচ্চারা কেন ওদের মত ডিসেন্ট হয়না? প্রথম কথা হলো আমরা নিজেরাই জেনটেকিক্যালি বা সোশালি ডিসেন্ট না। বাচ্চাকে আমরা অ,আ...Abcd তো ঠিকই শেখাই কিন্তু ম্যানার শেখাইনা। মেহমান আসলে বাচ্চা যখন তাদেরকে বিরক্ত করে বা কোথাও বেড়াতে গিয়ে বাচ্চা যখন তুলকালাম শুরু করে -- তখন নির্লিপ্তভাবে আমরা বিষয়গুলো এড়িয়ে যাই। অথচ আপনি হয়তো বুঝতেও পারেননি যে আপনার বাচ্চার জন্য কারো বেড়ানোর আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে! পার্কে বা পাবলিক প্লেসে দুটো বাচ্চার মধ্যে কোনকিছু নিয়ে যখন কাড়াকাড়ি লাগে, তখন আমরা নিজের বাচ্চার ফেভারেই স্টেপ নেই! বিয়ে বাড়িতে বা দাওয়াতে গেলে অনেকেই বাচ্চাকে মাংস চাওয়ার জন্য শিখিয়ে দেই! প্যারেন্টিং এর এই অপ্রিয় দিকগুলোর কারণেই বাচ্চাদেরকে সৌজন্য শেখাতে আমাদের বেগ পেতে হয়।
বাই দ্য ওয়ে, পাবলিক প্লেসে ভদ্রতা বজায় রাখা একটি চমৎকার সামজিক শিক্ষা। ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদেরকে হাতে ধরে এগুলো শেখাতে হয়,,, এ বিষয়ে এক চুলও ছাড় নয়।

゚viralシ ゚viralfbreelsfypシ゚viral .com

28/09/2025
ছবির বাচ্চাটার বয়স ৫ কি ৬ বছর..স্কুল..মোবাইল গেমস আর খেলাধুলার বয়সে বাচ্চাটা এসেছে মায়ের পরকীয়ার হাড্ডি হয়ে..ঘটনা ঢাকা ব...
28/09/2025

ছবির বাচ্চাটার বয়স ৫ কি ৬ বছর..
স্কুল..মোবাইল গেমস আর খেলাধুলার বয়সে বাচ্চাটা এসেছে মায়ের পরকীয়ার হাড্ডি হয়ে..
ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল চত্ত্বর..দেড় ঘন্টা এদের পাশেই বসে ছিলাম..দুজনের প্রেমালাপ..আদুরে হাতাহাতি..কথোপকথন কানে এসেছে বারবার..
বাচ্চাটা নিজের আনন্দে খেলছে..দূরে গেছে অথচ খেয়াল নেই মা এর..বাচ্চাটা বারবার মাম্মা মাম্মা বলছে..মা উত্তরহীন..লোকটাকে আংকেল ডেকেছে কয়েকবার..
পয়েন্টে আসি..কিভাবে সিউর হলাম..
মহিলার ফোনে একটা ভিডিও কল আসে..লোকটাকে চুপ করিয়ে তিনি রিসিভ করেন দূরে গিয়ে..কথা বলতে বলতে আমার কাছাকাছি আসেন..মহিলা বলেন..নিউমার্কেটে কেনাকাটা কর‍তে এসেছেন..
এরপর বাচ্চাকে দেখান..বাচ্চা মোবাইল নিয়ে ভিডিও কলে কথা শুরু করে..বাচ্চা মানুষ..হঠাৎ মোবাইল ঘুরিয়ে মা আর আংকেলকে দেখায়..এতেই ক্ষেপে যায় মাম্মা..কলটা কেটে বাচ্চাকে দেয় কষে থাপ্পড়..কেন আংকেলকে দেখাইলি..এটা-সেটা..
আশপাশের সবাই হতবিহ্বল হয়ে যায়..কিন্তু তাদের কিচ্ছু যায় আসলো না..আবার আদুরে হাতাহাতি শুরু করে দু'জন..বাচ্চা আশপাশেই খেলতে থাকে..এই বাচ্চার ভবিষ্যৎ কি 🙂
- কালেক্টেড

Address

Shop No:/259 Block/C Line-4, Bakusha Market, Nilkhet
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nilkhet Bazar.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share