Al Hikmah Mart

Al Hikmah Mart "আল হিকমাহ মার্ট" অনলাইনে বই কেনার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান

📒বই পড়ার ৬টি উপকারিতা:পার্সোনাল গ্রোথ বা আত্ম উন্নয়নের জন্য বই পড়া বেশ কার্যকরী একটি উপায়। কাগজের বই বলুন আর ই-বুক কিংবা...
02/12/2024

📒বই পড়ার ৬টি উপকারিতা:

পার্সোনাল গ্রোথ বা আত্ম উন্নয়নের জন্য বই পড়া বেশ কার্যকরী একটি উপায়। কাগজের বই বলুন আর ই-বুক কিংবা আর্টিকেল, অবসর সময়ের সদ্ব্যবহার করতে চাইলে এর জুড়ি মেলা ভার। তাছাড়া বই পড়ার আরও অনেক উপকার রয়েছে। যেমন:

1️⃣ বই আপনার কল্পনাশক্তি বাড়ায়
একজন পড়ুয়া ব্যক্তির কল্পনা এবং একজন সাধারণ
মানুষের কল্পনার মাঝে বিস্তর ফারাক থাকে। বই পড়ুয়া
ব্যক্তি চাইলেই তার ভাবনার মধ্য দিয়ে ইতিহাসের
অলিগলি বিচরণ করে আসতে পারে এবং নিজের
জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজন অনুপাতে নিতে পারে শিক্ষা।

2️⃣ বই আপনাকে অনুপ্রাণিত করে
জীবনকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবারই অনুপ্রেরণা
প্রয়োজন হয়। বই এক্ষেত্রে সফল মাধ্যম। নিজেকে
মোটিভেট করতে বই হতে পারে আপনার হতাশার সময়ও
সেরা সঙ্গী। অস্থির মনকে স্থির করতে, জীবনে গুরুত্বপূর্ণ
সিদ্ধান্ত নিতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গাইড পেতে বই ভূমিকা
রাখে।

3️⃣ বই স্ট্রেস কমায়
স্ট্রেস নেই এমন মানুষ মেলা ভার। কর্মজীবন,
দাম্পত্যজীবন, সামাজিক-জীবন, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে
মানুষ মানসিক চাপের মুখোমুখি হয়। এ সময়
স্ট্রেস-রিলিফ ক্যাটাগরির কোনো বই পড়লে মন
অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। মানসিকভাবে শক্তি
মেলে এবং নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ নেবার সাহস তৈরি হয়।

4️⃣ বই ক্রিটিক্যাল থিংকিং শেখায়
কীভাবে আপনার চিন্তাকে আরও কাঠামোবদ্ধ ও
কার্যকর-ভাবে প্রয়োগ করবেন, বই তা শেখায়। সিদ্ধান্ত
গ্রহণের প্রক্রিয়ায় উন্নতি আসে। চিন্তার ভেতরেই যে কি
পরিমাণ অবারিত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে, সেটা তখন
বোঝা যায়।

5️⃣ বই ক্রিয়েটিভিটি বাড়ায়
নিজের সুপ্ত-প্রতিভা খুঁজে পেতে বই উদ্দীপক হিসেবে
কাজ করে। বই আপনাকে শেখায় কীভাবে নতুন নতুন
কাজ শুরু করা যায়। একবার শুরু করলেই পেয়ে যাবেন
আপনার অজানা অনেক সুপ্ত-প্রতিভার খোঁজ।

6️⃣ বই মস্তিষ্ক ইম্প্রুভ করে
গভীরভাবে চিন্তা করা, মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা,
সিদ্ধান্ত গ্রহণ— মস্তিষ্কের এরকম নানান কার্যক্ষমতা
বাড়িয়ে দেয় বই।

🍀 বই 📖 পড়ুন জীবনের জন্য!"আমি আমার জীবনে অনেক বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলো থেকে অর্জিত বেশীরভাগ তথ্যই আমার এখন মনে নেই। তাহলে...
30/08/2024

🍀 বই 📖 পড়ুন জীবনের জন্য!
"আমি আমার জীবনে অনেক বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলো থেকে অর্জিত বেশীরভাগ তথ্যই আমার এখন মনে নেই। তাহলে এত বই পড়ে আসলে আমার কি লাভ হচ্ছে?" একজন ছাত্র তার শিক্ষককে ঠিক এই প্রশ্নটি একদিন জিজ্ঞেস করেছিল। শিক্ষক এই ব্যাপারে মৌন ছিলেন, তিনি প্রথম দিন কোন উত্তর দিলেন না।

কিছুদিন পর নদীর ধারে সেই ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে একদিন দেখা হয়, শিক্ষক ছাত্রকে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্র দেখিয়ে বললো - "যাও, নদীর ধার থেকে পাত্রটি নিয়ে আমার জন্যে এক পাত্র পানি নিয়ে আসো", পাত্রটি সেখানে ময়লার মধ্যে মাটিতে পড়েছিল। ছাত্রটি কিছুটা বিভ্রান্তিবোধ করলো, এটা অযৌক্তিক উপদেশ, একটা ছিদ্রযুক্ত পাত্র দিয়ে পানি নিয়ে আসা সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষকের উপদেশ অমান্য করা যাবে না, তাই সে মাটি থেকে পাত্রটি তুলে নিয়ে নদীর ধারে ছুটে গেল পানি নিয়ে আসার জন্যে।

পাত্র ভর্তি করে সে পানি নিয়ে উপরে উঠে এলো, কিন্তু বেশি দূর যেতে পারলো না, কয়েকটা কদম দেওয়ার সাথে সাথেই পানিগুলো সব ছিদ্র দিয়ে নিছে পড়ে গেল।
সে আরও কয়েকবার চেষ্টা করলো, কিন্তু সে ব্যার্থ হলো এবং হতাশাবোধ করলো। এভাবে আরও কয়েকবার চেষ্টা করার পরেও সে পানি নিয়ে পৌঁছাতে পারলো না, সে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ল। তারপর সে শিক্ষকের নিকট ফিরে গিয়ে বললো - "আমি ব্যর্থ হয়েছি, আমি এই পাত্রটিতে পানি নিয়ে আসতে পারবো না, এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাকে ক্ষমা করুন।"

ছাত্রের কথা শুনে শিক্ষক কোমল একটি হাসি দিলেন এবং ছাত্রকে উদ্দ্যেশ্য করে তিনি বললেন - "না, তুমি ব্যর্থ হওনি। পাত্রটির দিকে তাকিয়ে দেখ, এটি এখন পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, একদম নতুন একটি পাত্রের মত দেখাচ্ছে। ছিদ্রগুলো দিয়ে যতবারই পানি পড়েছে ততবারই পাত্রটির মধ্যে থাকা ময়লাগুলো পরিষ্কার হয়ে বের হয়ে গিয়েছে। যখন তুমি কোন বই পড় তখন তোমার সাথে একই ব্যাপার ঘটে, তোমার ব্রেইন হচ্ছে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রের মত, আর বইয়ের মধ্যে থাকা তথ্যগুলো হচ্ছে পানির মত। তাই যখন তুমি কোন বই পড় এর সব কিছু মনে রাখতে পারো না। কিন্তু তুমি একটা বই পড়ে এর সবগুলো তথ্য মনে রাখতে পারলে কিনা সেটা তেমন গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয় না। কারণ বই পড়ে তুমি যেসব ধারণা, জ্ঞান, আবেগ, অনুভূতি, উপলব্দি এবং সত্য খুঁজে পাও সেগুলো তোমার মনকে পরিষ্কার করে, যতবার তুমি একটি বই পড়ে শেষ কর ততবার তোমার আধ্যাত্মিক রূপান্তর ঘটে, প্রতিবার তোমার পুনর্জন্ম হয়, ফলে তুমি আরও বিশুদ্ধ একজন মানুষে পরিণত হও। এটাই হচ্ছে বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য।"
📚✏️📖📖✏️📚📖✏️📚

28/08/2024

🔹 ক্যাপশনের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি!
يا الله، ارحم علينا واغفر لنا ونستغفرك ونتوب إليك!

28/08/2024

আহ, কি নিদারুন দৃশ্য!
অনিশ্চিত গন্তব্য! এক টুকরো শুকনো মাটির খোঁজ!! আল্লাহ, বন্যা কবলিত সকলের উপর রহম করো!!!
#বন্যা_পরিস্থিতি_আগস্ট_২৪
#ফেনী_কুমিল্লা_নোয়াখালী

♦️ ধেয়ে আসছে গজওয়াতুল হিন্দ❗''''''''''''''''''''''''''''''''''''''’'''''''''""""""""""""""""""""””"""""🔰 পৃথিবীতে সবচেয়ে...
19/08/2024

♦️ ধেয়ে আসছে গজওয়াতুল হিন্দ❗
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''’'''''''''""""""""""""""""""""””"""""
🔰 পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল “গাজওয়ায়ে হিন্দ” তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহদের যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.!
🔹 কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.!
যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!
• আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ!
• পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি”হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশ জি”হ|দ চালিয়ে যাবে।
মুসলমানদের নিশ্চিত জয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ যে হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলিমই বেঁচে থাকবেন বিজয়ের খোশ আমদেদ করার জন্য।
• অন্য বর্ণনায় আছে, গাজওয়াতুল হিন্দ হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (ﷺ) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আপনি এমন করছেন কেন!”
🔹 রাসুল (ﷺ) বললেন, “আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।” সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে ।
• রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!(সুবহানাল্লাহ)
🤲 হে আল্লাহ এই জিহাদে আমাকে কবুল করুন, বাচিয়ে রাখুন"

16/06/2024
15/04/2024

♦️ স্বদেশের বিমানবন্দরে নেমেই কুরআন তিলাওয়াত শুনালেন সদ্য বিশ্বজয়ী হাফেজ কারী আবু রায়হান!

https://www.jaijaidinbd.com/economics/454573
07/04/2024

https://www.jaijaidinbd.com/economics/454573

বয়কটের কারনে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ম্যাকডোনাল্ড’স। শন্তিপ্রিয় মানুষ দখলদারদের বিরুদ্ধে শক্তির লড়াইয়ে না পারলে...

♦️ ধেয়ে আসছে গজওয়াতুল হিন্দ❗''''''''''''''''''''''''''''''''''''''’'''''''''""""""""""""""""""""””"""""🔰 পৃথিবীতে সবচেয়ে...
02/04/2024

♦️ ধেয়ে আসছে গজওয়াতুল হিন্দ❗
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''’'''''''''""""""""""""""""""""””"""""
🔰 পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল “গাজওয়ায়ে হিন্দ” তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহদের যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.!

🔹 কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.!
যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!

• আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ!

• পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি”হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশ জি”হ|দ চালিয়ে যাবে।
মুসলমানদের নিশ্চিত জয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ যে হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলিমই বেঁচে থাকবেন বিজয়ের খোশ আমদেদ করার জন্য।

• অন্য বর্ণনায় আছে, গাজওয়াতুল হিন্দ হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (ﷺ) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আপনি এমন করছেন কেন!”

🔹 রাসুল (ﷺ) বললেন, “আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।” সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে ।

• রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!(সুবহানাল্লাহ)

🤲 হে আল্লাহ এই জিহাদে আমাকে কবুল করুন, বাচিয়ে রাখুন"

❗এখন বুঝবি কুরআনের সত্যতা। কিন্তু কোনো লাভ হবে না।
02/04/2024

❗এখন বুঝবি কুরআনের সত্যতা। কিন্তু কোনো লাভ হবে না।

🔰 মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে শুক্রবার তারাবির নামাজের সময় মুসল্লিদের বিশাল জমায়েত হয়। প্রায় সাড়ে ৩ কি.মি. এই জমায়েতের ভিড...
23/03/2024

🔰 মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে শুক্রবার তারাবির নামাজের সময় মুসল্লিদের বিশাল জমায়েত হয়। প্রায় সাড়ে ৩ কি.মি. এই জমায়েতের ভিডিও এক্স প্লাটফর্মে ভাইরাল হয়!!

اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ علَيْنَا بِالأَمْنِ والإِيمَانِ، وَالسَّلامَةِ والإِسْلامِ، وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضٰى...
11/03/2024

اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ علَيْنَا بِالأَمْنِ والإِيمَانِ، وَالسَّلامَةِ والإِسْلامِ، وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضٰى رَبِّيْ ورَبُّكَ اللَّه!

Address

East-Boxnagar, Sarulia, Demra
Dhaka
1361

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Hikmah Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Hikmah Mart:

Share