Ayesha Presents

Ayesha Presents Glimpse ✨

19/03/2026

Ramadan felt so peaceful this year, and the gentle weather made it even more beautiful.

04/03/2026
24/12/2025

Only Allah knows the weight in my heart.The mourning, the fear. Living in this country became terrifying. There is no sense of safety anymore. Anyone could be the next -You, me, any one of us and no justice will be served. These thoughts are killing me inside.

This is where heart melts 🤍🫠
26/11/2025

This is where heart melts 🤍🫠

Inside my heart.
25/11/2025

Inside my heart.

24/11/2025

This season and Kaavish heals.

Prophet Muhammad Salallahu alai-hi wasallam (peace be upon him) said:“Whoever recites this supplication three times will...
22/11/2025

Prophet Muhammad Salallahu alai-hi wasallam (peace be upon him) said:
“Whoever recites this supplication three times will be protected from every calamity of the earth and the sky.”

Dua
بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

Bismillāhilladhī lā yaḍurru ma‘asmihī shay’un fil-arḍi wa lā fis-samā’, wa huwa as-Samī‘ul-‘Alīm.

Meaning:
In the name of Allah, with whose name nothing on earth or in the sky can cause harm. He is the All-Hearing, the All-Knowing.

(Tirmidhi, Hadith 3388)


রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।

بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।

অর্থ : আল্লাহ তাআলার নামে, যার নামের বরকতে আকাশ ও মাটির কোনো কিছুই কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

(তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৮)

উপরের তলা (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম) থাকলে মানুষ প্রায়ই সিঁড়ি ধরে নেমে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু বাস্তবতা নিচের তলা ভেঙে উপরের তলা পড...
21/11/2025

উপরের তলা (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম) থাকলে মানুষ প্রায়ই সিঁড়ি ধরে নেমে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু বাস্তবতা নিচের তলা ভেঙে উপরের তলা পড়তে পারে। কম্পন শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দায় যাওয়া বিপজ্জনক। বের হওয়ার চেষ্টা করবেন না! সিঁড়িতে লোকের ভীড়, ধাক্কাধাক্কি, অন্ধকার – ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা আহত হয়। Think Fast!

Drop–Cover–Hold On:
বেডরুমে থাকলে খাটের নিচে, ড্রয়িং বা ডাইনিং-এ থাকলে মজবুত টেবিলের নিচে, কোনো আশ্রয় না পেলে দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন! বারান্দায় যাবেন না—রেলিং ভেঙে পড়তে পারে
বাথরুম নিরাপদ হতে পারে; বালতি উল্টো করে মাথার ওপর দিয়ে বসে থাকলে অনেকে বেঁচেছে! হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা খুঁজে পাবেন মাথার ওপর রাখুন।

যদি আপনি ১ম/২য় তলায় থাকেন (এটাই সবচেয়ে ভাগ্যবান):
কম্পন শুরু হলেই দরজা খুলে রাখুন (দরজা জ্যাম হলে বের হতে পারবেন না) ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নেমে রাস্তায় চলে আসুন কিন্তু রাস্তায় এসে বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না – ১০০ ফুট দূরে সরে যান! ভবন ছেড়ে খোলা মাঠে চলে যান!

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে চিৎকার করবেন না—ধুলো ঢোকে, গলা শুকায়, হুইসেল থাকলে বাজান, না থাকলে দেয়ালে বা পাইপে ৩ বার টোকা দিন (আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল) মোবাইল টর্চ অন রাখুন, কথা বলবেন না—ব্যাটারি বাঁচান,মুখে কাপড় চেপে ধরুন, ধুলো ঢোকা কমবে!

আজ থেকেই যা করবেন, বিছানার পাশে জুতা রাখুন, বেডের পাশে হেলমেট ও হুইসেল রাখুন, ভারী আলমারি, টিভি বা ফ্রিজের অবস্থান এমন রাখুন যাতে পড়ে গেলে আঘাত না হয়,গ্যাস সিলিন্ডার চেইন দিয়ে বেঁধে রাখুন, দরজা কখনো অটো-লক হবে না, চাবি কাছে রাখুন!

ঢাকা, একটি ঘনবসতিপূর্ণ শহর, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টগুলো শহরের প্রধান আবাসন। একটি লাইন মনে রাখুন:

আমি ৪র্থ তলার উপরে – তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি — প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।

প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে।

‎বিশেষজ্ঞদের মতে , বাংলাদেশ শীঘ্রই বড় কোনো ভূমিকম্পের মুখোমুখি হতে পারে । এটা সম্ভাবনা..এই বছর , ২৮ মার্চ বাংলাদেশে একটা...
21/11/2025

‎বিশেষজ্ঞদের মতে , বাংলাদেশ শীঘ্রই বড় কোনো ভূমিকম্পের মুখোমুখি হতে পারে । এটা সম্ভাবনা..

এই বছর , ২৮ মার্চ বাংলাদেশে একটা ছোটো ভূমিকম্প হয়েছিলো , রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৪.৫ ।

কিন্তু এর উৎপত্তিস্থল ছিলো মায়ানমার , বাংলাদেশ না।

কিন্তু আজ বাংলাদেশে যে ভূমিকম্প হয়েছে , তার উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের নরসিংদী । ঘোড়াশাল থেকে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৫.৫ !

একই সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে, কলকাতায়ও ভূমিকম্প অনুভূত হয় ।

এই বছরের ২৮ মার্চ যে ভূমিকম্প হয়েছিলো, এর উৎপত্তিস্থল ‎মায়ানমারে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৭.৭ মাত্রার ।


তাতে ‎বহুতল ভবন ধসে পড়ে গেছে । রাস্তা উপড়ে গেছে । সেতু ভেঙে গেছে । অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে তাসের ঘরের মতো ।


বাংলাদেশে এই মাত্রার ভূমিকম্প হইলে বাংলাদেশের রাজধানী সাক্ষাৎ নরকে পরিণত হবে ।

‎বিশেষজ্ঞদের মতে , কোনো একটি ভৌগলিক পরিমন্ডলে বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার পূর্বে ধারাবাহিক ভাবে ছোটো ছোটো ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

‎২০১৭ সালে বাংলাদেশে ও এর কাছাকাছি এলাকায় ২৮টি ভূমিকম্প হয় । ২০২৩ সালে এর সংখ্যা ছিল ৪১।

‎২০২৪ সালে তা বেড়ে পৌঁছে যায় ৫৪তে....

( প্রথম আলো ২৮ মার্চ, ২০২৫)

‎প্রতি বছর ছোট ছোট ভূমিকম্পের সংখ্যা বাড়ছে ।

‎বাংলাদেশের এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯১৮ সালে । রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮ । ( যুগান্তর, ৩ জুন, ২০২১)

‎ভূতাত্ত্বিকদের মতে , একটা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার ১০০ বছর পর আবার ঐ দেশটিতে বড়মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।

‎১৯১৮ এর পর ১০০ বছর পার হয়ে গেছে ।

‎এখন ২০২৫ !

‎ইন্ডিয়ান, ইউরোশিয়ান এবং বার্মা তিনটি গতিশীল প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান বলে যে কোনো সময় বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে ।

‎সকাল, দুপর , মাঝরাত যে কোনো সময় আপনারে আশ্রয় দেওয়া ভবন আপনার শরীরের উপর ধসে পড়তে পারে ।

‎ঢাকায় যদি ৭ মাত্রারও একটি ভূমিকম্প হয়, তবে ৭২,০০০ ভবন ধসে পড়বে । ঢাকায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষের বাস ।

‎আল্লাহ না করুন, যদি এরকম ঘুমন্ত অবস্থায় ভোরে অথবা মাঝরাতে ভূমিকম্প হয়, ঢাকা শহর পুরোটাই মৃত্যু নগরীতে পরিণত হবে ।

বাড়িঘর ধূলোয় মিশেযাবে। ‎ফ্লাইওভার-ব্রিজ ভেঙে পড়বে। বিদ্যুৎ গ্যাস লাইনে আগুন ধরে যাবে। পানির লাইন ফেটে পড়বে ।

‎সিলেট , কক্সবাজার , চট্টগ্রাম ও একই ঝুঁকিতে রয়েছে।

‎আল্লাহ না করুক, এসব না ঘটুক । অসংখ্য লাশ বুকে নিয়ে না হয় যুদ্ধ ছাড়াই ট্রয় নগরীর মতো পুড়তে হবে নগরকে, দেশকে।

‎অতীতে সাভারে শুধুমাত্র একটা ভবন ধসে পড়ায় তার থেকে উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে সরকারের লেগেছিলো ৭ দিন ।

‎ঢাকায় যদি ৭২০০০ ভবন একদিনে ভেঙে পড়ে, কি হবে বাকিটা বুঝে নিন ।

‎একবার চোখ বন্ধ করে সবটা কল্পনা করতে গেলেও শিউরে উঠতে হয়।

‎তাহলে ভরসা?

আমাদের বেশি বেশি আল্লাহ'র কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত...

‎আমরাই বোধহয় মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র যারা মৃত্যু ( একদিন তো মরে যাবো) নিয়ে ট্রল করেছিলাম ।

আমরা ‎ঘুম থেকে উঠে ফেসবুকে এসে ভূমিকম্প নিয়ে ট্রল করি । হাসি তামাশা করি ।

‎বছর ঘুরে বর্ষায় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় হয় প্রত্যেকবার।

‎যারা উপকূল হতে দূরে, নগরে, সেফজোনে থাকে তারা বুলবুল ফণী নিয়ে ট্রল করে ফেসবুক ভাসায়।

‎আসলে সেফজোন বলতে কিছু নেই ।

‎'আমরা সকল মানুষই আইসিইউর মতো লাইফসাপোর্টে আছি, যেকোনো সময় মারা যেতে পারি । '

‎আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন সবাইকে। প্রিয়জনদের হেফাজত করুক ।

‎অকস্মাৎ মৃত্যু নয়, বাঁচতে বাঁচতে ঈমানসহ যাতে মরতে পারি সেই দয়াটুকু করুক...

লেখাঃ "আলোকশূন্য নক্ষত্র "

( পুরনো লেখা নতুন করে সম্পাদিত ।)

Address

Dhaka

Telephone

+8801734856864

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayesha Presents posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ayesha Presents:

Share