Dalia's closet.

Dalia's closet. I can ensure i will give you 100% authentic products.

14/08/2026

জীবন টা ষোল আনাই মিছে

12/08/2026

একটা সরকারের সাফল্য এবং দেশ এগিয়ে যায় চারটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে।
১. বিদ্যুত গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ
২. ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
৩. ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা - সড়ক ও রেলপথ
৪. সুশাসন
এ চারটি বিষয় সরকার করতে পারলে মানুষ নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করে নেয়। সরকারকে বলতে হয় না কোটি কোটি কর্মসংস্থান করবো, হেনো করবো তেনো করবো, বিদেশি বিনিয়োগ আনবো। কিচ্ছু বলতে হবে না। সবকিছু অটোমেটিক হবে। আর এই চারটি বিষয় করতে না পারলে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশের মানুষ একটা ফটোকপির দোকান দিতেও আগ্রহ পাবে না।

13/07/2026
28/06/2026

পুরুষরা আজকাল প্রায়ই অভিযোগ করে—নারীরা কেন এত ক্যারিয়ারিস্ট হয়ে যাচ্ছে!

অথচ খুব কম পুরুষই নিজেকে প্রশ্ন করে,

আমরা কি এমন একটা সমাজ তৈরি করিনি, যেখানে একজন নারীর সবচেয়ে বড় অবদানগুলোকে "কোনো কাজই না" বলে শেখানো হয়?

---

একজন নারী সারাদিন রান্না করলেন।

ঘর পরিষ্কার করলেন।

কাপড় ধুলেন।

সন্তানের পড়াশোনা দেখলেন।

অসুস্থ হলে রাত জেগে সেবা করলেন।

স্বামীর মানসিক চাপ সামলালেন।

শ্বশুর-শাশুড়ির খোঁজ রাখলেন।

পুরো পরিবারের সময়, খাবার, প্রয়োজন, আবেগ—সবকিছু ম্যানেজ করলেন।

মাস শেষে তার বেতন কত?

শূন্য।

তাই সমাজ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো—

তার কোনো অর্থনৈতিক অবদান নেই।

---

অথচ একটু হিসাব করে দেখুন।

একজন রাঁধুনি রাখুন।

একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাখুন।

একজন বেবিসিটার রাখুন।

একজন কেয়ারগিভার রাখুন।

একজন টিউটর রাখুন।

একজন হাউস ম্যানেজার রাখুন।

প্রতিটি কাজের আলাদা মানুষ লাগবে।

প্রতিটি কাজের আলাদা বেতন লাগবে।

বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একজন পূর্ণকালীন গৃহিণীর কাজ বাজার থেকে কিনতে গেলে তার মূল্য অনেক পরিবারের একক আয়ের সমান, কখনো কখনো তার চেয়েও বেশি হতে পারে।

কিন্তু যেহেতু এই কাজের জন্য আলাদা বেতন আসে না, তাই মানুষ ধরে নেয়—

এর কোনো মূল্য নেই।

---

এখানেই আধুনিক অর্থনীতির একটা বড় সীমাবদ্ধতা।

যা বাজারে বিক্রি হয়, সেটার মূল্য আছে।

যা পরিবারের জন্য করা হয়, সেটা ভালোবাসা।

তাই সেটা "ফ্রি"।

---

এই জায়গাটাতেই কর্পোরেট দুনিয়া সবচেয়ে বড় সুযোগটা নিয়েছে।

তারা নারীদের বলেছে—

"নিজের টাকা না থাকলে তোমার পরিচয় নেই।"

"অফিসে না গেলে তুমি সফল নও।"

"ঘরে থাকলে তুমি নিজের সম্ভাবনা নষ্ট করছ।"

"ক্যারিয়ারই স্বাধীনতা।"

---

অবশ্যই এমন অনেক নারী আছেন যারা সত্যিই নিজের পছন্দ, দক্ষতা বা সমাজে অবদান রাখার জন্য ক্যারিয়ার গড়তে চান।

শরীয়ার সীমার মধ্যে থেকে করতে পারলে এতে কোনো সমস্যা নেই।

সমস্যা তখনই হয়, যখন একজন নারী নিজের প্রকৃত ইচ্ছা নয়, বরং সামাজিক স্বীকৃতির জন্য এমন একটা জীবনে ঢুকে পড়েন, যেটা তিনি নিজেও চান না।

---

কিন্তু শুধু কর্পোরেটকে দোষ দিলেই পুরো সত্য বলা হবে না।

পুরুষদেরও এখানে বড় দায় আছে।

অনেক পুরুষ বছরের পর বছর ধরে একটা ভুল করেছে।

সে ভেবেছে—

"আমি টাকা এনে দিচ্ছি।

আমিই বেশি কন্ট্রিবিউট করছি।"

আর ঘরের ভেতরের অদৃশ্য শ্রমকে সে স্বাভাবিক দায়িত্ব বলে ধরে নিয়েছে।

ধন্যবাদ দেয়নি।

স্বীকৃতি দেয়নি।

সম্মান দেয়নি।

---

একজন স্ত্রী যদি দশ বছর ধরে সংসার চালান, সন্তান বড় করেন, স্বামীর জীবনের স্থিরতা তৈরি করেন—

অনেক পুরুষ সেটাকে "সে তো করবেই" বলে উড়িয়ে দেয়।

কিন্তু মাস শেষে নিজের বেতনটাকেই সবচেয়ে বড় অবদান মনে করে।

---

সমস্যা হলো—

মানুষ যার মূল্য দেয় না, মানুষ একসময় সেটাকে ছেড়ে দিতে চায়।

যখন একজন নারী বছরের পর বছর শুনতে থাকে—

"তুমি তো কিছুই করো না।"

"সারাদিন বাসায় থাকো।"

"আমিই সব চালাই।"

তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই তার মনে প্রশ্ন জাগে—

তাহলে আমার পরিচয় কোথায়?

আমার মূল্য কোথায়?

---

এরপর অনেক নারী ক্যারিয়ার বেছে নেন।

সবসময় টাকার জন্য না।

অনেক সময় সম্মানের জন্য।

স্বীকৃতির জন্য।

নিজেকে প্রমাণ করার জন্য।

একটা পরিচয়ের জন্য।

---

অদ্ভুত ব্যাপার হলো—

যে নারী হয়তো ভেতর থেকে সংসার, সন্তান আর শান্ত জীবনই চাইতেন, তিনিও ধীরে ধীরে বিশ্বাস করতে শুরু করেন—

"অফিসই আমাকে মূল্য দেবে।"

তারপর শুরু হয় দ্বৈত যুদ্ধ।

অফিসেও দায়িত্ব।

বাসাতেও দায়িত্ব।

ফলে অনেক ক্ষেত্রে তিনি আগের চেয়েও বেশি ক্লান্ত হন।

---

ইসলাম এই জায়গাটায় একেবারে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে।

ইসলাম কখনো বলেনি—

শুধু টাকা আয় করলেই অবদান।

আবার এটাও বলেনি—

নারী ঘরের কাজ করলে তার কোনো মর্যাদা কমে যায়।

বরং পরিবারকে একটা যৌথ আমানত হিসেবে দেখেছে।

যেখানে পুরুষের দায়িত্ব আছে।

নারীরও দায়িত্ব আছে।

দুজনের দায়িত্ব এক না।

কিন্তু দুজনের সম্মান সমান।

---

আজকের সবচেয়ে বড় সংকট সম্ভবত নারীরা ক্যারিয়ার করছে—এটা না।

সংকট হলো—

আমরা অবদানের সংজ্ঞাটাই বদলে ফেলেছি।

যে অবদান টাকায় দেখা যায়, সেটাকেই অবদান বলছি।

যে অবদান একটা প্রজন্ম তৈরি করে, একটা পরিবার টিকিয়ে রাখে, একজন পুরুষকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে, একটা শিশুর চরিত্র গড়ে—সেটাকে বলছি,

"সে তো কিছুই করে না।"

হয়তো এ কারণেই আজ এত মানুষ পরিচয় খুঁজছে।

কারণ আমরা অনেক আগেই মানুষের মূল্যকে চরিত্র, দায়িত্ব আর ত্যাগ দিয়ে মাপা বন্ধ করে দিয়েছি।

এখন আমরা প্রায় সবকিছুর মূল্য মাপি—

বেতনের স্লিপ দিয়ে!

জীবনের এমন একটা স্টেজে আসছি যেখানে কারো সাথে গ্যাঞ্জামে যেতে ইচ্ছা করেনা। কমেন্টে তর্কে যাওয়ার চেয়ে কমেন্ট ডিলিট করাই প্...
20/06/2026

জীবনের এমন একটা স্টেজে আসছি যেখানে কারো সাথে গ্যাঞ্জামে যেতে ইচ্ছা করেনা। কমেন্টে তর্কে যাওয়ার চেয়ে কমেন্ট ডিলিট করাই প্রেফার করি এখন। ১৮ বছর বয়সের সেই ঝগড়া করার জোস আর নাই। মানুষকে অপছন্দ করার মুড ও আসেনা আর। মানুষকে নিয়ে কূটনামি করারও এনার্জি পাইনা। একটা সময় যাদেরকে Toxic ভাবতাম তাদেরও এখন কিছুটা সহ্য করতে চেষ্টা করি। মনে হয় হয়ত ওদের লাইফেও কোনো না কোনো সমস্যা আছে।

এডজাস্ট করতে গিয়ে নিজের মেন্টাল পিস হ্যাম্পার করা মানুষজনকে লাইফ থেকে কাট করে দেয়াই এখন ওয়াইজ ডিসিশান মনে হয়। সবার মন জুগিয়ে চলার চেষ্টাও বছর চারেক আগেই ছেড়ে আসছি আমি পেছনে। একটা সময় আব্বুর সাথে ক্যাচাল হবে ভেবে অনেক কথা বলার সাহস করতাম না। অনেক সমস্যা শেয়ার করতাম না, অনেক খারাপ লাগা হজম করে যেতাম। এখন সাবলীলভাবে কতকিছু বলে ফেলি। এখন অতো লোকলজ্জার নাটক আসেনা মাথায়।

একটা জীবনের প্রায় অর্ধেক এর কাছাকাছি সময় পার করেই ফেলেছি। এখন সবসময় ঘুমাতেও যাই একটা অস্থিরতা নিয়ে, কখন কে কোথায় কিভাবে হারিয়ে যায় সেসব ভয় নিয়ে। আব্বু আম্মুসহ খালা মামা চাচা ফুফু সবার বয়স বাড়ছে! মাঝে মাঝে উদ্ভট ভাবনা ভেবে বুকের ভেতর একরকম হাহাকার নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠি! এই বুঝি কি হারালাম! কি এক ভয়। এই ভয় দিনের সাথে সময়ের সাথে আরো আরো বাড়বে আমার আমি জানি। আমি মাঝেমাঝে আম্মু আব্বুর কথাই ভাবি! আব্বু আম্মুর তো মা বাপ নাই!

আমি বুঝে গেছি জীবন যত আগাবে জীবন থেকে ততই হাসি,খুশি,আনন্দ,অর্জন সব কমতে থাকবে। আমরা একটা certain age পর্যন্তই সব পাই। এরপর শুরু হয় শুধু হারানোর পালা! জীবনটা যখন সুন্দর থাকে তখনই আমরা বুঝিনা! পার করে এসে বুঝি আগেই ভালো ছিলাম। সুসময় এর অপেক্ষায় থেকে থেকে একটা সময় বুঝতে শিখি - আরে এইতো সুসময় সেই কবে পেছনে ফেলে আসছি। ছোটবেলায় চাইতাম বড় হতে। আর এখন? এখন চাই সময়টা থেমে গেলে মন্দ হতোনা!

আর কখনও আগের মত করে ভালো থাকা হবেনা জেনেও এই যে ভালো থাকার আশায় দিনগোনা এটাই বড় হওয়া!
Copy

পাকা আম খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে:🥭 ভিটামিন A (বিটা-ক্যারোটিন)চোখের দৃ...
10/06/2026

পাকা আম খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে:
🥭 ভিটামিন A (বিটা-ক্যারোটিন)
চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য উপকারী।
🥭 ভিটামিন C
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, যা ত্বকের জন্য ভালো।
আয়রন শোষণ বৃদ্ধি করে।
🥭 ভিটামিন E
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী।
🥭 ভিটামিন K
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
🥭 ফোলেট (ভিটামিন B9)
গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন বা গর্ভবতী নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কোষের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে।
🥭 অন্যান্য B ভিটামিন
B6, B1 (থায়ামিন), B2 (রিবোফ্লাভিন) ও B3 (নিয়াসিন) অল্প পরিমাণে থাকে।
এছাড়া পাকা আমে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ম্যাঙ্গিফেরিন, ক্যারোটিনয়েড) থাকে।

"পাকা আমে রয়েছে ভিটামিন A, C, E, ফোলেট, ফাইবার ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট—যা চোখ, ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য উপকারী।" 🥭✨

প্রতিদিন আম খান ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ান।

08/06/2026

প্রিমিয়াম কোয়ালিটির হিমসাগর
৩-৪ টায় কেজি হবে।

08/06/2026

Your advice will never enter the mind of someone who is carrying too much. Sometimes you just need to listen and let them feel.

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় ...
02/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

এখনো কি তাই আছে?

আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

কারণ, রুচি হয়নি।

উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,

ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,

ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া........
C

Address

Rayerbazar Buddijibi, 2 No Gate, 1 No Goli, Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801765678916

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dalia's closet. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dalia's closet.:

Shortcuts

Share