The Ilm Corner

The Ilm Corner Acquire knowledge from the cradle to the grave.

22/02/2026

অধিক কথা বলা, অত্যাধিক হাসি-খুশি থাকা, বেশি চটপটে হওয়া, কথাবার্তায় বাকপটুতা প্রদর্শন করা এগুলো পার্থিব আড়ম্বরের নমান্তর এবং আল্লাহ ﷻ এঁর কঠোর শাস্তি ও গজব থেকে বেখায়াল থাকার নিদর্শন।

📕 এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ـــــ ১ম খন্ড।

✨"হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন ক...
18/02/2026

✨"হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।"✨
— সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৩

🎉পবিত্র মাহে রমজান আমাদের দ্বারে সমাগত। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই মাস হোক আমাদের আত্মশুদ্ধির সেরা সুযোগ। আল্লাহ আমাদের প্রতিটি রোজা ও নেক আমল কবুল করুন এবং আমাদের জীবনকে ঈমানের আলোয় আলোকিত করে দিন।😊
সকলকে পবিত্র মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা।💐🩷

আরবের এক লোক বলেন, "একবার আমি আমার দাদার বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি দাদী চাল ও দুধ দিয়ে পায়েস (ফিরনি) রান্না করছেন। আমি লক্...
17/02/2026

আরবের এক লোক বলেন, "একবার আমি আমার দাদার বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি দাদী চাল ও দুধ দিয়ে পায়েস (ফিরনি) রান্না করছেন। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি এক হাতে নাড়ছেন আর অন্য হাতে তাসবিহ পাঠ করছেন।

সারা রান্নাঘরে মিশকের মতো এক স্বর্গীয় সুঘ্রাণ ছড়িয়ে আছে। সেটি কোনো কৃত্রিম পারফিউম ছিল না, বরং দাদীর পবিত্র নিঃশ্বাস আর জিকিরের বরকতে তৈরি হওয়া এক অদ্ভুত সুবাস।

আমি দাদীকে জিজ্ঞেস করলাম,'দাদী, এই রান্না শেষ হতে আর কতক্ষণ লাগবে?'

তিনি এক চিলতে হাসি দিয়ে বললেন, 'বাবা, আর মাত্র এক হাজার বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" অথবা দুই হাজার বার "আলহামদুলিল্লাহ" পড়তে যতটুকু সময় লাগে, ততটুকু সময় লাগবে।'"

কী চমৎকার এক জীবনবোধ! যে খাবার তৈরি হতে হাজার বার আল্লাহর জিকির করা হয়েছে, সেই খাবারের স্বাদ আর প্রভাব কতটা রুহানি ও বরকতময় হবে, তা একবার ভাবুন!

আজ আমাদের জীবন থেকে বরকত উঠে যাওয়ার কারণ হয়তো এটাই, আমরা সময়কে ঘড়ি বা মিনিটের হিসেবে মাপি, কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষরা সময়কে মাপতেন আল্লাহর স্মরণে।

আরেকজন লোকের কথা বলি, যিনি দূর থেকে অফিস করতেন। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, 'অফিসে পৌঁছাতে আপনার কতক্ষণ লাগে?'

তিনি উত্তর দিলেন, '৫০০ বার দরুদ শরীফ আর ৫০০ বার সুবহানাল্লাহ-আলহামদুলিল্লাহ পড়তে যতটুকু সময় লাগে।'

মা-বোনেরা যখন রান্না করবেন, তখন যদি মুখে জিকির থাকে, তবে সেই খাবার শুধু পেটের ক্ষুধা মেটাবে না, বরং পরিবারের সদস্যদের মনে প্রশান্তি আর তাকওয়া বাড়িয়ে দেবে।

যাতায়াতের পথে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বা গাড়িতে বসে থাকার সময়গুলোকে আমরা জিকিরের মাধ্যমে ইবাদতে পরিণত করতে পারি।

আমাদের দাদী-নানীরা চলে গেছেন সত্য, কিন্তু তাঁদের সেই আমলগুলো তো আমরা ধরে রাখতে পারি।

আসুন আমরা আমাদের সময়কে মিনিট বা সেকেন্ডে নয়, বরং 'সুবহানাল্লাহ' আর 'আলহামদুলিল্লাহ'-র হিসেবে গুণতে শুরু করি।

রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত সবকিছুতে আল্লাহর স্মরণ যোগ করি। দেখবেন, হারানো বরকত আবারও আমাদের ঘরে ফিরে আসবে। ইনশাআল্লাহ ❤️❤️❤️

আরবি আর্টিকেল থেকে অনুদিত

16/02/2026

"হে প্রতিপালক, আপনি কাউকে একা ছাড়েননি, আমাকেও একা ছেড়ে দেবেন না। 🤲✨"

আমরা কি কখনো ভেবেছি শয়তানকে হারিয়ে দেওয়া কতটা সহজ? এর জন্য কোনো বিশাল যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু একটু গতি আর তাৎক...
09/02/2026

আমরা কি কখনো ভেবেছি শয়তানকে হারিয়ে দেওয়া কতটা সহজ? এর জন্য কোনো বিশাল যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু একটু গতি আর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত।

এই জীবন দর্শনটি আসলে একটি 'স্পিরিচুয়াল গেম'। এই খেলায় শয়তান সবসময় হারে, আর আল্লাহর সন্তুষ্টির জয় হয়। শয়তানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো "পরে করব" বলে কাজ পিছিয়ে দেওয়া। আর আমাদের অস্ত্র হবে— "হঠাৎ বা এখনই"।

চলুন দেখি এই 'গেম' কীভাবে খেলবেন:

বাথরুম থেকে বের হওয়ার সময় হাত ধুতে ধুতে কোনো চিন্তা না করেই হঠাৎ অজু করে নিন। শয়তান বলার সুযোগই পাবে না যে, "পরে করলেও তো হয়"। আপনার পাপগুলো ঝরে যাবে আর শয়তান মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকবে।

ঘরের মানুষকে হুট করে দেখে মুচকি হাসুন। কোনো কারণ ছাড়াই তাদের জন্য মনে মনে দোয়া করে দিন। এটিও একটি সাদকা, যা শয়তানকে হিংসায় জ্বালিয়ে দেয়।

ঘরে চলাফেরা করতে করতে হঠাৎ জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যান। দুই রাকাত নফল পড়ে নিন। শয়তানকে ভাবার সুযোগই দেবেন না।

মোবাইল স্ক্রল করতে করতে হুট করে কয়েকটা আয়াত পড়ে নিন। তসবীহ পড়ার কথা মনে এলে "অবসর সময়ে পড়ব" না ভেবে ওই মুহূর্তেই পড়া শুরু করুন।

দান করার চিন্তা মনে আসবামাত্র পকেটে যা আছে তা দিয়ে দিন। "পরে দেব" মানেই শয়তানের সুযোগ।

কারো প্রতি মনের কোণে হিংসা উঁকি দিলেই সাথে সাথে তার জন্য আল্লাহর কাছে শ্রেষ্ঠ নেয়ামত চেয়ে দোয়া করুন। এতে মনও পরিষ্কার হবে আর শয়তানও নিরাশ হবে।

আজান শোনা মাত্রই সব কাজ ফেলে উঠে দাঁড়ান। মনে মনে বলুন— "লাব্বাইকা ইয়া রব্বি (হে আমার প্রভু, আমি হাজির)"।

কোনো কারণ ছাড়াই হুট করে হেসে বলুন— "আলহামদুলিল্লাহ"। এই এক শব্দেই শয়তানের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়।

পুরনো কোনো কষ্টের কথা মনে পড়লে সাথে সাথে বলে দিন— "আল্লাহ, আপনার খুশির জন্য ওকে মাফ করে দিলাম"। এটি নফসের ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত।

কাজের ভিড়ে হঠাৎ গিয়ে মা-বায়ের হাত জড়িয়ে ধরুন বা কপালে চুমু খান। কোনো উপলক্ষ ছাড়াই তাদের জড়িয়ে ধরুন। এই দোয়াগুলো জান্নাতের দরজা খুলে দেবে।

সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত হলো কাজের মাঝে হঠাৎ আকাশ পানে চেয়ে বা চোখ বুজে বলা— "আল্লাহ! আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি, আমাকে শয়তানের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।"

শয়তান সবসময় আমাদের নমনীয়তার সুযোগ নেয়। যখনই আপনি কোনো কাজ "হঠাৎ" করে ফেলেন, শয়তান সেটিকে পিছিয়ে দেওয়ার বা নষ্ট করার কোনো 'স্ক্রিপ্ট' তৈরি করার সুযোগ পায় না।

তাই আজ থেকেই এই খেলা শুরু করুন। আপনার প্রতিটি হঠাৎ করা নেক আমল" আপনাকে আল্লাহর আরশের আরও কাছে নিয়ে যাবে।

উর্দূ থেকে অনুদিত

লেখাঃ- Salman Farsi

The Messenger of Allāh ﷺ said: “Verily, the most virtuous of your days is Friday; on it Ādam was created, on it he died,...
23/01/2026

The Messenger of Allāh ﷺ said: “Verily, the most virtuous of your days is Friday; on it Ādam was created, on it he died, on it the trumpet will be blown and the shout will be made, so increase your supplications for me, for indeed your supplications are presented to me.”

They said, “O Rasūlullāh, how will our supplications reach you once you have d*cayed?”

He said: “Verily, Allāh the Exalted has forbidden the bodies of the prophets from decaying.”

[Narrated by Abū Dāwūd in his Sunan 1047, Ibn Khuzaymah 1733 and Ibn Ḥibbān 910 in their respective Ṣaḥīḥs, and al-Ḥākim in al-Mustadrak 1/278. He said that it is authentic upon the conditions of al-Bukhārī, and al-Dhahabī agreed]

বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন...
24/12/2025

বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
ছুটিতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন কোর্স শুরু করছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
চাকরিতে পদোন্নতি হবে? — মুখ বন্ধ রাখুন।

জীবনের বড় বড় মুহূর্তে আমাদের মনে হয়, প্রিয়জন বা বন্ধুদের জানালে খুশি হবে। মনে হয়, সুখ ভাগ করলে দ্বিগুণ হয়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, সব সময় তা হয় না। বরং অতি তাড়াতাড়ি মুখ খোলাই হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে বড় ভুল।

আমাদের স্বপ্ন আসলে একেকটা বীজ। এই বীজকে মাটিতে রোপণ করার পর যত্ন চাই, সুরক্ষা চাই। কিন্তু যদি খুব তাড়াতাড়ি সবাইকে দেখাতে ব্যস্ত হই, তখন সেটি শেকড় গজানোর আগেই শুকিয়ে যায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে—যত বেশি স্বপ্ন শেয়ার করবেন, তত বেশি হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজরের চোখ আপনার দিকে পড়বে। আর এটাই অনেক সময় আপনার সাফল্যের পথে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা যাদের "বন্ধু" বলে বিশ্বাস করি, তাদের সবাই আন্তরিক নয়। কেউ কেউ চায় আপনি ভালো থাকুন, কিন্তু কখনোই তাদের চেয়ে ভালো না। তাই তারা হাসিমুখে অভিনন্দন জানালেও মনে মনে আপনার ব্যর্থতা কামনা করতে পারে। এটা তিক্ত হলেও সত্যি।

আমরা ভেবে নিই, অন্তত পরিবার তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবারের ভেতরেও সূক্ষ্ম হিংসা থাকতে পারে। ভাই, বোন, আত্মীয় কেউ কেউ চাইতে পারে যে আপনি তাদের ছাড়িয়ে না যান। এই গোপন প্রতিযোগিতা অনেক সময় আপনার আনন্দকে নিঃশব্দে বিষিয়ে দিতে পারে।

অনেকে বলে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। মানুষ যখন আপনার উন্নতি দেখে ঈর্ষায় পুড়ে যায়, তখন সেই নেতিবাচক এনার্জি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। সনাতন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম ও অন্য প্রায় সব ধর্মেই বদনজরের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ, এটা কোনো কাল্পনিক ভয় নয়।

নীরবতা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। চুপ থাকা মানে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুত হওয়া। কৃষক যেমন বীজ রোপণের পর প্রতিদিন হাটে গিয়ে ঘোষণা করে না, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষও নিজের স্বপ্ন গোপন রাখে। সময় এলে ফলাফল নিজেই কথা বলে। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না।

আপনার ভাগ্যে যা আছে, ঈশ্বরের লিখে রাখা পরিকল্পনা কেউ মুছে দিতে পারবে না। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে বেশি মুখ খোলার কারণে আপনি নিজের জন্য অযথা বাধা তৈরি করতে পারেন।তাই বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন, পরিশ্রম করুন এবং যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ রাখুন।

মনে রাখবেন, স্বপ্নকে আগেভাগে প্রকাশ করা মানে তাকে দুর্বল করে ফেলা। হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজর সত্যিই আপনার সাফল্যকে ধ্বংস করতে পারে। তাই যখনই জীবন আপনাকে কোনো বড় সুখবর দেবে—নতুন বাড়ি, গাড়ি, বিয়ে বা পদোন্নতি—তখন আনন্দে চিৎকার না করে নীরবে উপভোগ করুন। সময় এলে আপনার সাফল্যই পুরো পৃথিবীকে জানিয়ে দেবে আপনি কী করেছেন।

সংগৃহীত

কেন তুমি দো'য়ায় আল্লাহর নাম ব্যবহার করো না?আল্লাহর ৯৯টি নাম আছে – শুধু মুখস্ত করার জন্য নয়, বরং আমাদের জীবনের গভীরতম ...
23/12/2025

কেন তুমি দো'য়ায় আল্লাহর নাম ব্যবহার করো না?

আল্লাহর ৯৯টি নাম আছে – শুধু মুখস্ত করার জন্য নয়, বরং আমাদের জীবনের গভীরতম মুহূর্তে আহ্বান করার জন্য।

আল্লাহ আমাদের সরাসরি কুরআনে বলেছেন:

> “আল্লাহরই সবচেয়ে সুন্দর নামসমূহ আছে, সুতরাং তাকে সেই নামসমূহ দিয়ে আহ্বান করো। আর যারা তার নাম নিয়ে ব্যঙ্গ করে, তাদের কাজের প্রতিদান তারা পাবে।”

- সূরা আল-আরাফ ৭:১৮০

নবী করিম বলেছেন:

> “আল্লাহর ৯৯টি নাম আছে – যারা এই নামগুলো বোঝে এবং অনুযায়ী জীবন যাপন করে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

- সহিহ বুখারী ও মুসলিম

এবার দেখা যাক কীভাবে আমরা এই নামগুলো আমাদের জীবনে ব্যবহার করতে পারি।

আল-মুকাদ্দিম – المقدم

চাও কোনো কাজ দ্রুত সম্পন্ন হোক?

অনেক সময় মনে হয়, তুমি পিছিয়ে পড়েছো... সবাই এগোচ্ছে আর তুমি থমকে রয়েছ।

এমন সময় আহ্বান করো আল-মুকাদ্দিমকে – যিনি কোনো কিছু সামনে আনেন।

তোমার রিযিক, বিয়ে, সুস্থতা – যে কোনো কিছু “বিলম্বিত” মনে হলে, নরম কণ্ঠে বলো:

> “ইয়া মুকাদ্দিম, এটি আমার কাছে এগিয়ে দাও।”

আল্লাহ ঠিক সময়ে সবকিছু এগিয়ে দেবেন।

আল-ক্বাওয়ী – القوي

দুর্বল বোধ করছো? মানসিকভাবে ক্লান্ত? আত্মিকভাবে দুর্বল?

তাহলে আহ্বান করো আল-ক্বাওয়ীকে - পরম শক্তিশালীকে।

তিনি নবী কে শক্তি দিতেন যখন সবাই তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।

মূসা (আঃ)-কে সর্বশক্তিমান নরকের বিরুদ্ধে সাহায্য

করেছিলেন।

মারইয়ম (আঃ)-কে একা প্রসবের ব্যথায় ধৈর্য দিতেন।

তোমার শক্তি তোমার ভিতর থেকে আসে না – তা আসে আল্লাহ থেকে। বলো:

> "ইয়া ক্বাওয়ী, আমাকে শক্তি দাও।”

যখন তোমার কোনো শক্তি নেই, তখনও তিনি দেবেন।

আল-ওহহাব – الْوَهَّابُ

কোনো কিছু পাচ্ছো না কি? যা অন্য কেউ দিতে পারবে না? তাহলে আহ্বান করো আল-ওহহাবকে – দানদাতা।

তিনি সুলায়মান (আঃ)-কে রাজ্য দিয়েছেন, যাকারিয়‍্যাহ (আঃ)-কে বয়স্ক বয়সে সন্তান দিয়েছেন, এবং তোমাকে এমন বরকত দিয়েছেন যা তুমি চেয়েও নাও।

এখন বলো:

> “ইয়া ওহহাব, আমাকে এমন উপহার দাও যা শুধু আপনি দিতে পারেন।"

তিনি দেবেন, অপ্রত্যাশিতভাবে, প্রচুরভাবে, সবসময়।

ছোট দো'য়া উদাহরণ:

اللهم يا مُقَدِّم، يا قَوِيّ، يا وَهَّاب، وفقني وبارك لي فيما أحب.

বাংলা অর্থ:

“হে আল্লাহ! হে অগ্রগামী, হে শক্তিশালী, হে দানদাতা, আমাকে সফলতা দান করো এবং যে কিছু আমার হৃদয় আকাঙ্ক্ষা করে, তাতে বরকত দাও।”

সংগৃহীত

যার কলবে তাকওয়া আছে, আল্লাহর ভয় আছে, সে কখনো আল্লাহর হুকুমের বিরোধিতা করতে পারেনা। বরং যার অন্তরে যত বেশি তাকওয়া থাকব...
22/12/2025

যার কলবে তাকওয়া আছে, আল্লাহর ভয় আছে, সে কখনো আল্লাহর হুকুমের বিরোধিতা করতে পারেনা। বরং যার অন্তরে যত বেশি তাকওয়া থাকবে সে তত বেশি আল্লাহর হুকুম পালন করবে।

বই: তাকওয়া কী এবং কেন?
~হাফিজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ইকরাম উদ্দিন

আজ শুরু হয়েছে রজব মাস। এটি হিজরী ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাস এবং কুরআনে উল্লেখিত পবিত্র চারটি মাসের মধ্যে একটি।তাছাড়া রজব ...
21/12/2025

আজ শুরু হয়েছে রজব মাস। এটি হিজরী ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাস এবং কুরআনে উল্লেখিত পবিত্র চারটি মাসের মধ্যে একটি।

তাছাড়া রজব মাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রামাদান প্রায় দোরগোড়ায় এবং আমাদের সেজন্য প্রস্তুতি নিতে হবে- আত্মিক, মানসিক এবং শারীরিকভাবে।

এজন্যই ইমাম তিরমিযী (রহঃ) এর চাচা ইমাম আবু বকর আল-ওয়াররাক আল-বালখি (রহঃ) বলেছেন:

'রজব মাস হলো রোপণের মাস, শাবান মাস সেচ দেওয়ার মাস এবং রামাদান হলো ফসল কাটার মাস।'

তাহলে কিভাবে আমরা এই মাসটিকে রমজানের প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করতে পারি? চলুন দেখে নেই।

🌱 আত্ম-শুদ্ধি

কিছু সময় একা কাটান এবং কীভাবে আপনি নিজের ঈমানের উন্নতি করতে পারেন তা চিন্তা করুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন-

'আমি আজ মারা গেলে আল্লাহ ও তাঁর রসূল কি আমার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন?'
'আমি কি ইবাদাত সহ আমার সকল কথা ও কাজে আন্তরিক?'
'আমি কি পরকালের প্রস্তুতির জন্য আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি?'

🌱 ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুআ

আমরা সকলেই ভুল করি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে ক্ষমা চাওয়ার এটাই সঠিক সময়। তিনি পরম ক্ষমাশীল ও করুণাময়। একই সাথে অন্য যাদের সাথে আপনি অন্যায় করেছেন তাদেরকেও ক্ষমা করতে বলুন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "সকল আদম সন্তানই ক্রমাগত ভুল করে, তবে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা যারা অবিরত অনুতপ্ত হয়।" (তিরমিযী)

দুয়ার লিস্ট রামাদান আসার আগেই তৈরি করা জরুরি। রজব থেকে শুরু করলে খুব ধীরে সুস্থে সুন্দর একটি লিস্ট করে ফেলা সম্ভব।

আর আল্লাহর কাছে রামাদান পাওয়ার এবং পেয়ে তা কাজে লাগানোর তৌফিক চাইতে হবে।

🌱 বাড়তি সিয়াম

নিজেকে রামাদানের রুটিনে পরিণত করতে, বেশি বেশি সিয়াম রাখা শুরু করুন। গত রামাদান আপনার মিস করা সিয়ামগুলো পূরণ করুন।

এছাড়াও সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সুন্নাহ মোতাবেক সিয়াম রাখুন।

আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সবচেয়ে বেশি সিয়াম রাখতেন সোমবার ও বৃহস্পতিবার। তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর কাছে মানুষের আমল পেশ করা হয়। আল্লাহ প্রত্যেক মুসলমানকে ক্ষমা করে দেন যারা একে অপরকে পরিত্যাগ করে তাদের ছাড়া।" (হাসান)

🌱 বাড়তি সালাত ও যিকর

ফরজ সালাত এর পাশাপাশি সুন্নাহ ও নফল সালাত গুলোতে আমরা আরো যত্নশীল হতে পারি।

তাহাজ্জুদ এ উঠার জন্য চেষ্টা করতে পারি, সেজন্য কাজ গুছিয়ে জলদি ঘুমের অভ্যাস করতে হবে। অন্তত ঘুমের আগে কিছুটা নফল সালাত পড়ে নিতে পারি। সম্ভব হলে দুপুরে দুহার সালাত পড়ে নেয়া উচিত।

সালাত শেষে জিকিরের অভ্যাস করা উচিত। এর অনেক ফযীলত রয়েছে। তাছাড়া ঘরের কাজ করতে করতে, চলতে ফিরতে জিকির করা যায়।

🌱 সাদাকাহ

আমরা যদি একে অপরকে সাহায্য করি তবেই এই পৃথিবী একটি ভাল জায়গা হতে পারে। বিনিময়ে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের উভয় জগতে পুরস্কৃত করেন।

রাসূল মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন:
"আল্লাহ তার বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ তার সাহায্যকারী অন্যের সাহায্যে থাকে।" (মুসলিম)

আল্লাহ বলেছেন:
"কে আছে যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে, অতঃপর তিনি তা তার জন্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেবেন এবং তার জন্য রয়েছে মহৎ পুরস্কার?" (কুরআন ৫৭:৩১)

🌱 প্রতিদিন কুরআন পড়া

অনেকে রামাদান এ পুরো কুরআন পড়ার নিয়ত করেন। তারা যদি রজব থেকে শুরু করেন তাহলে খুব সহজেই তিন মাসে পুরো অর্থ সহ কুরআন পড়ে ফেলতে পারবেন।

শুদ্ধ ভাবে কুরআন তিলাওয়াত চর্চা ও নতুন কিছু সূরা মুখস্ত করতে পারি আমরা।

🌱 আরো যত সুন্নাহ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে আরও জানুন এবং তাঁকে অনুসরণ করুন।

“বলুন, [হে মুহাম্মদ], যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমাকে অনুসরণ কর, [তাহলে] আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপ ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়।" (কুরআন ৩:৩৩)

নিয়মিত করার মত আরো হাজার সুন্নাহ রয়েছে, যেমন, অযুর সময় মিসওয়াক করা, ফজরের পর জেগে থাকা, রাতে দুআ পড়ে শোয়া, খেজুর খাওয়া, বেশি বেশি সালাম দেয়া, আত্মীয়দের খবর নেয়া, দাওয়াহ দেয়া ইত্যাদি।

মনে রাখতে হবে, বড় বড় আমলের এর পাশপাশি ছোট ছোট ভালো কাজ গুলোও গুরুত্তপূর্ণ। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়তে, ছোট্ট একটা হাসি কিংবা একটি ভালো পোস্ট শেয়ার করাও আমলনামায় যোগ করতে পারে অনেক সাওয়াব, যদি তিনি চান।

(সংগ্রহীত)

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছনে এত সুন্দর একটি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগবে এবং নামাজ ...
19/12/2025

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছনে এত সুন্দর একটি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগবে এবং নামাজ পড়ায় মনোযোেগ ও বাড়বে। ঈমানও তাজা হবে। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!

আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল.?

কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সাঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-

আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু

অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উত্তরে মহান আল্লাহ বলেন:-

আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।

অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-

আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা

ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।

অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-

আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"

এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুঝতে পারবে!

ই'নশাআল্লাহ।🤍

-সংগৃহীত?

দুরুদ শরীফ পড়ার অপার ফজিলত :-চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ শরীফ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।১...
14/12/2025

দুরুদ শরীফ পড়ার অপার ফজিলত :-

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ শরীফ পড়ুন,
আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।

১) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার নাম জানেন!

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যখন আপনি দুরুদ পাঠ করেন, তখন একজন বিশেষ ফেরেশতা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে আপনার নাম উল্লেখ করে এই দুরুদের সংবাদ পৌঁছে দেন।

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছায়।"
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ২০৪২; মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)

অন্য হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের দুরুদ ফেরেশতারা আমার কাছে পৌঁছে দেয় এবং তোমাদের নাম উল্লেখ করে।"
(মুসনাদ আহমদ: ১৬৩০৩, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯১০, হাদিস সহিহ)

২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন!

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন:
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"
(সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮, সহিহ হাদিস)

আর আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে বিশ্বাসীগণ! তোমরাও নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"
(সুরা আল-আহযাব: ৫৬)

৩) দুরুদ শরীফ সমস্যার সমাধান এনে দেয়

যে ব্যক্তি দুরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়ে, আল্লাহ তার জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিয়ে নেন, এমনকি সে যদি আলাদাভাবে দোয়া নাও করে।

হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের সমস্যার সমাধান ও গুমাহ মাফের জন্য দুরুদকে অধিক পরিমাণে নিজের উপর আবশ্যক করো।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৩৮১, সহিহ হাদিস)

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল:
"হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার দোয়ার একাংশকে আপনার জন্য দুরুদে নির্ধারণ করেছি।"
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন:
"তাহলে তোমার চিন্তা-ভাবনা থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭, সহিহ হাদিস)

৪) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে জীবন উৎসর্গ করেছেন

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য কত কষ্ট সহ্য করেছেন! তাঁর সামনে তাঁর প্রিয় সাহাবীদেরকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবুও তিনি উম্মতের জন্য দোয়া করেছেন।

কিয়ামতের দিনও তিনি আমাদের জন্য দোয়া করবেন:

"আমার উম্মত! আমার উম্মত!"

(সহিহ মুসলিম: ২০২, তিরমিজি: ২৪৪৩)

তিনি বলতেন:

"হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো, হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো।"

(সহিহ মুসলিম: ২৪৯)

অতিরিক্ত আমল: দুরুদের সাথে ইস্তেগফার ও দোয়া ইউনুস

দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তেগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়লে এবং দোয়া ইউনুস (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ) পাঠ করলে জীবন থেকে বিপদ দূর হয়।

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

"যে ব্যক্তি দোয়া ইউনুস পড়বে, আল্লাহ তাকে সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি দেবেন।"

(সুনান আত-তিরমিজি: ৩৫০৫, সহিহ হাদিস)

দুরুদ শরীফ শুধু একটি আমল নয়, এটি আমাদের জীবনের জন্য রহমত, সমস্যার সমাধান এবং জান্নাতের সুসংবাদ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পড়ার তাওফিক দান করুন, আমিন!

- সংগৃহীত

Address

Chittagong
4203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Ilm Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category