HelloShop

HelloShop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HelloShop, Chittagong.

Welcome to Your trusted online dream shop But you Can call your dreamshop as a helloshop ,Build your dream with us then test our products.Without test you never get a best . :)

ছোট্ট সোনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন কীভাবে? রইল কয়েকটি সহজ রাস্তার সন্ধান‘ছয় মাস বয়স হয়ে গেল মেয়েটার। এখনও ওর রোগবা...
18/07/2020

ছোট্ট সোনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন কীভাবে? রইল কয়েকটি সহজ রাস্তার সন্ধান

‘ছয় মাস বয়স হয়ে গেল মেয়েটার। এখনও ওর রোগবালাই কমল না।’
শিখাদির কথা শুনে মনটা খারাপই হয়ে গেল অর্চনার। ছ’মাস হল অর্চনা মা হয়েছে। ছ’মাসের অপা অর্চনার দ্বিতীয় সন্তান। ওর ছেলে অভির বয়স এখন দু’বছর। অপার জন্মের পর নীলাদ্রি আর অর্চনা মিলে সবটা সামলে উঠতে পারছিল না। তাই অপার জন্মের পরপরই শিখাদিকে রাখা। উনি বাড়ির ছোটখাটো কাজকর্ম করে দেন। তবে ওঁর মূল দায়িত্বের মধ্যে পড়ে অপার যত্নের বিষয়ে অর্চনাকে সাহায্য করা, পাশাপাশি অভিকে অনেকটা সামলানো। আজ ছ’মাস ধরে দুই ভাই-বোনকে দেখছেন শিখাদি। তাই দু’জনের স্বাস্থ্য সম্পর্কেই কিছু অজানা নেই ওঁর কাছে। এবং ওঁর চোখের সামনেই জলের মতো পরিষ্কার, গত ছ’মাসে, মানে জন্মের পর থেকেই কীভাবে ভুগে চলেছে অপা। কী প্রচণ্ড রুগ্ন হয়েছে মেয়েটা! কিন্তু ওর দাদা অভির ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা কখনও হয়নি। ছোটখাটো শরীর খারাপ যে হয়নি, তা নয়। কিন্তু নিরন্তর এ ভাবে ভুগে চলেনি কখনও। আজ জ্বর তো, কাল পেটখারাপ, তো পরশু কান্নাকাটি করে খিদে উধাও—এমনটা কখনও হয়নি অভির সঙ্গে।



‘দিদি, তুমি ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলোনি?’ প্রশ্ন শিখাদির।
ডাক্তারবাবুর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছে অর্চনা-নীলাদ্রি। উনিও অপার সব কিছু পরীক্ষা করে বলেছেন, কোনও গণ্ডগোল নেই। তবুও এই সমস্যা কিছুতেই কাটে না। নিয়ম করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয়, ডাক্তারবাবুর বলে দেওয়া তালিকা ধরে ওষুধ খাওয়ানো হয়। তারপরেও ঠিক হয় না অপা।‘আচ্ছা দিদি, ওর ঠিক মতো ঘুম হয় তো?’ শিখাদির এই প্রশ্নটা অর্চনাকে একটু চিন্তায় ফেলে। কারণ অভিকে যতটা সময় ঘুমোতে দেখেছে অর্চনা, অপাকে ততটা দেখেনি কখনও। এটাও ঠিক, অপার জন্মের আগে ওরা বাড়ি বদলেছে। নতুন বাড়িটা বড় রাস্তার অনেক কাছে। এখানে সকাল থেকে নানা শব্দ শুরু হয়। মাঝরাতেও পাড়া শান্ত হতে চায় না। বেশির ভাগ সময়ই অপাকে জেগেই থাকতে দেখে অর্চনা।



পরের দিন ডাক্তারবাবুকে এই কথাটা জানাতেই, সমস্যার গোড়াটা খুঁজে পাওয়া গেল। উনি বললেন, এই কারণেই অপার শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠছে না। মানে ওর ইমিউনিটি (Immunity) বাড়ছে না। এখন থেকে জানলা বা দরজার ভারী পর্দা লাগানোর পরামর্শ দিলেন তিনি। পাশাপাশি যতটা কম আওয়াজের মধ্যে রাখা যায় অপাকে, তার ব্যবস্থাও করতে বললেন। আর সেই পরামর্শ মেনে চলতেই মাস খানেকের মধ্যে সমস্যা একদম গায়েব।তবে ঘুম কম হওয়াই শিশুদের দুর্বল হয়ে পড়ার একমাত্র কারণ নয়। রয়েছে আরও অনেক কিছু। এক ঝলকে দেখে নেওযা যাক, শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক ভাবে বাড়াবেন কী করে।





শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় (Ways To Naturally Boost Your Child’s Immune System)




#1. ঘুমের সময় বাড়ান: ঘুমের কথা দিয়ে যখন শুরু হয়েছিল, তখন সেই প্রসঙ্গেই প্রথমে বলে নেওয়া যাক। ঘুম প্রতিটা মানুষের জন্যই অত্যন্ত দরকারি। কারণ ঘুমের মধ্যেই মানুষ রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তৈরি করে। ক্যানসারের মতো মারণ রোগের পিছনে যে সমস্ত কোষের ভূমিকা থাকে, শরীর তাদেরও নষ্ট করে ঘুমের মধ্যেই। তাই পর্যাপ্ত ঘুম হওয়াটা খুব দরকারি। আর প্রশ্নটা যদি আপনার ছোট্ট সোনাকে নিয়ে হয়, তা হলে তো কথাই নেই।

একদম ছোট অবস্থায় ওকে ১৮ ঘণ্টার কাছাকাছি ঘুমাতে দিন।
রাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘুমিয়ে পড়তে দিন।
ওর ঘুমের জায়গা যেন খুব শান্ত থাকে। জানলা বা দরজায় ভারী পর্দা দিয়ে ঘর নিঃস্তব্ধ রাখার চেষ্টা করুন।




#2. স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার: যত দূর সম্ভব স্বাস্থ্যকর খাবার দিন। কারণ এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বৃদ্ধি পায়।

ওর খাবারে ফাইবারের পরিমাণ যতটা বাড়ানো যায়, সেদিকে নজর দিন।
কোনও খাবারে ওর অ্যালার্জি হচ্ছে কি না, সেটা চিকিৎসকের থেকে জেনে নিয়ে ওর খাবারের তালিকা বানান।
অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয় হল, ও কতটা চিনি খাবে, তার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন। চিনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। ফলে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস শরীরে বাসা তৈরির সুযোগ পায়। কতটা চিনি ওর দরকার, সেটা বলে দেবেন চিকিৎসকই। তার চেয়ে বেশি চিনি কখনওই দেবেন না।
গাজর, বিনের মতো তাজা শাকসবজি বেশি পরিমাণে রাখুন ওর খাদ্যতালিকায়। তাজা ফল খাওয়ান বেশি করে। কতটা খাওয়াতে হবে বিশেষজ্ঞের থেকে জেনে নিন।




#3. স্তন্যপান করান নিয়ম করে: চিকিৎসকরা যতদিন বলেন, ওকে ততদিন স্তন্যপান করান। কারণ এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ শক্তি অনেকটাই বাড়ে।

মায়ের দুধে এমন অনেক এনজাইম থাকে, যা শিশুর বৃদ্ধির জন্য তো বটেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও প্রচণ্ড সাহায্য করে।
মায়ের দুধ পান করলে শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
সব চেয়ে বড় কথা, বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রম’ (Sudden Infant Death Syndrome, SIDS)-এর মতো মারাত্মক সমস্যার সরলতম সমাধানই হল মায়ের দুধ। যে সমস্ত বাচ্চারা নিয়মিত স্তন্যপান করে, তাদের ক্ষেত্রে এই জাতীয় সমস্যার আশঙ্কা অনেকটাই কমে আসে।
অনেক চিকিৎসকই মায়েদের বলেন শিশুর দেড় বছর বয়স পর্যন্ত স্তন্যপান করিয়ে যেতে। সেটা সম্ভব না হলেও প্রথম ছয় মাস এই দুধ বাচ্চাকে খাওয়ানোটা খুব দরকারি।

4. সাপ্লিমেন্টে নজর: শিশুর যতটা খাদ্যগুণ প্রয়োজন, ততটা হয়তো খাবার থেকে সে পায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, তাকে আলাদা করে সাপ্লিমেন্ট দেওয়া যেতেই পারে।

ভিটামিন ডি জ্বরজারি আটকাতে বা ফ্লু-এর মতো জীবাণুঘটিত অসুখের সঙ্গে লড়াই করতে খুব কার্যকরী। শিশু যদি রোদে না বেরোয়, তা হলে তার শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হয়, তখন তাকে আলাদা করে ভিটামিন ডি দেওয়া উচিত।
জিংক-এর কাজ হল শ্বেত রক্তকণিকার সঠিক মাপ বজায় রাখা। এই রক্ত কণিকা জীবাণুদের সঙ্গে লড়াই করে। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শে আলাদা জিংক সাপ্লিমেন্ট দেওয়াটাও খুবই কাজের।
ওমেগা-৩ শিশুর বুদ্ধির বিকাশ করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কর্ড লিভার অয়েলের মতো তেলে এই যৌগ বিপুল পরিমাণে থাকে। তবে এই জাতীয় সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানোর আগে অবশ্যই শিশুর চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে।
প্রোবায়োটিক শরীরে প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়ার পরিমাপ বজায় রাখে। প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কমে গেলে, খারাপ ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হয়। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ওকে প্রোবায়োটিক দিতে পারেন নিয়ম করে।




#5. মনে চাপ নয়: এখন প্রচন্ড দ্রুত গতিতে ছুটে চলা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে বড়রা তো বটেই, ছোটদের মনেও মারাত্মক চাপ পড়ে। এই চাপের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

শিশু যাতে শান্ত থাকে, তার মন ভালো থাকে, সেদিকে নজর দিন।
মোবাইল বা অন্য ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে ওকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এগুলিতে শিশুমনে চাপ বাড়ে।
অ্যাংজাইটি হরমোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে থাকে। শিশুর পাশাপাশি নিজেরাও অ্যাংজাইটি বা মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। তাতে আপনাদের দেখেও শিশুদের মন ভালো থাকবে।




#6. সবাই মিলে ব্যায়াম করুন: নিয়মিত যোগাসন বা অন্য ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আপনার ছোট্ট সোনাকে সঙ্গে নিয়ে যদি আপনি ব্যায়াম করেন, তা হলে আপনার পাশাপাশি ওর শরীরও ভালো থাকবে। তাছাড়া আপনার সঙ্গে ব্যায়ামে বা ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজে অংশ নিলে ও খুব খুশি হবে।

কোন কোন ব্যায়াম ওর সামনে করবেন, মানে আপনার দেখাদেখি যে ব্যায়াম বা একসারসাইজ-গুলো করলে ওর কোনও ক্ষতি হবে না, সেগুলো বিশেষজ্ঞের থেকে আগে জেনে নিন।
সকাল-সকাল ব্যায়ামে অংশ নিন। এতে সারাটা দিন খুব ভালো যাবে।




#7. ওর সামনে ধূমপান নয়: ধূমপান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মক কমিয়ে দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁরা তো নিজের ক্ষতি করেনই, পাশাপাশি সেই ধোঁয়ায় শিশুরও মারাত্মক ক্ষতি হয়।

ধূমপানের মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার বিষাক্ত রাসায়নিক শরীরে যায়। নিজেরা ধূমপান না-করেও শুধুমাত্র প্যাসিভ স্মোকিং-এর মাধ্যমেই এর ৮০ শতাংশই শিশুদের শরীরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সময় বা তার যতটা আগে থেকে সম্ভব হবু মায়েদের উচিত ধূমপান বন্ধ করা। এবং এই সময় থেকে হবু বাবাদেরও উচিত কোনও ভাবেই হবু মায়েদের সামনে ধূমপান না-করা।
সন্তান জন্মানোর পরেও যতদিন তাকে স্তন্যপান করানো হবে, তত দিন মায়েদের ধূমপান শিশুর স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে।
পরিসংখ্যান বলছে, যে সব বাড়িতে ধূমপানের রেওয়াজ আছে, সেই সব বাড়ির তুলনায় অন্য বাড়ির বাচ্চারা অনেকাংশে সুস্থ।
বাবা-মা বা বাড়ির অন্য কেউ হয়তো ধূমপান করেন না। কিন্তু বাড়িতে এমন কোনও অতিথি এলেন, যিনি ধূমপান করেন। তাঁকে অনুরোধ করুন, বাচ্চার সামনে তো নয়-ই, বাড়ির অন্যত্রও তিনি যেন ধূমপান না-করেন।


কতগুলো সহজ বিষয় মাথায় রাখলে, এ ভাবেই শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ফেলা যায়। তাকে উপহার দেওয়া যায় একটা সুন্দর, স্বাস্থ্যকর জীবন।

যে খাবারগুলো পুনরায় গরম করে খাওয়া বিপজ্জনক!সাধারণত রান্নার পর সময় বাঁচানোর জন্য পরদিন সেই খাবার পুনরায় গরম করেই খাই। ত...
15/07/2020

যে খাবারগুলো পুনরায় গরম করে খাওয়া বিপজ্জনক!

সাধারণত রান্নার পর সময় বাঁচানোর জন্য পরদিন সেই খাবার পুনরায় গরম করেই খাই। তবে, কিছু কিছু খাবার বারবার গরম করে খাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর। কর্মব্যস্ত জীবনে আমরা সময় বাঁচানোর জন্য কয়েকদিনের খাবার একসঙ্গে রান্না করে ফ্রিজে রেখে দেই এবং পরে সেটা অল্প অল্প করে গরম করে খাই। এটি আসলেই একটি ভালো অভ্যাস।

কারণ এতে করে খাবার এবং সময় কোনোটাই অপচয় হয় না। তবে কিছু খাবার আছে যা পুনরায় গরম করার ফলে উক্ত খাবার তার কার্যকারিতা ও পুষ্টিগুণ হারায় এবং অনেক সময় খাবার বিষাক্তও হয়ে যায়।

আসুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো রান্নার পর রেখে দিয়ে আবার গরম করে খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

*আলুর তরকারি: পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাদ্যটি যদি বারেবারে গরম করে খাওয়া হয়, তাহলে এতে উপস্থিত শরীরের উপকারী উপাদানগুলির কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে। ফলে এমন খাবার খেলে শরীরের কোনও উপকারেই লাগে না। শুধু তাই নয়, একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে বারবার গরম করে আলু দিয়ে বানানো কোনও তরকারি খেলে পেট খারাপ হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ফুড পয়েজেনিং হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

* ভাত : ভাত রান্নার পর আপনি যেভাবেই রেখে দেন না কেন এটি ধীরে ধীরে পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। চালে স্পোরস নামক এক ধরনের উপাদান থাকে যা ব্যাকটেরিয়ায় রূপান্তরিত হয় এবং রান্নার পরও এই ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয় না। ফলে ভাত রান্না করে রেখে দেওয়া বা পুনরায় গরম করে খাওয়া উভয়ই ক্ষতিকর। এটা খেলে ডায়রিয়া এবং বমি হতে পারে।

* ডিম : উচ্চ মাত্রার প্রোটিন থাকায় ডিম সকলের নাস্তার আবশ্যিক উপাদান। তবে ডিম হচ্ছে এমন একটি খাবার যা পুনরায় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে এলে বিষাক্ত হয়ে যায়। ফলে রান্না করা ডিম পুনরায় গরম করে খেলে আমাদের হঠাৎ করেই পেট খারাপ হতে পারে।
* মুরগী : মাশরুমের মতো মুরগী উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। তবে উচ্চ তাপমাত্রায় পুনরায় গরম করে খেলে এই মুরগীই হয়ে উঠতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক খাবার। কারণ পুনরায় গরম করলে এতে থাকা উচ্চ মাত্রার প্রোটিনের কার্যকারিতার পরিবর্তন হয় এবং তা মারাত্বক হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে রান্না করা মুরগী যদি একান্তই গরম করে খাওয়ার দরকার হয় তবে তা নিম্ন তাপমাত্রায় একটু সময় নিয়ে গরম করা উচিত।

* পালং শাক : অন্যান্য সবুজ পাতাযুক্ত শাক-সবজির মতোই পালংশাকে উচ্চ মাত্রার আয়রণ ও নাইট্রেট থাকে। তবে পালং শাকও পুনরায় গরম করা বিপজ্জনক। কা্রণ উচ্চমাত্রার নাইট্রেট সমৃদ্ধ পালং শাক রান্নার পর যখন পুনরায় গরম করা হয় তখন তা পুরোপুরি নাইট্রাইটে পরিনত হয় যা খেলে দেহে ক্যানসার কোষ সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

* পোড়া বা খাবার তেল: আমরা অনেকেই খাবার রান্নার পর অবশিষ্ট তেল রেখে দেই পরবর্তী কোনো খাবার রান্নার জন্য কিন্তু একবার ও কি খেয়াল করেছি এটা আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর । পোড়া তেল ফের গরম করে রান্নায় ব্যবহার করলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

* শালগম : শালগম সাধারণত স্যুপ বানানোর জন্য বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে উচ্চ মাত্রার নাইট্রেট সমৃদ্ধ শালগম রান্নার পর পুনরায় গরম করা হলে বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে।

* মাশরুম : মাশরুম উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন সমৃদ্ধ। তবে মাশরুম যেদিন রান্না করা হয় সেদিনই খেয়ে ফেলা উত্তম। উচ্চমাত্রায় প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে রান্না করা মাশরুম গরম করা হলে প্রোটিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পুনরায় গরম করা মাশরুম খেলে তা পেটের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর, এমনকি তা হৃদরোগের কারণও হতে পারে।

* বিট : বিট পালং শাকের মতো উচ্চ মাত্রায় নাইট্রেট সমৃদ্ধ সবজি। তবে রান্না করা বিট পুনরায় গরম করে খেলে তা পেটের অসুখের কারণ হতে পারে।
* সেলারি (ধনে গাছের ডাটা) : সেলারি সবজিটিও উচ্চ মাত্রায় নাইট্রেট সমৃদ্ধ। তবে সেলারি ডাটা পুনরায় গরম করলে এর নাইট্রেট পুরোপুরি নাইট্রেইটে রূপান্তরিত হয়। শরীরে বেশি মাত্রায় নাইট্রেইট প্রবেশ করলে তা মেথিমোগ্লোবিনেমিয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করে। এটি এমন একটি পর্যায়, যেখানে নাইট্রেইটে শরীরের রক্তে হেমোগ্লোবিন ও আয়রনের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করে জীবন্ত কোষে অক্সিজেন বহনে বাধা দেয়। যা শারীরিক জটিলতা থেকে শুরু করে মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

* চা: এটা আমাদের অনেকেরই জানা যে একবার চা বানানোর পর তা ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পুনরায় গরম করা উচিত নয়। কারণ চায়ের মধ্যে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে। তৈরি করা চা ফের গরম করে পান করলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।

অনেকেই আছেন যারা খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়ার ভয়ে খাবার কয়েকবার গরম করে বা ফ্রীজে রাখেন। সেক্ষেত্রে যে সকল খাবার একাধিকবার গরম করা যায় না , সেসব খাবার ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে পারেন যেখানে বাতাসের চলাচল ভালো । নতুবা আপনাকেই স্বাস্থ্য নিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে।

ক্যান্সারকেও দিতে পারে জবাব, টকমিষ্টি তেঁতুলের গুণ!তেঁতুলের যেমন অনেক গুণ আছে তেমনি কিছু ক্ষেত্রে অপকারীও। সেগুলো কী কী?...
14/07/2020

ক্যান্সারকেও দিতে পারে জবাব, টকমিষ্টি তেঁতুলের গুণ!
তেঁতুলের যেমন অনেক গুণ আছে তেমনি কিছু ক্ষেত্রে অপকারীও। সেগুলো কী কী??

Tamarind Benefits: তেঁতুলের অনেক গুণ

তেঁতুল হ্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
আরও অনেক গুণ তেঁতুলের
তেঁতুলের (tamarind) নাম শুনলেই জিভে জল আট থেকে আটচল্লিশের। ছোটবেলায় লুকিয়ে আচার চুরির কথা মনে পড়ছে? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেসব অতীত। তেঁতুলের যেমন অনেক গুণ আছে তেমনি কিছু ক্ষেত্রে অপকারীও। সেগুলো কী কী? আগে উপকারের কথাই জানুন। ওবেসিটি কমিয়ে ঝরঝরে রাখে আপনাকে। হৃদস্পন্দন (Controlling Heartbeat) নিয়মিত রেখে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়। রেজ পাতে একটু তেঁতুল মানেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) অনেকটাই বেড়ে যাওয়া। আরও গুণ আছে। চোখ রাখুন সেসবে---

Low-Calorie Diet: জিরে চা ওজন কমায়, হজমশক্তি বাড়ায়...আর কী উপকার করে?

Tamarind Benefits: অনেক উপকার লুকিয়ে তেঁতুলে
কেন খাবেন তেঁতুল : ভিটামিন সি, ই, বি ছাড়াও তেঁতুলে পাবেন ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ আর ফাইবার। আর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সব মিলিয়ে মঙ্গল হি মঙ্গল হবে আপনার স্বাস্থ্যের।

১. ওবেসিটি ঝরবে: তন্বী হতে তেঁতুলের শরণ নিতেই পারেন। এর মধ্যে থাকা হাইড্রোসিট্রিক অ্যাসিড শরীর থেকে ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

২. ক্যান্সার হ্যাজ আনসার:

ক্যান্সার রোধে তেঁতুল অপ্রতিরোধ্য। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আর টার্টারিক অ্যাসিড প্রচুর রয়েছে। যা ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
৩. সুগার বশে থাকে:

সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস কমায়। কার্বোহাইড্রেট তৈরি হতে দেয় না রক্তে। এর জন্য সকালে খালিপেটে তেঁতুলের রস খেতে পারেন সুগারের রোগীরা।

কেন বয়স বাড়লে হাড় কমজোর হয়? দাঁত-হাড় মজবুত হবে কী খেলে?

৪. লিভার ভালো রাখে:
তেঁতুলের গুণে লিভারের সমস্ত সমস্যা গায়েব। হজম হয় দ্রুত। ওজন ধরে ঝটপট।

৫. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে:
এর মধ্যে থাকা আয়রন আর পটাশিয়াম লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

হারানো এনার্জি, ধারালো মগজাস্ত্র চান? ডুব দিন প্লিজ চায়ের কাপে

৬. বিছে কামড়ালে তেঁতুলের প্রলেপ:
বিছে কামড়ানোর ব্যথা-জ্বালা কমায় তেঁতুলের রস।

১. তেঁতুল টক ফল হওয়ায় বেশি খেলে অ্যাসিডিটি বাডায়

২. বেশি তেঁতুল খেলে ঋতুস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পায় রক্ত সঞ্চালনের গতিও। এতে শরীরে রক্তের ঘাটতি দেখা দেয়। রক্ত সঞ্চালনের বেগ বেড়ে গেলে শরীরের পক্ষে তা অত্যন্ত ক্ষতিকর।

৩. গর্ভধারণেও তেঁতুলের ভূমিকা রয়েছে। অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে গর্ভপাতের আশংকা থেকে যায়।

মর্নিংয়ে মোরিঙ্গা টি মানেই প্রেসার, ওজন আপনার বশে!

৪. বেশি তেঁতুল খাওয়া মানেই চর্মরোগ, ত্বক কালচে হয়ে যায়, কালচে ছোপ ধরে, ব্রণ-ফুসকুড়ির হামলা বাড়ে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য কমে।

tamarindTamarind Benefits: কিছু সমস্যায় তেঁতুল ভালো ওষুধ
৫. শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি কমে যাওয়াটাও ভালো না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডায়াবেটিকরা তেঁতুল খাবেন।

৬. কিছু ওষুধের সঙ্গে তেঁতুল একেবারেই চলে না। কিছু ওষুধ খাওয়ার আগে বা পরে তেঁতুল খেলে ওষুধের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। তাই অসুস্থ ব্যক্তির ডাক্তারবাবুর পরামর্শ মেনে তেঁতুল খাওয়া উচিত।

অনলাইন প্রতারণা এড়াতে যা করবেন 😍😍
12/07/2020

অনলাইন প্রতারণা এড়াতে যা করবেন 😍😍

কোন রঙের ফল কত উপকারি? জানেন?জীবন হবে রঙিন যদি আপনি সুস্থ থাকেন। আপনি সুস্থ থাকবেন কোন কোন রঙের ফল খেলেরঙ দেখে চিনে নিন ...
11/07/2020

কোন রঙের ফল কত উপকারি? জানেন?

জীবন হবে রঙিন যদি আপনি সুস্থ থাকেন। আপনি সুস্থ থাকবেন কোন কোন রঙের ফল খেলে
রঙ দেখে চিনে নিন কোন ফলে কতটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
কোন রঙের ফল বেশি উপকারি?
কোন রঙের ফলে কেমন উপকার?
জীবন হবে রঙিন যদি আপনি সুস্থ থাকেন। আপনি সুস্থ থাকবেন কোন কোন রঙের ফল খেলে? তারই হদিশ আজকের লেখায়। এমনিতেই মরশুমি ফল, সবজি শরীর সুস্থ রাখে। দূরে রাখে Heart Disease। পাশাপাশি ফলের রং বেছে যদি খেতে পারেন তাহলে আরও বেশি লাভ আপনারই। কারণ, একেক রঙের ফলে একেক গুণ। যা শরীরের নানা সমস্যা মেটায়। নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজে সমৃদ্ধ করে আমাদের শরীর। সুতরাং রঙিন থাকতে বাছুন রঙিন ফল, সবজি। উপকারিতা জেনে---

রঙিন ফলের অনেক গুণ!
১. হলদে-সবুজ ফল
হলুদ এবং সবুজ শাক-সবজি আর ফল মানেই সবুজ শাক, তরমুজ, অ্যাভোকাডো, ব্রক্কোলি, কিউই, ক্যাপসিকাম। সবুজ শাক-সবজিতে লুটেইন গিক্সাথিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যাদের দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ তাদের জন্য এই অক্সিডেন্ট খুব উপকারি।
ভিটামিন এ-এর অভাব পূরণ করে হলুদ রঙের ফল, সবজি

২. লাল রং
লাল রঙের ফল এবং সবজির তালিকায় রয়েছে টমেটো, তরমুজ, শুকনো লঙ্কা, বেরি। এই সবজি-ফলে লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পাওয়া যায়। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

৩. কমলা রং
কমলা রঙের ফল কেবল খাবার হিসেবেই স্বাদু নয়, এগুলি খুবই পুষ্টিকর। কমলা রঙের ফল এবং শাক সবজি মানেই কমলা, গাজর, লেবু, আনারস, পেঁপে। কমলা রঙের ফল এবং শাক সবজি শরীরে জোগায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আর বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া, ভিটামিন এ-র ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

৪. বেগুনি রং
বেগুনি রঙের ফল, সবজি মানেই বেগুন, কালো আঙুর, চেরি, নীল বেরি, গুজবেরি, স্ট্রবেরি। এন্থোকায়ানিন এই রঙের ফলে থাকে। এই সমস্ত ফল এবং শাক-সবজি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সঙ্গে ভাস্কুলার সিস্টেমকে সুস্থ রাখে।

৫. সাদা রং
সাদা রঙের ফল এবং শাক-সবজিতে থাকে সাইটোকেমিক্যাল। এই ফল এবং সবজির তালিকায় রয়েছে পেঁয়াজ, রসুন, মুলো, মাশরুম, সেলারি। এই সাইটোকেমিক্যাল কেবল হাড়ের জন্যই উপকারি নয়, ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

করোনা আতঙ্কের আবহে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখতে অবশ্যই মেনে চলুন এই ১০টি পরামর্শ বিগত ছ’মাস ধরে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চ...
10/07/2020

করোনা আতঙ্কের আবহে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখতে অবশ্যই মেনে চলুন এই ১০টি পরামর্শ

বিগত ছ’মাস ধরে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছেন বিজ্ঞানী, গবেষক, চিকিৎসক থেকে অসংখ্য সাধারণ মানুষ। এ পর্যন্ত সারা বিশ্বের ৪ লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়েছে এই ভাইরাস। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিগত কয়েক মাস ধরে লকডাউনে ঘরবন্দি হয়ে দিন কাটাচ্ছেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে শরীর ও মনের সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে কতগুলি নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...

১) নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। যেহেতু এখন আপনি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না, তাই বাড়িতেই সকাল-সন্ধ্যা নির্দিষ্ট সময় মেনে শরীরচর্চা করুন। এছাড়াও সকাল সন্ধ্যায় চা খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।

২) প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা ধ্যান বা মনের ব্যায়াম করুন।

৩) দিনে ১ ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় না দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৪) ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ১ ঘণ্টার বেশি ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।

৫) টিভিতে বেশিক্ষণ করোনা সম্পর্কিত কোনও খবর দেখবেন না। খুব বেশি হলে ২০-৩০ মিনিট দেখুন।

৬) দিনে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। যেমন, কবিতা লেখা, গল্প লেখা, ছবি আঁকা, গান গাওয়া ইত্যাদি।

৭) টিভিতে বার বার একই খবর না দেখে গল্প বা উপন্যাস পড়ুন।

৮) ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোনের, সম্ভব হলে বাড়ির ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দেবেন। কারণ, সঠিক পরিমাণে ঘুম হচ্ছে সব রোগেরই প্রতিষেধক। তাই ঘুমের আগে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন।

৯) নিয়মিত নিজের হাত ভাল করে ধুতে ভুলবেন না।

১০) নিজের প্রতিদিনের কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও কাজে সহায়তা করুন।

পেটে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলুন অ্যালোভেরা জেল খান শরীরের টক্সিন বের করুন আপনি কি জীবনভর সুস্থ থাকতে চান? বিশ্বের একমাত্র ...
09/07/2020

পেটে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলুন
অ্যালোভেরা জেল খান শরীরের টক্সিন বের করুন
আপনি কি জীবনভর সুস্থ থাকতে চান? বিশ্বের একমাত্র উৎকৃষ্ট অ্যালো ভেরা জেল ব্যবহার করুন
Weight Management করতে চাইলে সবার আগে পেট পরিষ্কা করুন। পেট পরিষ্কার করলে হজম শক্তি বেড়ে যাবে, খাবার চর্বিতে পরিনত না হয়ে শক্তিতে পরিনত হবে। তাহলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রনে। আর যদি হজম শক্তি ঠিক না থাকে তাহলে আপনি যা খাবেন তার বেশিরভাগই চর্বিতে পরিনত হয়। তাই হজম ক্রিয়া ভালো হলে আপনার খাবার চর্বির পরিবরতে শক্তিতে পরিনত হবে। আর হজম শক্তি/ক্রিয়া ভালো না করলে যতই মেডিসিন আর ব্যায়াম করুন না কেন সাময়িক লাভ হবে। কিন্তু পরে আবার মেদভূরি/মোটা হয়ে যাবে।

So, Drink World Best &100% Natural Aloe Vera Gel For Cleanse You Colon. Made in USA.

Forever Aloe vera gel price 1650/- taka

☎ +8801535872327
Inbox or Call For more details & Order

জেনে নিন অতিরিক্ত আম কেন খাওয়া উচিত নয়অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন মৌসুমী ফল আম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। যুক্তরাষ্ট্রে...
09/07/2020

জেনে নিন অতিরিক্ত আম কেন খাওয়া উচিত নয়
অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন মৌসুমী ফল আম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য অধিদপ্তর (USDA) এর তথ্য অনুযায়ী এক কাপ (১৬৫ গ্রাম) আমের মধ্যে রয়েছে ক্যালরি - ৯৯ কিলো ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ২৪.৭ গ্রাম, সুগার - ২২.৫ গ্রাম, ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ ২.৬ গ্রাম

প্রোটিন - ১.৪ গ্রাম, ফ্যাট ০.৬ গ্রাম। তাছাড়াও আমের মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলস।

তবে আপনি যদি এর স্বাদে মজে গিয়ে অতিরিক্ত আম খেয়ে ফেলেন তবেই ঘটে যেতে পারে বিপত্তি। তাই আসুন আম খাওয়ার আগে জেনে নেই অতিরিক্ত আম খেলে আপনি কী কী সমস্যায় পড়তে পারেন-
১. ব্লাড সুগার লেভেল বৃদ্ধি পেতে পারে।
২. ডায়রিয়া হতে পারে।
৩. যেহেতু আমে সুগার রয়েছে, তাই অতিমাত্রায় গ্রহণের ফলে বেড়ে যেতে পারে আপনার ওজন।
৪. অতরিক্ত আম খাওয়ার ফলে অনেকের এলার্জির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
৫. আমের মধ্যে (Urisol) নামক রাসায়নকি পদার্থ রয়েছে, যে কারণে অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে ত্বকের ক্ষতি এবং ত্বকে জ্বালা-পোড়া অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে।

অর্থাৎ অতিরিক্ত আম খেলে আপনি বেশকিছু শারিরীক সমস্যায় পড়তে পারেন। কিন্তু যদি পরিমিত পরিমাণে আম খান তাহলে কী কী উপকার পাবেন? সাধারণভাবে অনেকেই অনেক উপকারের কথা জানেন। চলুন আরো একবার জেনে নেই আমের উপকারিতা।

১. পাকা আম উচ্চ এন্টিঅক্সিডেন্ট সম্পন্ন, যা ফ্রি রেডিক্যাল দ্বারা কোষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রোধ করে।
২. আমে ম্যাঙ্গোফেরিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা Oxidative stress and Apoptosis রোধে সহায়তা করে।
৩. আমের এমাইলেজ এনজাইম পরিপাকে সহায়তা করে। তাছাড়াও এতে র্পযাপ্ত পরমিাণে পানি এবং Dietary Fiber রয়েছে যা পরিপাকজনিত সমস্যা যেমন- ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়তা করে।
৪. এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা চোখের স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
৫. এতে খুব ভালো পরিমাণে ভিটামিন- সি রয়েছে যা ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক।
৬. এতে রয়েছে পলিফেনল যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৭. কোলেস্টেরল লেভেল কমায়।

অনেকেরই ধারণা আমে যেহেতু সুগারের পরিমাণ বেশি, তাই ডায়াবেটিস রোগীরা হয়তো আম খেতে পারবেন না। কিন্তু এ ধারণাটি ভুল। আমরা জানি, আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হচ্ছে ৪১-৬০ এবং যার গড় ৫১। আমরা জানি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫৫ এর নিচে হলে তা Low GI food. তাই ডায়াবেটিকসে আক্রান্তদের আম খেতে কোন বাধা নেই।

07/07/2020

আপনারা যারা Forever bee honey অর্ডার করে এখনো পাননি আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত Stock out এর কারনে।।আশা করি আগামি কাল পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।

সেলুনে যাচ্ছেন ? 🧐বাসার ছোট বাবু,বাবা মা'র কথা কি একটু ভেবেছেন? 🤔দুনিয়া কাপছে ভাইরাসের কারনে আপনি যদি সেলুনে গিয়ে ভাইরাস...
06/07/2020

সেলুনে যাচ্ছেন ? 🧐বাসার ছোট বাবু,বাবা মা'র কথা কি একটু ভেবেছেন? 🤔
দুনিয়া কাপছে ভাইরাসের কারনে আপনি যদি সেলুনে গিয়ে ভাইরাস বাসায় বহন করে নিয়ে আসেন আল্লাহ না করুক যদি কিছু হয়ে যায় এই দায় কার?😏 ক্ষমা করতে পারবেন নিজেকে?🙁সেলুনে গিয়ে আপনি সচেতন কখনই থাকতে পারবেন না।আর আপনি নিজেও জানেন না অদৃশ্য ভাইরাস কোথায় আছে?🧐
কিছু মাস না হয় বাসায় চুল-দাঁড়ি ছোট করলেন খুব বেশি ক্ষতি কি হয়ে যাবে না জীবন বাচানু থেকে?🤔
আমরা নিয়ে এসেছি আপনার জন্য ভাল মানের ১২ মাসের ওয়ারেন্টি সহ কারে জাপানী washable Redien Rechargeable Hair Trimmer(RN-8166) 💪
সেইফ থাকুন সব কিছু থেকে ইনশাল্লাহ সব অবস্থা আবার আল্লাহ ঠিক করে দিবেন। ✌
ট্রিমার সম্পর্কে
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন সব কিছু পেয়ে জাবেন।👍
ইনবক্সে কেন ভাই ?এইখানে বলেন?🤙
আপনি এখন অনেক স্মার্ট আমাদের পেজ সেলফ সার্ভিস করা নিজেই সব প্রডাক্ট আর প্রডাক্টের বিস্তারিত আর দাম দেখতে পারবেন👥
প্রয়োজন -০১৫৩৫৮৭২৩২৭

"বিজ্ঞানে এটা প্রমাণ হয়েছে যে সুখী হতে হলে সচেতন প্রচেষ্টার প্রয়োজন," বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবি...
05/07/2020

"বিজ্ঞানে এটা প্রমাণ হয়েছে যে সুখী হতে হলে সচেতন প্রচেষ্টার প্রয়োজন," বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান এবং কগনিটিভ বিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক লরি স্যান্টোস।

বিবিসিকে তিনি বলেছেন, "এটা খুব একটা সহজ কাজ নয়, এজন্যে সময় লাগবে।" তবে তিনি হয়তো জানেন যে সুখী হতে হলে কি করতে হবে? কারণ তিনি পড়ান 'মনোবিজ্ঞান ও সুন্দর জীবন' বিষয়ে।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১৬ বছরের ইতিহাসে তার ক্লাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২,০০। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

রোহিঙ্গা 'গণহত্যার খবরের কারণে' রয়টার্সের সাংবাদিক আটক

ইতিবাচক মনোবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্সটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক স্যান্টোস। এটা মনোবিজ্ঞানেরই একটি শাখা যেখানে সুখ এবং আচরণগত পরিবর্তনের বিষয়ে পড়ানো হয়।

তিন্তু এসব তত্ত্ব আমরা কিভাবে আমাদের প্রতিদিনের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারবো?

অধ্যাপক স্যান্টোস বলেছেন, কেউ আপনা আপনি সুখী হয় না, এজন্যে চেষ্টা করতে হয়
"সুখী হওয়া বিষয়টি এমন নয় যে এটা আপনা আপনি হয়ে যায়। সুখী হওয়ার জন্যে আপনাকে এটা চর্চ্চা করতে হবে," বলেন অধ্যাপক স্যান্টোস, "এটা অনেকটা ভালো সঙ্গীত শিল্পী বা ক্রীড়াবিদ হয়ে উঠার মতোই, সাফল্যের জন্যে তাদেরকে যেমন চর্চ্চা করতে হয় সুখী হওয়ার ব্যাাপরেও আপনাকে সেটা করতে হবে।"

তার এই কোর্সটি খুবই জনপ্রিয়
আপনি সুখী হতে চান কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনি তো আর ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছেন না? এখান তার দেওয়া পাঁচটি টিপস তুলে ধরা হলো। চর্চ্চা করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

১. কৃতজ্ঞতার একটি তালিকা তৈরি করুন
অধ্যাপক স্যান্টোস তার শিক্ষার্থীদের বলেন, প্রত্যেক রাতে তারা যাদের কাছে বা যেসব জিনিসের কাছে কৃতজ্ঞ তার একটি তালিকা তৈরি করতে।

"এটা শুনতে খুব সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা দেখেছি যেসব শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে এটা চর্চ্চা করেন তাদের সুখী মনে হয়," বলেন অধ্যাপক স্যান্টোস।

২. আরো বেশি করে ও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চেষ্টা করুন
আপনি কি প্রতি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে পারছেন?
এই কাজটা করা সবচেয়ে সহজ বলে মনে হয় কিন্তু আসলে এই কাজটা করা খুব কঠিন, বলেন তিনি।

এখানে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, প্রতি রাতে আট ঘন্টা করে ঘুমানো। এবং এই কাজটা করতে হবে এক সপ্তাহ ধরে।

অধ্যাপক স্যান্টোস বলেন, "আমরা সবাই জানি যে বেশি ঘুমাতে পারলে এবং নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারলে বিষণ্নতায় ভোগার সম্ভাবনা কম থাকে। এর ফলে ইতিবাচক মনোভাবও তৈরি হয়।"

৩. ধ্যান করুন
আপনার কাজ হবে প্রত্যেকদিন ১০ মিনিট করে মেডিটেট বা ধ্যান করা।

অধ্যাপক স্যান্টোস বলেন, তিনি যখন ছাত্রী ছিলেন তখন তিনি নিয়মিত ধ্যান করতেন এবং দেখেছেন সেটা করলে মন ভালো থাকে।

এখন তিনি একজন অধ্যাপক, এখন তিনি তার শিক্ষার্থীদের শেখাচ্ছেন কিভাবে ধ্যান করতে হয়। তিনি বলেন, এধরনের কাজে পূর্ন মনোযোগ দিতে হয় যা মানুষকে সুখী হতে সাহায্য করতে পারে।

৪. পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আরো সময় কাটান
অধ্যাপক স্যান্টোস বলেছেন, গবেষণায় পরিষ্কার একটি বিষয় দেখা গেছে- পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ভালো সময় কাটালে আপনি সুখী হবেন।

আপনার যদি ভালো বন্ধুত্ব থাকে এবং সামাজিক যোগাযোগ থাকে এবং তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হয় তখন তারা উল্লেখযোগ্য রকমের ভালো বোধ করেন।

এজন্যে যে খুব বেশি কিছু করতে হবে তা নয়, স্যান্টোস বলেন, "শুধু এটা নিশ্চিত করুন যে আপনি এই সময়ে বেঁচে আছে, মনে করুন যে আপনারা একসাথে বর্তমান সময় কাটাচ্ছেন এবং আপনি কিভাবে আপনার সময় কাটাচ্ছেন সেবিষয়ে একটু সচেতন থাকুন।"
বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে মন প্রফুল্ল থাকে, বলছে গবেষণা
তিনি বলেন, আপনার সুখী হওয়ার জন্যে সময় সম্পর্কে আপনার ধারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

"আমাদের কতো অর্থ আছে সেটা দিয়ে আমরা প্রায়শই আমাদের সম্পদের হিসাব করি। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পদ হচ্ছে আসলে আমাদের হাতে কতো সময় আছে সেটার সাথে সম্পর্কিত," বলেন তিনি।

৫. সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের পরিবর্তে বাস্তবে এই যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন
অধ্যাপক স্যান্টোস মনে করেন, সোশাল মিডিয়া থেকে সুখের বিষয়ে মিথ্যা যেসব ধারণা পাওয়া যায় সেসবে ভেসে যাওয়া উচিত নয়।

অধ্যাপক স্যান্টোস বলছেন, সুখী হতে সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন
"সবশেষ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ইন্সটাগ্রামের মতো সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যম ব্যবহার করেন তারা, যারা এটা খুব বেশি ব্যবহার করেন না তাদের চাইতে কম সুখী," বলেন তিনি।

তো, এখন তো সব জানা হয়ে গেলো।

আপনি যদি সত্যিই জীবনে সুখী হতে চান, তাহলে কৃতজ্ঞ হতে শুরু করুন, পরিবারের সাথে আরো বেশি সময় কাটান, বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করুন, দিনের একটা সময়ে কিছুক্ষণের জন্যে নিজেকে সবকিছু থেকে সরিয়ে ধ্যানে মগ্ন হউন, সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে এসে আরো একট বেশি ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

ইয়েলের শিক্ষার্থীদের জন্যে যদি এটা কাজ করে, তাহলে এসব পরামর্শ আপনার ক্ষেত্রেও নিশ্চয় কাজ করবে।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HelloShop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HelloShop:

Share