Vanity Haul

Vanity Haul everyone join our page...

Interest Inbox please
23/05/2026

Interest
Inbox please

যোগ্যতার বাইরে কারো কিছু করা উচিত না। শখের গাছটা যখন বেড়ার বাইরে চলে যায় তখন ওই ডালটা কেটে ফেলতে হয়। বলি কি আপা আপনাক...
21/02/2026

যোগ্যতার বাইরে কারো কিছু করা উচিত না। শখের গাছটা যখন বেড়ার বাইরে চলে যায় তখন ওই ডালটা কেটে ফেলতে হয়।
বলি কি আপা আপনাকে উদ্যোক্তা হিসেবে আমরা খুব সুন্দর ভাবে মেনে নিয়েছিলাম। হোক আপনার পিছনে অনেক রকম এলিগেশন তিন স্বামীর লাইন। যে আপনি নিজে একা থাকতে পারেন না অন্যকে একা থাকা উপদেশ দিচ্ছেন। আপনি পুরুষ ছাড়া জীবনে এক বছর বেঁচে দেখান তাহলে বুঝবো। যে আপনি নিজে নিজের গায়ে কাপড় রাখতে পারেন না তাই সবাইকে আপনার মত হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? আপা সবার মানসিকতা আপনার মত না। আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি, আপনার বিশ্বাস হবে না অনেক মহিলায় স্বামীর সংসার করতে চায়। অনেক মহিলা জামাতের সাপোর্টার। অনেক মহিলা পর্দা মেইনটেইন করতে চায়। আপনি আরও আশ্চর্য হবেন অনেক মহিলাই যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কাজকর্ম না করে , স্বামীর সংসার করতে চায়, সন্তান লালন পালন করতে চায় এবং সংসারের মধ্যে তাদের পূর্ণতা খুঁজে পায়। আর বিশ্বাস করেন এই মহিলাগুলোর জন্যই আমাদের সমাজ এখনো টিকে আছে। আপনি যাদেরকে দাসত্ব মেনে নেওয়া দাসী মনে করছেন, চুলার আগুনে নিজের ট্যালেন্ট নষ্ট করাকে ভাবছেন, আমাদের সমাজে এই মহিলা গুলোর" অবদান "সব থেকে বেশি। এই মহিলা গুলো আমাদের সমাজকে সুষ্ঠুভাবে গড়ে তুলছে। স্যালুট এই মহিলাগুলোকে।
liza

22/12/2025
16/11/2025

প্রত্যেকটা রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে আমার নিজস্ব একটা স্টান্ডার্ড আছে;হোক সেটা ফ্রেন্ডস,সিনিয়র, জুনিয়র অথবা অন্যকেউ।

I expect the same treatment I give.

যদি আমি কাওকে আমার দিক থেকে একটা স্পেশাল জায়গা দেই, আমি তাদের থেকে ঠিক সেটাই আশা করি।

যে কোনো সম্পর্কে আপস এন্ড ডাউনস থাকবে এটাই স্বাভাবিক;আমি অপেক্ষা করি,অবজার্ভ করি আর ধৈর্য্য ধরি।কিন্তু এত কিছুর পরেও যদি আমার মনে হয়, যে পজিটিভ এনার্জি আমার পক্ষ থেকে যাচ্ছে সেটা রিটার্ন আসছে না, আই বিগিন টু ডিসটেন্স মাইসেল্ফ।

আই স্লোলি টেক ব্যাক দি প্লেস ওয়ান্স আই গেভ দেম!
আমি এটা কখনোই মানবোনা যে তারা আমার কাছে স্পেশাল অথচ আমি তাদের কাছে বাকি আর দশটা মানুষের মতোই!

copied

20/09/2025

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় শক্তি কী জানেন?
তা হলো যোগাযোগ (Communication)।

আমরা অনেকেই ভাবি, ভালোবাসা থাকলেই সম্পর্ক ঠিক থাকবে। কিন্তু আসল সত্যি হলো, ভালোবাসা থাকলেও যদি দু’জনের মধ্যে খোলামেলা কথা না হয়, তাহলে ভুল বোঝাবুঝি, রাগ আর দূরত্ব তৈরি হতেই থাকে।

ছোট ছোট ব্যাপার নিয়েও খোলাখুলি আলোচনা করা উচিত।

অথচ আমরা সেটা প্রায়ই ভুলে যাই এই মনে করে যে এই বিষয়টি জানানোর মতো কোনো বিষয় নয়। কিন্তু এখানেই ভুল টি হয়।

মনে রাখবেন,
"Unspoken words create the biggest distances in relationships."

তাই রাগ জমিয়ে না রেখে, কষ্ট চেপে না রেখে, যা মনে আছে সেটা গঠনমূলকভাবে বলুন।

কারণ, সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখে ভালোবাসা নয়, বরং বোঝাপড়া আর নিয়মিত কথোপকথন।

20/09/2025

কোন এক দাওয়াতে এক ভাবী গল্প করছিলেন যে, “এক মহিলা যখন তার Husband রাগ হয় তখন তিনি আয়াতুল কুরসি পড়েন আর তার স্বামী বিড়াল হয়ে যান “।তখন আর এক ভাবী বললেন," ভাবী - আয়াতুল কুরসি পড়লে উনার স্বামী বিড়াল হন না বরং ঐ মহিলার সাথের শয়তানটা পালিয়ে যায়” । ভাবীদের এই কথোপকথন আমাকে ভীষন ভাবে অনুপ্রানিত করেছিল।
তার পর থেকে আমি আমার জীবনে আয়াতুল কুরসি পড়ার প্র্যাকটিস করা শুরু করলাম । যখন ই বাসায় কেউ রাগ হতো আমি আয়াতুল কুরসি পড়তে থাকতাম । আলহামদুলিল্লাহ এখন এটা আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে এবং এতে অনেক শান্তি এসেছে । এক বোনকে যখন আমি এটা বললাম তখন তিনি হেসে বললেন, “রাগের সময় তো আয়াতুল কুরসি মনে আসে না “। তাকে চেষ্টা করে দেখার জন্য বললাম যে পরে অভ্যাসে পরিনত হবে । আপনি যখন আয়াতুল কুরসি বা অন্য কোন দোয়া পড়ার কথা ভাববেন, তখন কোন কঠিন যুক্তিটা দিয়ে অন্যকে হারানো যায় সে কথা টা আপনার মাথায় আসবে না । এতে ঝগড়াও অনেকটা কমে যাবে । এছাড়াও আমি একটি হাদীস কিচেনের দরজায় লিখে রেখেছিলাম — “যখন তুমি চুপ করে থাকবে ফেরেশতারা তোমার হয়ে উত্তর দিবেন “। আপনাদের নিশ্চয় এই হাদীসটা জানা আছে! “হযরত আবূ হুরায়রা ( রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ( দঃ) এর উপস্থিতিতে এক ব্যক্তি হযরত আবু বকর ( রাঃ) - কে গালাগালি করল। নবী করীম ( সাঃ) ও আবু বকর ( রাঃ) উভয়ে নীরব রইলেন। লোকটি গালাগালি থাকলে আবু বকর ( রাঃ) উত্তর দিলেন। তখন নবীজি ( সাঃ) উঠে চলে গেলেন। তারপর আবু বকর ( রাঃ) তাঁর সাক্ষাৎ করে বললেন - ইয়া রাসূলুল্লাহ ( দঃ)! সে আমাকে গালি দিলো, আর আমি নিরব রইলাম। আর যখনই আমি উত্তর দিলাম, আপনি চলে এলেন। এর কারণ কি? নবী করীম ( সাঃ) বললেন - যখন তুমি নিরব ছিলে ফেরেশতারা তোমার পক্ষ থেকে উত্তর দিচ্ছিলো। আর যখনই কথা বললে, ফেরেশতারা চলে গেল আর শয়তান এসে বসলো। তাই আমি শয়তানের সাথে থাকতে অপছন্দ করলাম।
এই হাদীসটি আমার আম্মা আমাকে সব সময় মনে করিয়ে দিতেন । আর বলতেন, “কেউ কিছু বললে চুপ করে থাকবে বোবার কোন শত্রু নাই” । একদিন আমার স্বামীর কথার উত্তর দিতে গেলে আমার ৭ বছরের মেয়ে বলে, “মা! তুমি কেনো বাবার কথার উত্তর দিচ্ছ? তুমি না এখানে লিখে রেখেছো যে,চুপ করে থাকলে ফেরেশতারা তোমার হয়ে উত্তর দিবে “। সে দিন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ওর জন্য অনেক দোয়া করেছি হাদীসটা মনে করিয়ে দেবার জন্য । এর ৯ বছর পর আমার ১৬ বছরের মেয়ে স্কুল থেকে এসে যখন বললো -“মা! সামিরার মন খুব খারাপ কারন ওর বাবা মা অনেক ঝগড়া করছে । আমি বলেছি আমার মা আমার বাবা রাগ করলে কোন উত্তর দেয় না, চুপ করে দোয়া পরে” ।ঐ দিন প্রশান্তিতে মনটা ভরে গিয়েছি্‌ মনে মনে আয়াতুল কুরসি আর বিড়াল হওয়া গল্প বলা ভাবীদের জন্য দোয়া করেছি । আপনিও আজই আয়াতুল কুরসি পড়ার অভ্যাস করুন, দেখবেন ফল ইন শা আল্লাহ পাবেনই ।
অনেকেই ভাবতে পারে তারমানে কেউ অন্যায় ভাবে কিছু করলে বা বললে চুপ থাকবো নাকি ? অন্যায় কে বাধা দেওয়া তো মু'মিন এর কাজ। " মু'মিন পুরুষ ও মু'মিন নারীরা একে অপরের হিতাকাংখী বন্ধু। তারা সৎ কাজের আদেশ করে আর অসৎ কাজে বাধা দেয়।[সূরা তাওবাহ, আয়াত - ৭১]
কিন্তু উপরের আবু বকর ( রাঃ) ঘটনাটা দিয়ে বোঝানো হয়েছে রাগ এর নিয়ন্ত্রণ ও এর ফজিলত। কেউ যখন রাগ করে কথা বলে তখন তার কথার মাঝে নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এমন কথা সে বলে ফেলতে পারে যাতে তার যবানের হিফাজত ও আমল কে নষ্ট করে ফেলে। তাই কেউ খারাপ কিছু বললে রাগ করে তার উত্তর না দিয়ে চুপ থাকা ভালো। ফেরেশতারা আপনার হয়ে তাকে উত্তর দিয়ে দিবে।
Ismat Nayara

What arrogance do  you have? When this is you in just deacde apart?
26/08/2025

What arrogance do you have? When this is you in just deacde apart?

23/08/2025

কতটা হৃদয় বিদারক ঘটনা।

“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জাহেল আছে”

ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-
“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্তার দেখাবেন, ফল কিনে খাবেন। গোপন নাম্বারে পাঠিয়েছি, আপনি আইডি কার্ড নিয়ে জনতা ব‍্যাংকে গেলেই টাকা পেয়ে যাবেন”।
(গোপনীয়তার স্বার্থে পিন নাম্বারটি দিলাম না)।

ছেলের কথা মতো বাবা আজ জনতা ব‍্যাংক গৌরীপুর শাখায় এসেছেন টাকা তোলার জন‍্য। বেশ অসুস্থ শরীর তাঁর। কোনমতে লাঠিতে ভর করে চলাফেরা করেন। বললাম- এই শরীর নিয়ে একা একা আসা ঠিক হয়নি আপনার।
তিনি জানালেন- সাথে আসার মতো কাউকে পাননি বলে কষ্ট করে একাই এসেছেন। টাকা তুলে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর বাড়ি ফিরবেন।

মুরুব্বিকে আমার রুমে বসিয়ে সহকর্মীকে বললাম ওনার টাকাটা পে-আউট করে দেয়ার জন‍্য। কিছুক্ষণ পর আমার সহকর্মী জানালো, এই টাকার বেনিফিসিয়ারী তিনি নন, অন‍্য আরেকজন। পরবর্তীতে গোপন পিন নাম্বারটি আমি নিজে কয়েক বার মিলিয়ে দেখলাম, সহকর্মীর কথাই সত‍্যি। পরে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলাম উল্লেখিত ব‍্যাক্তিকে আপনি চিনেন কিনা। নাম শোনতেই তাঁর দু’চোখে জলের তান্ডব দেখলাম!
অভাগা বাবা কাঁদতে কাঁদতে লাঠিতে ভর দিয়ে চলে গেলেন।

তখন নায়ক রাজ্জাকের “বাবা কেনো চাকর” সিনেমাটির কথা মনে পড়ে গেল। হৃদয়ে বাজতে লাগলো- আমার মতো এমন সুখী নেইতো কারো জীবন…..

বুঝতে পারলাম, ছেলে তার শ্বশুরকে পাঠানো মেসেজটি ভুলক্রমে বাবার মোবাইলে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ঘন্টা দেড়েক পর একজন তড়তাজা ভদ্রলোক এসে সে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। তারঁ সাথেও কথা হল। জানতে চাইলাম কে টাকা পাঠিয়েছেন।
মাঝ বয়োসী ভদ্রলোক জানালো - “আমার জামাই, নবীর দেশে থাকে। খুব ভালো ছেলে, কয়েক মাস পর পর শরীর চেকআপের জন‍্য টাকা পাঠায়। পাগল একটা জামাই!, দোয়া করবেন স‍্যার।

আমি কিছুক্ষণের জন‍্য স্তব্দ হয়ে গেলাম। ভাবলাম বাবা ছেলেকে বড় করে নবীর দেশে পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, এখন সে আবু জাহেলের দেশে বাস করে……

মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন
ব‍্যবস্থাপক,জনতা ব‍্যাংক পিএলসি.গৌরীপুর শাখা।
(কপি পোস্ট)

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করবেন।

collected post এই লোকটাকে দেখতে মনে হচ্ছে না—কত সুন্দর নূরানী চেহারা! নিশ্চয়ই একজন আলিম হবেন! আল্লাহ ওয়ালা কেউ!  কিন্তু ...
02/05/2025

collected post
এই লোকটাকে দেখতে মনে হচ্ছে না—কত সুন্দর নূরানী চেহারা! নিশ্চয়ই একজন আলিম হবেন! আল্লাহ ওয়ালা কেউ! কিন্তু এই লোক একটা বিশ্ব প্রতারক।

এক চিল্লার জন্য বের হয়েছিলো আমার ছোট ভাই। তাদের জামায়াতে সেই একমাত্র আলিম ছিলো। আর বাকি সবাই মুরুব্বি। ঈশার নামাজের পরে বয়ান করতেছিলো। এরমধ্যে এই লোক মসজিদে প্রবেশ করে। চারপাঁচ দিন এভাবে মসজিদে তালিমে বসে। একদিন তালিমের ফাঁকে সামনে এসে জিজ্ঞেস করে বাবাজি তোমার নাম কী?

‘আশিক এলাহী।’

লোকটা বলে, ‘ঠিক তোমার মতো দেখতে আমার একটা ছেলে আছে। তোমার মতোই মাথায় বাবরিচুল। চেহারাও কিছুটা তোমার মতো। তার ছেলের ছবি দেখালো। আসলেই ছেলেটা দেখতে আশিকের মতো ছিলো কিছুটা।
আমার ছেলে মদিনা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। এভাবে কয়েকদিন ভাইয়ের সাথে এই লোকের আলাপচারিতা হয়। বাসা কোথায়, বাবা কী করে, কয় ভাইবোন, তার ফিউচার প্ল্যান কী? আশিক সবকিছু উত্তর দেয়।

লোকটা বলে সে আমেরিকার বুস্টান শহরে থাকে। তখন আমার ভাইয়েরও নিউইয়র্কে যাওয়ার কথাবার্তা হচ্ছিলো। কিন্তু সেটা ফাইনাল ছিলো না।
এসব কথাবার্তা বলার দুইতিন দিন পরে বলল, বুস্টান শহরে তার শ্বশুরের একটা মসজিদ আছে। শ্বশুর আমেরিকান। সেই মসজিদের ইমাম সাহেব বৃদ্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখন ইন্সট্যান্ট ইমাম নিবে। আমার ভাইয়ের তেলাওয়াত শুনে তার ভালো লাগে। তারপর সে প্রস্তাব দেয় আমি চাই তোমাকে বুস্টানে নিয়ে যেতে। সেরকম খরচ লাগবে না।

তারপর লোকটা বলে এসব কথাবার্তা তো মসজিদে বসে বলা যায় না, চলো আমরা কোনো রেস্টুরেন্টে বসি। তার ব্যবহার, কথাবার্তা এতটা অমায়িক ছিলো যে কেউ তার ভক্ত হতে বাধ্য৷ তারপর রেস্টুরেন্টে নিয়ে চাউমিন খেতে দেয়। ভাই বলে আঙ্কেল আমি এটা খেতে পারবো না। লোকটা এমনভাবে অনুরোধ করলো তারপর সে বাধ্য হলো খেতে।

আমার ভাইয়ের থেকে আব্বুর নাম্বার নিলো লোকটা। তারপর আব্বুকে সব খুলে বলল। জানিনা লোকটার কথায় কী জাদু ছিলো, আমার জ্ঞানী আব্বুও এই লোকের কথা বিশ্বাস করে নেয়। কেমন যেন জিম্মি হয়ে যায়।

আমার ভাইকে যদি বলা হতো লোকটার বাসা কোথায়, তার আত্মিয়স্বজন কে কে আছে খোঁজ নিতে সে কেন যেনো রেগে যেতো। তারপর পাসপোর্ট করলো। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে নাকি অনেক কাটখোড় পোহানো লাগবে, দালালরা অনেক টাকা খাবে। এজন্য দিল্লি থেকে যেতে চাইলো। যেখানে আমেরিকা যেতে ২৫/৩০ লাখ লেগে যায় সেখানে ১৫ লাখ লাগবে। কারণ লোকটা ফ্যামিলি ভিসায় নিতে চেয়েছে।

বিশ্বাস করার অনেক কারণ ছিলো, সে ওমরা গিয়ে কাবা ঘরের সামনে, তাওয়াফ করার সময়, সায়ী করার সময়, মদিনা গিয়ে আমার আব্বুর সাথে, ভাইয়ের সাথে ভিডিও কলে কথা বলতো। কাবার গিলাফের কাছে গিয়ে বলেছে ভাইজান চিন্তা করবেন না আপনার ছেলেকে আমি আমার নিজের সন্তানের মতো জানি। বিশ্বাস অর্জনের জন্য যা যা লাগে সব করেছে সে।

দেশে এসে আমার ভাইকে সে বলল, ভাইপো, আমাকে চিংড়ি মাছ গিফট করো। আমাদের এলাকা চিংড়ির জন্য বিক্ষাত। আমার দয়ালু বাবা ১৫ কেজি গলদা চিংড়ি উপহার দেয়। সেটা নাকি সে আমেরিকা পাঠাবে।

তারপর ভিভো নতুন ফোন কিনালো, এটা নাকি লাগবে এম্বাসিতে দেখানোর জন্য। ব্লাড কানেক্টেড ছাড়া অন্য কারো সাথে কথা বলা যাবে না। কারণ দিল্লির চেকপোস্টে এগুলো চেক করে। এগুলো মাথার উপর দিয়ে যায় আমাদের। ভিসা নেওয়ার সময় এম্বাসিতে নতুন ফোন জমা দিতে হবে। প্রথম পর্যায়ে ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা পাঠায়। এটা ভিসার কাজে লাগবে। যা যা করানো লাগে সবই করে, মেডিকেল থেকে শুরু করে যাবতীয় সবকিছু ঢাকা থেকে করে। কিন্তু ভিসাটা দিল্লি থেকে করতে হবে। দিল্লি হয়ে গেলে সুবিধা।

লোকটা বারবার বলতো, বাংলাদেশের মানুষ হলো কুত্তা। এরা টাকার কুত্তা। সব দালাল, সব জায়গায় ঘুষ খায়। বলতো, ঘুষ আমি খাবো না। এসব আমি পছন্দ করি না। খাবারও বেছে চলতো। এমনভাবে বলতো মনে হতো সে একজন আল্লাহর ওলী।

৫ লাখ টাকা ডলার করে বেনাপোল থেকে দিল্লিতে যায়। সেখানে একটা হটেল বুকিং করে আশিককে রাখে। সেখানে মিট আইটেম কিছুই যেন না খায় সে ব্যাপারে সতর্ক করতো। মাছ সবজী এসব যেন খায়। মাংস তো হালাল হবে না।

দিল্লি এম্বাসিতে ঢোকার সাথে সাথে সেখানে চেক করে বলে এগুলো কিসের ডলার? এটা বলার সাথে সাথে এই লোকটা ভাইয়ের থেকে ডলার গুলো নিয়ে বলে এগুলো কিছু না। এই ছেলেটা আমার রিলেটিভ। ভিসা হতে তিনদিন লাগবে। কোনো সমস্যা নেই সবই ঠিক আছে।

তিনদিন দিল্লিতে বসে কী করবে এজন্য লোকটা ট্যুরিস্ট বাস বুকিং করে বলে, ‘আশিক, আজ সারাদিন দিল্লি শহর ঘুরে দেখো। একা একা ভালো লাগবে না। লোকটা নিজের সাথে আশিককে রাখলো না। কারণ লোকটার সাথে তার স্ত্রী ছিলো। স্ত্রী হলো আমেরিকান মহিলা। আগে অমুসলিম ছিল, পরে মুসলিম হয়ে এই লোককে বিবাহ করে। তার স্ত্রী আসার কারণ হলো সে যেহেতু সরাসরি আমেরিকান এজন্য ভিসা হতে সময় লাগবে না।

সারাদিন দিল্লিতে ঘুরে রাতে হোটেলে ফিরে চোখটা লেগে আসে আশিকের৷ রাত ২ টার সময় তার ফোনে ম্যাসেজ আসে, বাবাজি আমার শ্বাশুড়ি মারা গেছে, সে তো অসুস্থ ছিলো কয়েকমাস ধরে। তোমার আন্টিই তাদের একমাত্র মেয়ে। তোমার আন্টি একদম ভেঙ্গে পড়েছে। এজন্য তাকে নিয়ে ইন্সট্যান্ট টিকিট কেটে আমেরিকা চলে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ ৩ মাস পরে এসে আমরা তোমাকে নিয়ে যাবো। আমার ভাই তো তখন সর্বশান্ত। তার হাতে ২ হাজার টাকা ছাড়া কিছু নেই। বাংলাদেশ থেকে টাকা পাঠানোর পরে সে দেশে আসে।

তারপর ৩ মাস গেলো, তখন আরেকটা অযুহাত দেখালো। একবার তার শ্বাশুড়ি মরলো, আরেকবার তার বউ অসুস্থ হলো, শেষে তার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ম্যাসেজ আসলো, ‘বাবাজি আমি তোমার আঙ্কেলের বোন ফুপু বলতেছি। তোমার আঙ্কেল মারা গেছে। আমরা তোমাদের ১০ লাখ টাকা ফেরত দিতে চাই। ব্যাংক আকাউন্টের নাম্বার পাঠাও, আমার ভাই একাউন্ট নাম্বার পাঠালো। আজ দেব, কাল দেব করে দেয়নি।

যে ম্যাসেজ এসেছিলো সেই ম্যাসেজের ধরণ এই লোকের ম্যাসেজের মতোই ছিলো। সে মারা গেলো কী করে!

এই খবর শোনার পরে আমার ভাই, আব্বু ভেঙ্গে পড়েছিলো একদম। আমার মনে হচ্ছিলো, কী যেন হয়ে গেলো। কয়েকমাস আমাদের পরিবার একটা ট্রমার ভেতর ছিলো। তাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিবে! কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। খোঁজ নিয়ে যেটা বের হয়, লোকটার নাম বলেছিলো আব্দুর রহমান। কিন্তু ব্যাংক একাউন্টে নাম ছিলো হেলাল উদ্দীন। এটা একটা গ্যাং, যার সাথে অনেক হিন্দু জড়িত।

আমাদের এসবে যখন সন্দেহ হতো তখন বলতাম লোকটা যদি ফ্রড হয়? এই কথা বললে আমার ভাই এবং আব্বু দুজনই কেনো যেন রেগে যেতো। এখানে রেগে যাওয়ার কোনো কারণ আছে বলে মনে হয় না। আমার আব্বু কখনোই কাউকে এভাবে বিশ্বাস করে টাকা দেয়নি। এই লোকটাকে কেনো বিশ্বাস করলো তিনি এখনো বুঝে উঠতে পারেননা। আমার ভাই তো এক প্রকার উন্মাদ ছিলো। তার আচরণ ছিলো অন্যরকম।

আমাদের অনেক আত্মিয়স্বজন আমেরিকা আছে। জেঠা, মামাদের অনেকেই আছে। আব্বু তাদের সাথেও শুরুতে এই লোকের কথা বলে, তারাও বলল হয়তো ভালো হবে। কিন্তু এত বড় ফাঁদ বুঝলো না। লেবাস আর কথায় বিশ্বাস করেছে। সে নিজেকে আলিম পরিচয় দিয়েছিলো। কথাবার্তাও আলিমের মতোই ছিলো।

শেষে একটাই সান্ত্বনা তারা আমার ভাইকে দিল্লি নিয়ে মেরে ফেলেনি এটাই অনেক। টাকা গেছে এটা পরোকালে পাবোই৷ ভাই যে সুস্থসবলে ফিরে এসেছে এটাই অনেক।

আমাদের জন্য একটা শিক্ষা—লেবাস আর মিষ্টি কথা দেখে আমরা গলে যাই। আল্লাহ ভিরুতা দেখে আমরা ওলী ভাবি, কাবা ঘরের গিলাফ ধরেও বিশ্বাস নিয়ে যে খেলে সে সাক্ষাত একটা কাঞ্জুস, মুনাফিক। আল্লাহ এসব মুনাফিকদের বিচার নিজ হাতে করবেন।

Fatima Afrin

Address

Chittagong
Chittagong Division

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vanity Haul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share