24/09/2026
মাত্র ৭ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে চার লাখ টাকা লাভ করে একজন কল দিলো।
তাও মাত্র দেড় মাসে।
কীভাবে সম্ভব?
এই অবিশ্বাস্য ব্যাক্তি খুব ভালো সেল করতে পারতেন অনলাইনে। আগে চাকরি করতেন। পরে মাত্র সাত হাজার টাকা পুঁজি দিয়ে ব্যবসায় নেমে পড়েন।
অন্যের মোবাইলের দিয়ে ভিডিও করে কিছু খেজুরের গুড় সংগ্রহ করে একটি ভিডিও নেন।
তারপরে সেটি দিয়ে প্রচার শুরু করেন।
প্রথমে মন্দা গেলেও সপ্তাহ খানেকের মধ্যে অর্ডার আসা শুরু করে।
তারপরে আরো অর্ডার।
এবারে তিনি বিশেষ একটি মার্কেটিং টেকনিক এপ্লাই করেন। ব্যাস আগুনের মত অর্ডার আসতে থাকে।
আর দিন রাত কাজ করতে করতে কেবল সেল করতেই থাকেন।
দেড় মাস পরে আমাকে কল দিয়ে বলল, ভাই আমি তো অবিশ্বাস্য কাজ করে ফেলেছি। সব খরচ বাদে এখন হাতে চার লাখ টাকা আছে। মোবাইল ফোন কিনে ফেলেছি।
কিন্তু কি ছিল সেই টেকনিক?
ওনার অনুমতি নিয়েই এতদিন পর বলতে পারা। প্রথমত কন্টেন্ট ভালো ছিল। দ্বিতীয়ত তিনি বুস্টিং করেছেন বিদেশে।
অর্থাৎ, বিদেশে যেই বাঙালিরা আছে তারা কিনে আত্মীয় স্বজনের কাছে খেজুরের গুড় গিফট করেছেন।
দ্বিতীয়ত, তিনি এক কলসি গুড় একসাথে বিক্রি করতেন।
এর প্রেজেন্টেশন এবং সাথে মাটির কলসি ফ্রি পাওয়া মানুষকে অনেক প্রভাবিত করেছে।
সবশেষে, অনেক কন্টেন্ট করে নিজের উইনিং স্ট্র্যাটেজি বের করেন আর নিরন্তর পরিশ্রম করেন।
কিন্তু থেমে যান নাই।
বর্তমানে কি অবস্থা তার জানেন?
আমের সিজনে এক কোটি টাকার আম সেল করেছে। অনেক বড় টিম নিয়ে কাজ করছেন। আমাকে বলল কাজ জানে এমন ভালো কোন ব্যাক্তি থাকলে জানাতে।
আমি শুনে প্রচণ্ড অবাক। অথচ এই ব্যাক্তিটিই ছয় মাস আগে পকেটে সাত হাজার টাকাতে বেকার হতাশ ঘুরছিল।
অনেক আশা নিয়ে ব্যাবসা শুরু করেন।
নিজের ভালো ক্যামেরা মোবাইল পর্যন্ত ছিল না। আর এখন চাকরি দিতে যোগ্য লোক খুঁজছে
খুশিতে আমাকে এক ঝুড়ি আম পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে গুড়ও দিয়েছিল।
সে একা ধনী হয়েছে বিষয়টি এমন না। সাথে আরো দশ জনক ধনী করেছে।
একটু মাত্র প্রচেষ্টা আর দেখুন মাত্র ছয় মাসে কিভাবে ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল।
এই হচ্ছে ব্যবসা!
কখন সম্ভাবনা তৈরি হবে নিজেও জানেন না।
মোহাইমিন পাটোয়ারী, CFA
IBA, DU
Double Masters
Norwegian school of economics
Mannheim university, Germany
ফাইন্যান্সিয়াল বিষয়ে আমার পরামর্শ সেবা গ্রহণের জন্য http://shamriddhi.com ভিজিট করুন